১
শিয়াদের আকীদা-বিশ্বাস
লেখকঃ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আস সালাফী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৫
ধারণাপ্রসূত: লাওহে ফাতেমা
এটি এমন এক কিতাব যা মহান রাববুল আলামীন আল্লাহর পক্ষ হতে তার নবী, তার নুর, তার রাষ্ট্রদূত, তার পর্দা ও তার পথপ্রদর্শক মুহাম্মাদের উপর জিবরিল আমীনের মাধ্যমে অবতীর্ন হয়। হে মুহাম্মাদ, আমার নামসমূহের বড়ত্ব ঘোষনা কর, আমার নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় কর, আমার বড়ত্ব ও মহত্বকে অস্বীকার কর না, নিশ্চয় আমি-ই আল্লাহ্, আমি ব্যতীত কোন ইলাহ্ বা মা‘বুদ নেই, আমি ক্ষমতাধর থেকে প্রতিশোধ গ্রহণকারী এবং অত্যাচারিতদের প্রতিদান দানকারী। আমি দীন নির্ধারণকারী। নিশ্চয় আমি আল্লাহ্ আমি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নেই। অতএব যে আমার সম্মান ছাড়া অন্যের সম্মান আশা করবে, আমার ইনসাফ ছাড়া অন্যের ইনসাফকে ভয় করবে, আমি তাকে এমন আযাব দেব যা পৃথিবীর আর অন্য কাউকে দেইনি। সুতরাং আমারই ইবাদত কর এবং আমার উপরই ভরসা কর। আমি যে নবী-ই প্রেরণ করেছি তার সময় ও মেয়াদ পূর্ণ করেছি এবং তার জন্য একজন ওসী নির্ধারণ করেছি। আর আমি তোমাকে সমস্ত নবীর উপর ফযিলত দিয়েছি এবং সমস্ত ওসীর উপর তোমার ওসীর ফযিলত দিয়েছি। আমি তোমার পৌত্রদ্বয় হাসান ও হুসাইন দ্বারা তোমাকে সম্মানিত ও ওহীর ধনভান্ডার নির্ধারণ করেছি, শাহাদাতের মাধ্যমে তাকে মর্যাদাবান করেছি এবং সৌভাগ্যের সাথে তার সমাপ্তি ঘটিয়েছি। সে তো এমন শহীদ, যার দ্বারা শহীদদের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছি। তার সাথে আমার পূর্ণ কথা নির্ধারণ করেছি এবং তার নিকটে আমার পরিপূর্ণ দলীল রয়েছে। তার সম্মানের কারণে আমি পূণ্য দান করি ও শাস্তি প্রদান করি। তাদের প্রথম হলেন আলী, ইবাদাতকারীদের সরদার ও পূর্ববর্তী আমার ওলীদের সৌন্দর্য, আর তার পুত্র তার প্রসংশিত দাদা মুহাম্মাদ আল-বাকের হচ্ছে আমার ইল্ম ও হিকমতের খনি। জা‘ফার এর ব্যাপারে সন্দিহানরা অচিরেই ধ্বংস প্রাপ্ত হবে, তাকে প্রত্যাখ্যান করা আলীকে প্রত্যাখ্যান করার ন্যায়। আমার পক্ষ হতে এ কথা সত্য নির্গত হয়েছে যে, জা‘ফারের পরকাল সম্মানিত করব, তার পরিবার, অনুসারী, সাহায্যকারী ও ওলীদের মাঝে তাকে আনন্দিত করব। এরপর আমার বান্দা মুসাকে কঠিণ গভীর ফিৎনা দেয়া হয়েছে, কেননা আমার বিধান খন্ডন হয় না ও আমার দলীল গোপন হয় না, আর আমার ওলীগণকে পরিপূর্ণ গ্লাসে পান করানো হবে। ঐ ওলীদের কোন একজনকেও যদি কেউ অস্বীকার করে, তবে সে আমার নে‘য়ামতকেই অস্বীকার করে। আর যে ব্যক্তি আমার কিতাবের একটি আয়াত পরিবর্তন করে, সে আমার কিতাবকেই অস্বীকার করে। আমার ওলী ও সাহায্যকারী আলী সম্পর্কে যারা ইচ্ছাকৃত মিথ্যা রচনা ও সীমা লঙ্ঘন করেছে, তাদের জন্য রয়েছে অয়েল নামক শাস্তির স্থান। আর যার উপর আমি নবুওয়াতের পোষাক অর্পন করি একজন অত্যধিক চতুর অহংকারী শয়তান তাকে হত্যা করে, যে মদীনা আমার নেক বান্দা বানায়, সে শহরে আমার দুই নিকৃষ্ট সৃষ্টির পাশে তাকে দাফন করা হয়।
