১
শিয়াদের আকীদা-বিশ্বাস
লেখকঃ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আস সালাফী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৯
রাফেযী শিয়াহ্ ও আহলে সুন্নাতের পার্থক্য
নিযামুদ্দীন মুহাম্মাদ আল-আ‘যামী ‘‘আশ-শিয়াতু ওয়াল মুত‘আহ্’’ গ্রন্থের ভূমিকায় বলেন, ‘‘আমাদের
ও তাদের অর্থাৎ শিয়াদের মধ্যে শুধু মুত‘আহ্ বিবাহের মাসআলার ন্যায় ফিকহের শাখা-প্রশাখার ক্ষেত্রেই খেলাফ সীমাবদ্ধ নয়, বরং প্রকৃত বিরোধিতা হচ্ছে মূলনীতির বিরোধিতা অর্থাৎ আক্বীদা ও বিশ্বাসের বিরোধ। যেমন :
(ক) রাফেযীগণ বলেন যে, পবিত্র কুরআন বিকৃত ও অসম্পূর্ণ। আর আমরা বলি, পবিত্র কুরআন অবিকল ও সম্পূর্ণ। কিয়ামত পর্যন্ত পবিত্র কুরআনে কোন প্রকার পরিবর্তন-পরিবর্ধন ও বিয়োজন হবে না। আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন,
(আরবি)
‘‘নিশ্চয় আমি কুরআন [ الذكر দ্বারা উদ্দেশ্য কুরআন।] নাযিল করেছি, আর আমিই তার হেফাযতকারী।’’ সূরা হিজর : (৯)
(খ) রাফেযী শীআ‘রা বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মৃত্যুর পর কতিপয় সাহাবী ব্যতীত সবাই মুরতাদ হয়ে পূর্ব ধর্মে ফিরে যায় এবং তাদের প্রতি অর্পিত দীন ও আমানতের দায়িত্ব তারা খেয়ানত করে। প্রথম তিন খলিফা আবু বকর, ওমর ও উসমানও তাদের অন্তর্ভুক্ত। এ জন্যই তাদের দৃষ্টিতে এসব সাহাবাগণ পথভ্রষ্ঠ-বিভ্রান্ত ও বড় কাফেরদের অন্তর্ভূক্ত। নাউযুবিল্লাহ্ মিন যালেকা।
এর জবাবে আমরা বলি, নবী-রাসূলদের পরে সাহাবাগণই হচ্ছেন সর্বোত্তম মানুষ। তাঁরা সবাই ন্যায়পরায়ণ, নবীদের ব্যাপারে কখনই মিথ্যারোপ করেননি এবং হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে তাঁরা ছিলেন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিত্ব।
(গ) রাফেযী শীআ‘রা বলেন, কেবলমাত্র রাফেযীদের বারজন ইমামই হচ্ছে নিষ্পাপ এবং এই ইমামগণ গায়েব তথা অদৃশ্য বিষয় জানেন বরং নবী-রাসূল ও ফেরেশতাগণ যা জানেন ইমামগণ তা জানেন। যা ছিল ও যা হবে অর্থাৎ অতীত ও ভবিষ্যত সবই তাঁরা জানেন, কোন জিনিস তাঁদের নিকট গোপন নয়। শুধু তাই নয় বরং তারা পৃথিবীর সমস্ত ভাষাও জানেন এবং সমস্ত পৃথিবী তাদেরই জন্য।
এর জবাবে আমরা বলি, তোমাদের কথিত ইমামগণ অন্য সকল মানুষের মতই মানুষ, অতএব তাদের মাঝে ও অন্যদের মাঝে মানুষ হিসেবে কোন পার্থক্য নেই। তারা যেরূপ ফকীহ্, আলেম ও খলিফা হতে পারেন, অনুরূপ জনসাধারণও ফকীহ্, আলেম ও খলিফা হতে পারেন। অতএব যে সমস্ত বিষয় ইমামগণ নিজেরা দাবী করেননি, তাদের সাথে আমরা তা সম্পৃক্ত করি না। বরং আমরা জানি, শিয়াদের দাবি ও ধারণা তারা প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং এসব থেকে তারা নিজেদেরকে মুক্ত রেখেছেন।’’
