১
শিয়াদের আকীদা-বিশ্বাস
লেখকঃ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আস সালাফী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৭
উপসংহার
সম্মানিত মুসলিম জাতি, উপরোক্ত আলোচনায় আশা করি আপনি আমার সাথে ঐক্যমত পোষন করবেন যে, যারা এরূপ বাতিল বিশ্বাস পোষণ করে তারা মুসলিম নয়, যদিও তারা মুসলিম দাবী করে। অতএব তারা মুসলমানদের মধ্যে তাদের শিয়া ধর্মীয় বিশ্বাস ছড়িয়ে দেয়ার জন্য যে চেষ্টা করছে, তার মোকাবিলায় আপনি একজন তাওহীদী মুসলিম হিসেবে আপনার কি ভূমিকা হতে পারে?
আপনার দায়িত্ব হচ্ছে, এদের থেকে সতর্ক থাকা, তাদের সাথে সব ধরনের লেনদেন ছিন্ন করা। যারা আল্লাহকে রব হিসেবে বিশ্বাস করে, ইসলামকে দীন হিসেবে গ্রহণ করে, মুহাম্মাদকে নবী ও রাসূল হিসেবে করে, তাদের প্রত্যেকের উচিত তাদেরকে ঘৃণা করা ও তাদের থেকে সাবধান থাকা।
শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়াহ্ বলেন, ‘‘একজন রাফেযী যার সাথেই মেলামেশা করে তার সাথেই মুনাফিকি প্রকাশ করে। কারণ সে অন্তরে যে ধর্মীয় বিশ্বাস পোষন করে, তার মূলই হচ্ছে ধোকাবাজী, প্রতারণা ও মানুষের সাথে অনিষ্টের ইচ্ছা করা। তাদের ধর্মের ভিত্তি এসব বাতিল ও মিথ্যা স্বভাবের উপর। কখনো কোন রাফেযীর চরিত্রে আহলে সুন্নাতের বিদ্বেষ পরিলক্ষিত না হলেও, তার কথার সুর ও চেহারায় মুনাফিকি চরিত্র ফুটে উঠে।’’ (টিকা: ১)
নিশ্চয় তারা অন্তরে আমাদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ পোষন করে, আল্লাহ্ তাদের ধংস করুন, বিভ্রান্ত হয়ে তারা কোথায় চলেছে?
এত কিছুর পরও আহলে সুন্নাতের কিছু লোক রাফেযীদের ধোকায় পড়ে জীবন পরিচালনার বিষয়ে তাদের সাথে একাকার হয়ে গেছে, তাদেরকে নির্ভরযোগ্য মনে করছে। এসবের কারণ হচ্ছে আল্লাহর দীন থেকে বিমুখ হওয়া ও তার তাওহীদী মুসলিমকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করা এবং কাফের অথবা মুশরিক থেকে বিরত থাকার বিধানাবলী সম্পর্কে অবহিত না হওয়া। অর্থাৎ এ আক্বীদা বিশ্বাসের প্রতি আমল না করা। উপরোক্ত আলোচনা থেকে আমরা মুসলিম হিসেবে আমাদের দায়িত্ব অনুধাবন করতে পারি। অতএব কে এ আহবানে সাড়া দেবে? সব শেষে মহান আল্লাহর নিকট এই ফরিয়াদ করি, তিনি যেন তাঁর দীনের মদদ করেন, তাঁর কালেমাকে বুলন্দ করেন, রাফেযী-শিয়াদের অপমান করেন ও তাদেরকে মুসলিমদের জন্য গনিমত করেন।
সমাপ্ত
আপনার দায়িত্ব হচ্ছে, এদের থেকে সতর্ক থাকা, তাদের সাথে সব ধরনের লেনদেন ছিন্ন করা। যারা আল্লাহকে রব হিসেবে বিশ্বাস করে, ইসলামকে দীন হিসেবে গ্রহণ করে, মুহাম্মাদকে নবী ও রাসূল হিসেবে করে, তাদের প্রত্যেকের উচিত তাদেরকে ঘৃণা করা ও তাদের থেকে সাবধান থাকা।
শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়াহ্ বলেন, ‘‘একজন রাফেযী যার সাথেই মেলামেশা করে তার সাথেই মুনাফিকি প্রকাশ করে। কারণ সে অন্তরে যে ধর্মীয় বিশ্বাস পোষন করে, তার মূলই হচ্ছে ধোকাবাজী, প্রতারণা ও মানুষের সাথে অনিষ্টের ইচ্ছা করা। তাদের ধর্মের ভিত্তি এসব বাতিল ও মিথ্যা স্বভাবের উপর। কখনো কোন রাফেযীর চরিত্রে আহলে সুন্নাতের বিদ্বেষ পরিলক্ষিত না হলেও, তার কথার সুর ও চেহারায় মুনাফিকি চরিত্র ফুটে উঠে।’’ (টিকা: ১)
নিশ্চয় তারা অন্তরে আমাদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ পোষন করে, আল্লাহ্ তাদের ধংস করুন, বিভ্রান্ত হয়ে তারা কোথায় চলেছে?
এত কিছুর পরও আহলে সুন্নাতের কিছু লোক রাফেযীদের ধোকায় পড়ে জীবন পরিচালনার বিষয়ে তাদের সাথে একাকার হয়ে গেছে, তাদেরকে নির্ভরযোগ্য মনে করছে। এসবের কারণ হচ্ছে আল্লাহর দীন থেকে বিমুখ হওয়া ও তার তাওহীদী মুসলিমকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করা এবং কাফের অথবা মুশরিক থেকে বিরত থাকার বিধানাবলী সম্পর্কে অবহিত না হওয়া। অর্থাৎ এ আক্বীদা বিশ্বাসের প্রতি আমল না করা। উপরোক্ত আলোচনা থেকে আমরা মুসলিম হিসেবে আমাদের দায়িত্ব অনুধাবন করতে পারি। অতএব কে এ আহবানে সাড়া দেবে? সব শেষে মহান আল্লাহর নিকট এই ফরিয়াদ করি, তিনি যেন তাঁর দীনের মদদ করেন, তাঁর কালেমাকে বুলন্দ করেন, রাফেযী-শিয়াদের অপমান করেন ও তাদেরকে মুসলিমদের জন্য গনিমত করেন।
সমাপ্ত