আমার কথা সত্য, অতঃপর মুহাম্মদের ইলমের উত্তরাধিকার ও তার খলিফা আলীকে আমি অবশ্যই নির্দেশ করব। সে আমার ইল্ম তথা জ্ঞান, আমার গোপনের স্থান, আমার সৃষ্টির উপর অকাট্য প্রমাণ। অতএব যে বান্দা তার প্রতি ঈমান আনে তার ঠিকানা একমাত্র জান্নাত। তাকে আমি আহলে বায়তের মধ্যে থেকে এমন সত্তুর জনের ব্যাপারে সুপারিশ করার অনুমতি দেব, যাদের উপর জাহান্নাম ওয়াজিব হয়েছিল। তার থেকে আমার রাস্তার দায়ী ও আমার ইলমের ভান্ডার হাসানকে বিশ্ববাসীর জন্য রহমত স্বরূপ নির্গত করব এবং তার সন্তানের মাধ্যমে তা পূর্ণ করব।
##
০০০ ০০০ ০০০ সন্ত্রস্ত হবে। তাদের রক্তে যমীন রঞ্জিত হবে তাদের নারীদের মাঝে অপমান ও লাঞ্ছনা বিস্তার লাভ করবে। ওরাই আমার প্রকৃত ওলী তাদের মাধ্যমেই গভীর ফেৎনা দূর করব, ভূমি কম্পন অবস্থা দেখব এবং উর্ধ মূল্য দূর করব। তাদের উপরই তাদের রবের পক্ষ হতে রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক, এরাই তো আসল হেদায়েত প্রাপ্ত। আবদুর রহমান বিন সালেম বলেন, আবু বাসির বলেন, তোমার যুগে যদি এটা ব্যতীত আর কোন হাদীস নাও শোন তবুও এটাই তোমার জন্য যথেষ্ট। [আল কুলাইনী: আল কাফী: (১/৫২৭), আল কাশানী: আল ওয়াফী লিল ফাইয ২/৭২, ও ইবনে বাবওয়াইহ্ আল কুম্মী: ইকমালুদ-দ্বীন-৩০১-৩০৪, ও আবি আলী আত-তাবরাসী: এ‘লামুল অরা-১৫২।* রাফেযী শিয়ারা দাবী করে যে, লাওহে ফাতেমা নবী ইন্তেকালের পর জিবরাইল আমীন ফাতেমার নিকট নিয়ে আসে। জিবরাইল আমীন ফাতেমার নিকট যা বলতেন তা আলী ০০০]*
‘‘বলুন! আমি তো তোমাদের মতই একজন মানুষ মাত্র, আমার প্রতি ওহী বা প্রত্যাদেশ করা হয় যে, তোমাদের মা‘বুদই একমাত্র মা‘বুদ।’’(সুরা কাহাফ-১১০)
আমার কথা সত্য, অতঃপর মুহাম্মদের ইলমের উত্তরাধিকার ও তার খলিফা আলীকে আমি অবশ্যই নির্দেশ করব। সে আমার ইল্ম তথা জ্ঞান, আমার গোপনের স্থান, আমার সৃষ্টির উপর অকাট্য প্রমাণ। অতএব যে বান্দা তার প্রতি ঈমান আনে তার ঠিকানা একমাত্র জান্নাত। তাকে আমি আহলে বায়তের মধ্যে থেকে এমন সত্তুর জনের ব্যাপারে সুপারিশ করার অনুমতি দেব, যাদের উপর জাহান্নাম ওয়াজিব হয়েছিল। তার থেকে আমার রাস্তার দায়ী ও আমার ইলমের ভান্ডার হাসানকে বিশ্ববাসীর জন্য রহমত স্বরূপ নির্গত করব এবং তার সন্তানের মাধ্যমে তা পূর্ণ করব।
##
০০০ ০০০ ০০০ সন্ত্রস্ত হবে। তাদের রক্তে যমীন রঞ্জিত হবে তাদের নারীদের মাঝে অপমান ও লাঞ্ছনা বিস্তার লাভ করবে। ওরাই আমার প্রকৃত ওলী তাদের মাধ্যমেই গভীর ফেৎনা দূর করব, ভূমি কম্পন অবস্থা দেখব এবং উর্ধ মূল্য দূর করব। তাদের উপরই তাদের রবের পক্ষ হতে রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক, এরাই তো আসল হেদায়েত প্রাপ্ত। আবদুর রহমান বিন সালেম বলেন, আবু বাসির বলেন, তোমার যুগে যদি এটা ব্যতীত আর কোন হাদীস নাও শোন তবুও এটাই তোমার জন্য যথেষ্ট। [আল কুলাইনী: আল কাফী: (১/৫২৭), আল কাশানী: আল ওয়াফী লিল ফাইয ২/৭২, ও ইবনে বাবওয়াইহ্ আল কুম্মী: ইকমালুদ-দ্বীন-৩০১-৩০৪, ও আবি আলী আত-তাবরাসী: এ‘লামুল অরা-১৫২।* রাফেযী শিয়ারা দাবী করে যে, লাওহে ফাতেমা নবী ইন্তেকালের পর জিবরাইল আমীন ফাতেমার নিকট নিয়ে আসে। জিবরাইল আমীন ফাতেমার নিকট যা বলতেন তা আলী ০০০]*
‘‘বলুন! আমি তো তোমাদের মতই একজন মানুষ মাত্র, আমার প্রতি ওহী বা প্রত্যাদেশ করা হয় যে, তোমাদের মা‘বুদই একমাত্র মা‘বুদ।’’(সুরা কাহাফ-১১০)