১
শিয়াদের আকীদা-বিশ্বাস
লেখকঃ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আস সালাফী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২২
তাওহীদের ধারক আহলে সুন্নাত ও মুশরিক রাফেযীদের সাথে ঐক্য
প্রিয় পাঠক! শীআহ ও সুন্নীদের মাঝে ঐক্যের ব্যাপারে ড. নাসের আল-কাফারী ‘‘মাসআলাতুত তাক্বরীব’’ কিতাবের সপ্তম অনুচ্ছেদে বলেন, ‘‘আল্লাহর কিতাবের ব্যাপারে যে বিরূপ মনোভাব প্রকাশ করে, কুরআনের অপব্যাখ্যা করে, কুরআনের পরেও ইমামদের উপর ইলাহী কিতাব নাযিলের ধারণা পোষণ করে। [প্রিয় পাঠক! এই পুস্তকের শেষাংশে দেখুন ‘‘আল বেলায়াহ্’’ নামক একটি সুরা, এই সুরাটির ব্যাপারে রাফেযী শিয়ারা দাবী করে যে, কুরআন শরীফ থেকে এটিকে হযফ করা হয়েছে। সুরাটি নুরী আত-ত্বাবারাসীর ‘‘ ফাসলুল খেতাব’’ নামক গ্রন্থ থেকে সংকলন করা হয়েছে। এরূপ দাবী অবশ্যই মিথ্যা দাবী এবং আল্লাহর অঙ্গিকারকে প্রত্যাখ্যানের শামিল।]
তারাইমামতকে নবুওয়াত বলে মনে করে, ইমামগণকে নবীদের ন্যায় বরং আরো উত্তম মনে করে, সকল রাসূলের রেসালত যে একক ও অদ্বিতীয় আল্লাহর যে ইবাদত কেন্দ্রিক, সেই ইবাদতের সঠিক অর্থ বাদ দিয়ে ভিন্ন অর্থ করে। তারা ইমামদের আনুগত্য করাকেই প্রকৃত ইবাদত মনে করে। ইমামদের সাথে অন্যদের আনুগত্য করা শিরকের শামিল ধারণা করে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বিশিষ্ট সাহাবাদের কাফের বলে, তিন, চার অথবা সাতজন সাহাবী ব্যতীত সকল সাহাবীকে মুরতাদ কাফের বলে দাবী করে। যে ইমামত ও ইসমাত তথা নিষ্পাপ তত্ত্ব এবং তুকইয়ার বিশ্বাস নিয়ে মুসলিম জামা‘আত থেকে বিরত ও বিচ্ছিন্ন থাকে, রাজা‘আত, গায়বাত ও বাদাআ‘-র কথা বলে, তার সাথে কিভাবে ঐক্য সম্ভব?’’
তারাইমামতকে নবুওয়াত বলে মনে করে, ইমামগণকে নবীদের ন্যায় বরং আরো উত্তম মনে করে, সকল রাসূলের রেসালত যে একক ও অদ্বিতীয় আল্লাহর যে ইবাদত কেন্দ্রিক, সেই ইবাদতের সঠিক অর্থ বাদ দিয়ে ভিন্ন অর্থ করে। তারা ইমামদের আনুগত্য করাকেই প্রকৃত ইবাদত মনে করে। ইমামদের সাথে অন্যদের আনুগত্য করা শিরকের শামিল ধারণা করে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বিশিষ্ট সাহাবাদের কাফের বলে, তিন, চার অথবা সাতজন সাহাবী ব্যতীত সকল সাহাবীকে মুরতাদ কাফের বলে দাবী করে। যে ইমামত ও ইসমাত তথা নিষ্পাপ তত্ত্ব এবং তুকইয়ার বিশ্বাস নিয়ে মুসলিম জামা‘আত থেকে বিরত ও বিচ্ছিন্ন থাকে, রাজা‘আত, গায়বাত ও বাদাআ‘-র কথা বলে, তার সাথে কিভাবে ঐক্য সম্ভব?’’