১
সর্বযুগের বিশ্বস্ত নবী
লেখকঃ কামাল উদ্দিন মোল্লা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
শিক্ষা কেন্দ্র :
নেককার প্রজন্ম গঠনে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জীবন- চরিত হলো একটি শিক্ষা কেন্দ্রের মত। আল্লাহ বলেন-
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ لِمَنْ كَانَ يَرْجُو اللَّهَ وَالْيَوْمَ الْآَخِرَ وَذَكَرَ اللَّهَ كَثِيرًا ﴿ ألاحزاب :২১ ﴾
যারা আল্লাহ ও শেষ দিবসের আশা রাখে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে তাদের জন্যে রাসূলুল্লাহর মধ্যে উত্তম নমুনা রয়েছে।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জীবনীতে অন্তর্ভূক্ত হয়েছে প্রত্যেক ঐ সব উপকরণগুলো যা একজন ভালো মানুষ সৃষ্টির জন্য প্রয়োজন হয়। যার প্রতি ইসলাম আহবান করেছে এবং আল্লাহর জমিনে খেলাফত প্রতিষ্ঠা দ্বারা উদ্দেশ্যও হলো ঐ গুণাবলীর আলোকে ভালো মানুষ হওয়া। আয়েশা রা. কে প্রশ্ন করা হয়েছিল প্রিয় রাসূল স. এর আখলাক সম্পকে, উত্তরে তিনি বললেনঃ তার চরিত্র হলো আল কোরআন। অর্থ পূর্ণ এক সংক্ষিপ্ত বাক্য। অর্থাৎ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হলেন কুরআনুল করিমের জীবন্ত দর্পন। কুরআনে যে সব দিক নির্দেশনা, আদেশ, নিষেধ, মূল্যবোধ, মূলনীতি, নৈতিকতা সব কিছু তার মাঝে বিরাজমান। কুরআন হচ্ছে প্রশিক্ষণের জন্য প্রেরিত আসমানী কিতাব আর রাসূল স. হচ্ছেন সেই রব্বানী প্রশিক্ষণের পূর্নাঙ্গ মডেল। এদিক থেকে রাসূল স. জীবন চরিতে অন্তর্ভূক্ত হয়েছে সে সব উপাদানসমূহ যা আল্লাহর আনুগত্য শিক্ষার জন্য প্রয়োজন হয়। শিক্ষনীয় যে কোন বিষয় মানুষ যদি রাসুলের জীবনীতে অনুসন্ধান করে, তবে তা মহান রাসূলের জীবনীতে সে পেতে থাকবে। সততা, আমানতদারী, তাকওয়া, গুপ্ত বা প্রকাশ্য যে কোন প্রকার বিশুদ্ধতা, আল্লাহর প্রতি অবিচল আস্থা, আল্লাহর আহ্বানের তড়িৎ জবাব দেয়া, বীরত্ব, ধৈর্য, বিজ্ঞতা, দুনিয়া বিমূখতা, বলার দক্ষতা, উত্তম ব্যবহার, বিনম্র মেলা মেশা, হৃদ্যতা, কমলতা, প্রচেষ্টায় প্রত্যয়ী, সকল বিষয় মধ্যম পন্থা অবলম্বন করা ইত্যাদি। সব কিছু । যাই হোক যদি আমরা আগ্রহী হই মুসলমানের মধ্য থেকে একটি সৎ প্রজন্ম সৃষ্টির তাহলে আমাদের দুইটি কাজ প্রয়োজন।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জীবন চরিত এর সকল দিক সম্পর্কে অবহিত হওয়া, অধ্যয়ন করা, গভীর মনোযোগী হয়ে গবেষণা করা।