ও তাদের অর্থাৎ শিয়াদের মধ্যে শুধু মুত‘আহ্ বিবাহের মাসআলার ন্যায় ফিকহের শাখা-প্রশাখার ক্ষেত্রেই খেলাফ সীমাবদ্ধ নয়, বরং প্রকৃত বিরোধিতা হচ্ছে মূলনীতির বিরোধিতা অর্থাৎ আক্বীদা ও বিশ্বাসের বিরোধ। যেমন :
(ক) রাফেযীগণ বলেন যে, পবিত্র কুরআন বিকৃত ও অসম্পূর্ণ। আর আমরা বলি, পবিত্র কুরআন অবিকল ও সম্পূর্ণ। কিয়ামত পর্যন্ত পবিত্র কুরআনে কোন প্রকার পরিবর্তন-পরিবর্ধন ও বিয়োজন হবে না। আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন,
(আরবি)
‘‘নিশ্চয় আমি কুরআন [ الذكر দ্বারা উদ্দেশ্য কুরআন।] নাযিল করেছি, আর আমিই তার হেফাযতকারী।’’ সূরা হিজর : (৯)
(খ) রাফেযী শীআ‘রা বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মৃত্যুর পর কতিপয় সাহাবী ব্যতীত সবাই মুরতাদ হয়ে পূর্ব ধর্মে ফিরে যায় এবং তাদের প্রতি অর্পিত দীন ও আমানতের দায়িত্ব তারা খেয়ানত করে। প্রথম তিন খলিফা আবু বকর, ওমর ও উসমানও তাদের অন্তর্ভুক্ত। এ জন্যই তাদের দৃষ্টিতে এসব সাহাবাগণ পথভ্রষ্ঠ-বিভ্রান্ত ও বড় কাফেরদের অন্তর্ভূক্ত। নাউযুবিল্লাহ্ মিন যালেকা।
এর জবাবে আমরা বলি, নবী-রাসূলদের পরে সাহাবাগণই হচ্ছেন সর্বোত্তম মানুষ। তাঁরা সবাই ন্যায়পরায়ণ, নবীদের ব্যাপারে কখনই মিথ্যারোপ করেননি এবং হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে তাঁরা ছিলেন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিত্ব।
(গ) রাফেযী শীআ‘রা বলেন, কেবলমাত্র রাফেযীদের বারজন ইমামই হচ্ছে নিষ্পাপ এবং এই ইমামগণ গায়েব তথা অদৃশ্য বিষয় জানেন বরং নবী-রাসূল ও ফেরেশতাগণ যা জানেন ইমামগণ তা জানেন। যা ছিল ও যা হবে অর্থাৎ অতীত ও ভবিষ্যত সবই তাঁরা জানেন, কোন জিনিস তাঁদের নিকট গোপন নয়। শুধু তাই নয় বরং তারা পৃথিবীর সমস্ত ভাষাও জানেন এবং সমস্ত পৃথিবী তাদেরই জন্য।
এর জবাবে আমরা বলি, তোমাদের কথিত ইমামগণ অন্য সকল মানুষের মতই মানুষ, অতএব তাদের মাঝে ও অন্যদের মাঝে মানুষ হিসেবে কোন পার্থক্য নেই। তারা যেরূপ ফকীহ্, আলেম ও খলিফা হতে পারেন, অনুরূপ জনসাধারণও ফকীহ্, আলেম ও খলিফা হতে পারেন। অতএব যে সমস্ত বিষয় ইমামগণ নিজেরা দাবী করেননি, তাদের সাথে আমরা তা সম্পৃক্ত করি না। বরং আমরা জানি, শিয়াদের দাবি ও ধারণা তারা প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং এসব থেকে তারা নিজেদেরকে মুক্ত রেখেছেন।’’