১
শিয়াদের আকীদা-বিশ্বাস
লেখকঃ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আস সালাফী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
আলী রা.-র প্রশংসায় কবি আলী বিন সুলাইমান আল মাযিদী বলেন,
হে আবু হাসান তুমি কুমারীর স্বামী
ইলাহের পাঁজর ও রাসূলের আত্মা
পূর্ণিমার চন্দ্র ও উজ্জল সূর্য
রবেবর গোলাম এবং তুমি-ই মালিক
গাদীর দিনে রাসূল তোমাকেই ডেকেছে
গাদির দিনের বিষয়টি তোমার উপরই অর্পিত
কেননা তুমি-ই মু‘মিনদের আমীর
তার ওলীর হার তোমাকেই পরিয়েছে
সমস্ত বিষয় তোমার জন্যই হয়
তুমি-ই অন্তরের সমস্ত ভেদ জানো
কবরস্থিত সব কিছু তুমি-ই পুনরুত্থানকারী
কিয়ামতে হুকুম পরিচালনার দায়িত্ব
তুমি-ই সকল বিষয়ে ক্ষমতাবান।
তুমি না হলে একটি তারকাও চলত না
কোন গ্রহ ও কক্ষপথ হত না।
তুমি-ই সকল স্থল ভূমি সম্পর্কে জ্ঞাত
তুমি-ই গুহাবাসীদের সাথে কথোপকথনকারী
তুমি না হলে মুসা কালিমুলাহ্ হতো না
তারই প্রশংসা যিনি তোমাকে রূপ দিয়েছেন।
তোমার নামের রহস্য বিশ্ববাসী অচিরেই দেখবে
তোমার ভালবাসা কপালের উপর উজ্জল সূর্যের ন্যায়
তোমার প্রতি বিদ্বেষ, বিদ্বেষকারীদের মুখমন্ডলে
আলকাতরার ন্যায়, তোমার বিদ্বেষকারীর সফলতা নেই।
যা ছিল, যা হবে
যত নবী ও রাসূল
লওহ কলম যত জ্ঞানী গুনি
সবই তোমার বান্দা সবই তোমার গোলাম।
হে আবু হাসান সৃষ্টির পরিচালনাকারী
তিরস্কৃতদের আশ্রয়স্থল ও প্রতিনিধি দলের ঠিকানা
কিয়ামত দিবসে তোমার আশেকদের শারাবদাতা
তোমাকে অস্বীকারকারী পুনরুত্থানে অস্বীকারী।
হে আলী ফখরকারী আবু হাসান
তোমাকে নেতা মানাই আমার কবরে উজ্জল মিনার
তোমার নামই আমার দুরাবস্থায় বাঁচার আঁধার।
তোমার ভালবাসা-ই আমাকে তোমার জান্নাতে প্রবেশকারী
যখন জলিল-কদর ইলাহের নির্দেশ আসে
ঘোষণাকারী ঘোষণা দেয় পরকালে পাড়ি, পরকালে পাড়ি,
যে তোমার নামে স্বাদ গ্রহণ করে তাকে কিভাবে দিবে ছাড়ি?
যে ব্যক্তি ইসলামকে দ্বীন হিসাবে গ্রহণ করে সে কি কখনো এরূপ কবিতা আবৃত করতে পারে? আল্লাহর
কসম! জাহেলী যুগের লোকেরা পর্যন্ত এই হতভাগ্য রাফেযীর ন্যায় এরূপ শিরক, কুফর ও ভালবাসায় সীমালঙ্ঘন করেনি। আল্লাহ তাআলা বলেন :
(আরবি)
‘‘... যে ব্যক্তি তার প্রতিপালকের সাথে সাক্ষাতের আশা করে, সে যেন সৎ আমল করে আর তার প্রতিপালকের ইবাদাতে কাউকে শরীক না করে।’’ (সূরা আল কাহাফ : ১১০)
ইলাহের পাঁজর ও রাসূলের আত্মা
পূর্ণিমার চন্দ্র ও উজ্জল সূর্য
রবেবর গোলাম এবং তুমি-ই মালিক
গাদীর দিনে রাসূল তোমাকেই ডেকেছে
গাদির দিনের বিষয়টি তোমার উপরই অর্পিত
কেননা তুমি-ই মু‘মিনদের আমীর
তার ওলীর হার তোমাকেই পরিয়েছে
সমস্ত বিষয় তোমার জন্যই হয়
তুমি-ই অন্তরের সমস্ত ভেদ জানো
কবরস্থিত সব কিছু তুমি-ই পুনরুত্থানকারী
কিয়ামতে হুকুম পরিচালনার দায়িত্ব
তুমি-ই সকল বিষয়ে ক্ষমতাবান।
তুমি না হলে একটি তারকাও চলত না
কোন গ্রহ ও কক্ষপথ হত না।
তুমি-ই সকল স্থল ভূমি সম্পর্কে জ্ঞাত
তুমি-ই গুহাবাসীদের সাথে কথোপকথনকারী
তুমি না হলে মুসা কালিমুলাহ্ হতো না
তারই প্রশংসা যিনি তোমাকে রূপ দিয়েছেন।
তোমার নামের রহস্য বিশ্ববাসী অচিরেই দেখবে
তোমার ভালবাসা কপালের উপর উজ্জল সূর্যের ন্যায়
তোমার প্রতি বিদ্বেষ, বিদ্বেষকারীদের মুখমন্ডলে
আলকাতরার ন্যায়, তোমার বিদ্বেষকারীর সফলতা নেই।
যা ছিল, যা হবে
যত নবী ও রাসূল
লওহ কলম যত জ্ঞানী গুনি
সবই তোমার বান্দা সবই তোমার গোলাম।
হে আবু হাসান সৃষ্টির পরিচালনাকারী
তিরস্কৃতদের আশ্রয়স্থল ও প্রতিনিধি দলের ঠিকানা
কিয়ামত দিবসে তোমার আশেকদের শারাবদাতা
তোমাকে অস্বীকারকারী পুনরুত্থানে অস্বীকারী।
হে আলী ফখরকারী আবু হাসান
তোমাকে নেতা মানাই আমার কবরে উজ্জল মিনার
তোমার নামই আমার দুরাবস্থায় বাঁচার আঁধার।
তোমার ভালবাসা-ই আমাকে তোমার জান্নাতে প্রবেশকারী
যখন জলিল-কদর ইলাহের নির্দেশ আসে
ঘোষণাকারী ঘোষণা দেয় পরকালে পাড়ি, পরকালে পাড়ি,
যে তোমার নামে স্বাদ গ্রহণ করে তাকে কিভাবে দিবে ছাড়ি?
যে ব্যক্তি ইসলামকে দ্বীন হিসাবে গ্রহণ করে সে কি কখনো এরূপ কবিতা আবৃত করতে পারে? আল্লাহর
কসম! জাহেলী যুগের লোকেরা পর্যন্ত এই হতভাগ্য রাফেযীর ন্যায় এরূপ শিরক, কুফর ও ভালবাসায় সীমালঙ্ঘন করেনি। আল্লাহ তাআলা বলেন :
(আরবি)
‘‘... যে ব্যক্তি তার প্রতিপালকের সাথে সাক্ষাতের আশা করে, সে যেন সৎ আমল করে আর তার প্রতিপালকের ইবাদাতে কাউকে শরীক না করে।’’ (সূরা আল কাহাফ : ১১০)