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দিক নির্দেশনাগুলোর তাত্বিক প্রয়োগের প্রচেষ্টা চালানো ঠিক ঐ আকৃতিতে যে আকৃতিতে রাসূলের কাওলী (নির্দেশ মূলক রীতি-নীতি) ও আমলী (ব্যবহারিক রীতি-নীতি) সুন্নাত পাওয়া যায়। যদি আমরা এই দুইটি উপাদনকে যথাযথ ভাবে দাঁড় করাতে পারি, তাহলে ইসলামের এই দ্বিতীয় গোরবত বা নির্বাসন (রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন ইসলামের যাত্রা শুরু হয় নির্বাসনের মাধ্যমে যেভাবে শুরু হয়েছিল সে অবস্থায় আবার ফিরে যাবে। আজকের প্রেক্ষাপট রাসূলের হাদীসের সত্যতা প্রমান করে।) যা আজকে আমরা অতিক্রম করছি দূর করতে সক্ষম হবো এবং উম্মতের হারানো গৌরব ফিরে পাবে।
আমাদের উপর ফরজ যেমনিভাবে প্রথম যুগের মুসলমানগণ পবিত্র ইসলামকে নির্বাসনের হাত হতে রক্ষা করেছিল। আমরাও সকল বাধা ছিন্ন করে ইসলাম রক্ষা ও আল্লাহর জমীনে তা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নির্বাসনের হাত থেকে হেফাজত করা।
কোন ব্যক্তিত্বের অনুকরণ অথবা কোন আদর্শ শিক্ষার জন্য পশ্চিম অথবা পূর্বের দিকে কৌতোহলী অনুসন্ধান আজকের দিনে ও প্রয়োজন নেই। কারণ ইসলামী শিক্ষা ও পদ্ধতির সামনে সকল মানবীয় শিক্ষাই অসম্পূর্ণ ও দূর্বল। সকল ব্যক্তিত্বই রাসূলের মোকাবেলায় শিকড়হীন হঠাৎ জেগে উঠা আগাছার মত। তাহলে বিশাল জ্ঞান ভান্ডারের মালিক হয়ে আমরা কেন ভিক্ষুক হতে যাব? আমাদের বিশ্বসেরা আদর্শ, মহা পুরুষ থাকতে কেন যাব ঐ অসাড় নেতৃত্বের অনুকরণ করতে?
আমাদের মহান রাসূলের জীবনীতে ফিরে আসতে হবে এবং রাসূলের নূরে হিদায়েতের রঙ্গে আমদের রঙ্গীন হতে হবে।
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ لِمَنْ كَانَ يَرْجُو اللَّهَ وَالْيَوْمَ الْآَخِرَ وَذَكَرَ اللَّهَ كَثِيرًا ﴿ ألاحزاب :২১ ﴾
যারা আল্লাহ ও শেষ দিবসের আশা রাখে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে তাদের জন্যে রাসূলুল্লাহর মধ্যে উত্তম নমুনা রয়েছে।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জীবনীতে অন্তর্ভূক্ত হয়েছে প্রত্যেক ঐ সব উপকরণগুলো যা একজন ভালো মানুষ সৃষ্টির জন্য প্রয়োজন হয়। যার প্রতি ইসলাম আহবান করেছে এবং আল্লাহর জমিনে খেলাফত প্রতিষ্ঠা দ্বারা উদ্দেশ্যও হলো ঐ গুণাবলীর আলোকে ভালো মানুষ হওয়া। আয়েশা রা. কে প্রশ্ন করা হয়েছিল প্রিয় রাসূল স. এর আখলাক সম্পকে, উত্তরে তিনি বললেনঃ তার চরিত্র হলো আল কোরআন। অর্থ পূর্ণ এক সংক্ষিপ্ত বাক্য। অর্থাৎ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হলেন কুরআনুল করিমের জীবন্ত দর্পন। কুরআনে যে সব দিক নির্দেশনা, আদেশ, নিষেধ, মূল্যবোধ, মূলনীতি, নৈতিকতা সব কিছু তার মাঝে বিরাজমান। কুরআন হচ্ছে প্রশিক্ষণের জন্য প্রেরিত আসমানী কিতাব আর রাসূল স. হচ্ছেন সেই রব্বানী প্রশিক্ষণের পূর্নাঙ্গ মডেল। এদিক থেকে রাসূল স. জীবন চরিতে অন্তর্ভূক্ত হয়েছে সে সব উপাদানসমূহ যা আল্লাহর আনুগত্য শিক্ষার জন্য প্রয়োজন হয়। শিক্ষনীয় যে কোন বিষয় মানুষ যদি রাসুলের জীবনীতে অনুসন্ধান করে, তবে তা মহান রাসূলের জীবনীতে সে পেতে থাকবে। সততা, আমানতদারী, তাকওয়া, গুপ্ত বা প্রকাশ্য যে কোন প্রকার বিশুদ্ধতা, আল্লাহর প্রতি অবিচল আস্থা, আল্লাহর আহ্বানের তড়িৎ জবাব দেয়া, বীরত্ব, ধৈর্য, বিজ্ঞতা, দুনিয়া বিমূখতা, বলার দক্ষতা, উত্তম ব্যবহার, বিনম্র মেলা মেশা, হৃদ্যতা, কমলতা, প্রচেষ্টায় প্রত্যয়ী, সকল বিষয় মধ্যম পন্থা অবলম্বন করা ইত্যাদি। সব কিছু । যাই হোক যদি আমরা আগ্রহী হই মুসলমানের মধ্য থেকে একটি সৎ প্রজন্ম সৃষ্টির তাহলে আমাদের দুইটি কাজ প্রয়োজন।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জীবন চরিত এর সকল দিক সম্পর্কে অবহিত হওয়া, অধ্যয়ন করা, গভীর মনোযোগী হয়ে গবেষণা করা।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দিক নির্দেশনাগুলোর তাত্বিক প্রয়োগের প্রচেষ্টা চালানো ঠিক ঐ আকৃতিতে যে আকৃতিতে রাসূলের কাওলী (নির্দেশ মূলক রীতি-নীতি) ও আমলী (ব্যবহারিক রীতি-নীতি) সুন্নাত পাওয়া যায়। যদি আমরা এই দুইটি উপাদনকে যথাযথ ভাবে দাঁড় করাতে পারি, তাহলে ইসলামের এই দ্বিতীয় গোরবত বা নির্বাসন (রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন ইসলামের যাত্রা শুরু হয় নির্বাসনের মাধ্যমে যেভাবে শুরু হয়েছিল সে অবস্থায় আবার ফিরে যাবে। আজকের প্রেক্ষাপট রাসূলের হাদীসের সত্যতা প্রমান করে।) যা আজকে আমরা অতিক্রম করছি দূর করতে সক্ষম হবো এবং উম্মতের হারানো গৌরব ফিরে পাবে।
আমাদের উপর ফরজ যেমনিভাবে প্রথম যুগের মুসলমানগণ পবিত্র ইসলামকে নির্বাসনের হাত হতে রক্ষা করেছিল। আমরাও সকল বাধা ছিন্ন করে ইসলাম রক্ষা ও আল্লাহর জমীনে তা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নির্বাসনের হাত থেকে হেফাজত করা।
কোন ব্যক্তিত্বের অনুকরণ অথবা কোন আদর্শ শিক্ষার জন্য পশ্চিম অথবা পূর্বের দিকে কৌতোহলী অনুসন্ধান আজকের দিনে ও প্রয়োজন নেই। কারণ ইসলামী শিক্ষা ও পদ্ধতির সামনে সকল মানবীয় শিক্ষাই অসম্পূর্ণ ও দূর্বল। সকল ব্যক্তিত্বই রাসূলের মোকাবেলায় শিকড়হীন হঠাৎ জেগে উঠা আগাছার মত। তাহলে বিশাল জ্ঞান ভান্ডারের মালিক হয়ে আমরা কেন ভিক্ষুক হতে যাব? আমাদের বিশ্বসেরা আদর্শ, মহা পুরুষ থাকতে কেন যাব ঐ অসাড় নেতৃত্বের অনুকরণ করতে?
আমাদের মহান রাসূলের জীবনীতে ফিরে আসতে হবে এবং রাসূলের নূরে হিদায়েতের রঙ্গে আমদের রঙ্গীন হতে হবে।