মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।
আসসালামু আলাইকুম,
এই ওয়েবসাইটটি নিয়মিত চালু রাখতে প্রতি মাসেই সার্ভার ও টেকনিক্যাল খরচ বহন করতে হয়। দুঃখজনকভাবে বর্তমানে এই খরচ বহন করার মতো পর্যাপ্ত ফান্ড আমাদের নেই।
🌿 আপনার একটি দান হতে পারে অসংখ্য মানুষের হিদায়াতের মাধ্যম
Hadith.one–এ প্রতিটি হাদিস পড়া, শেখা ও শেয়ার করার মাধ্যমে আপনি হতে পারেন সদকাহ জারিয়াহর অংশীদার।
🤲 আল্লাহর রাস্তায় আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার মাধ্যমে এই দাওয়াহ প্ল্যাটফর্মটি চালু রাখতে সাহায্য করুন।
🔗 আজই দান করুন এবং এই খিদমতের সাথে যুক্ত থাকুন
জাযাকাল্লাহু খাইরান,
আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
রাফেযী শিয়ারা তাদের বারজন ইমামের শাসন ব্যবস্থা ছাড়া অন্যদের হুকুমত তথা শাসন ব্যবস্থাকে বাতিল বলে গণ্য করে। যেমন আবু জা‘ফর বলেন, ‘‘মাহদী রাফেযীর পূর্বে যেই পতাকা উত্তোলন করা হবে (অর্থাৎ হুকুমত কায়েম করা হবে) সেই হুকুমতের অধিকারী-ই হবে তাগুত।’’
শাসক যদি আল্লাহর পক্ষ থেকে না হয়, তাহলে তার আনুগত্য করা জায়েয নয়। তবে তুকইয়ার ভিত্তিতে তথা হিলা ও কৌশলের বাহানা করে বাঁচার জন্য আনুগত্য করা যায়। অত্যাচার ও পাপাচারে লিপ্ত ইমাম কিংবা ইমামতের যোগ্যতা রাখে না এমন ব্যক্তির আনুগত্য করাও জায়েয নয়। তারা অর্থাৎ রাফেযী শিয়ারা তাদের কথিত ইমামদের ব্যতীত সকল মুসলিম শাসক ও বিচারকদের ব্যাপারে অনুরূপ ধারণা পোষণ করে। এদের প্রথম সারিতে তারা গণ্য করে খুলাফায়ে রাশেদীন তথা আবু বকর, ওমর ও উসমান রা. প্রমুখদের। এ তিনজনের ব্যাপারে পথভ্রষ্ট রাফেযী শিয়া আল-মাজলেসী ‘‘বেহারুল আনওয়ার’’ গ্রন্থে বলে, ‘‘নিশ্চয় তারা ছিলেন অত্যাচারী, ছিনতাইকারী ও মুরতাদ তথা ধর্মত্যাগী। আহলে বায়তদের উপর যুল্ম ও অত্যাচারের জন্য তাদের উপর ও তাদের অনুসারীদের উপর আল্লাহর লা‘নত বর্ষিত হোক।’’
এ হচ্ছে তাদের ইমাম আল-মাজলেসীর মন্তব্য, যার কিতাবকে তারা নবী-রাসূলগণের পর মুসলিম মিল্লাতের জন্য হাদীসের ক্ষেত্রে অতি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ হিসেবে গণ্য করে। এ কারণেই মুসলিম খলিফাদের যারা সাহায্য-সহযোগিতা করেছে, তাদেরকে তারা তাগুত ও অত্যাচারী হিসেবে গণ্য করে। যেমন আল-কুলাইনী ওমর ইবনে হানযালাহ্ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন : ‘‘আমি আমাদের এমন দু’জন ব্যক্তি সম্পর্কে আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞেস করি, যাদের মধ্যে দীন অথবা মীরাছ তথা উত্তরাধিকার বিষয়ে বিবাদ রয়েছে। ফলে তারা সুলতান তথা শাসক অথবা বিচারকের নিকট ফায়সালার জন্য যায়, এটা কি বৈধ? জবাবে তিনি বলেন, যে ব্যক্তি বৈধ বিষয়ে হোক অথবা বাতিল বিষয়ে হোক তাদেরকে বিচারক হিসেবে গ্রহণ করে তাদের ফায়সালা মেনে নেয়, সে প্রকৃত পক্ষে হারামই গ্রহণ করে, যদিও সে বিষয়টি তার জন্য বৈধ সাব্যস্ত হয়ে থাকে, কেননা সে তা গ্রহণ করেছে তাগুতের ফায়সালা অনুযায়ী।’’
আল-খুমায়নী ‘‘আল হুকুমাতুল ইসলামিয়াহ্’’ গ্রন্থে বলেন, ‘‘স্বয়ং ইমাম নিজেও তাদের বাদশাহ্ ও বিচারকদের নিকট যাওয়া থেকে বিরত থাকবে, কেননা তাদের নিকট যাওয়ার অর্থই হচ্ছে তাগুতের নিকট যাওয়ার শামিল।’’
‘‘আত-তুকইয়া ফী ফিকহে আহলিল বায়ত’’ গ্রন্থের নবম অনুচ্ছেদে আয়াতুল্লাহ্ আলহাজ শায়খ মুসলিম আদ-দাওয়ারী থিথিসের এক রিপোর্টে অত্যাচারী বাদশাহ্র অধীন কাজ করার বিধান সম্পর্কে রয়েছে, অত্যাচারী বাদশাহ্ দ্বারা উদ্দেশ্য হলো সুন্নী শাসক বা বিচারক। তার বক্তব্যের ভাষা নিম্নরূপ : ‘‘বাদশাহর কাজে অনুপ্রবেশের বিধান তিন প্রকার : যথা কখনও এই কাজে প্রবেশ বা অংশ গ্রহণের উদ্দেশ্য হয় তাদের অত্যাচার থেকে মুক্তি লাভ এবং নিজেদের স্বার্থ বাস্তবায়ন ও প্রয়োজন পুরা করা, তাহলে এটা মুস্তাহাব। আবার কখনও এর উদ্দেশ্য হয় নিজের জীবন ধারণ ও স্বচ্ছলতা অর্জন, এটা জায়েয তবে ঘৃণিত কাজ। আর যদি এর উদ্দেশ্য হয় মু‘মিন ভাইদের প্রতি ইহসান করা ও তাদের প্রয়োজন মেটানোর চেষ্টা করা, তাহলে এটা তার জন্য কাফ্ফারা স্বরূপ।
শীআ মু‘মিনদের প্রতি ইহসান ও তাদের দুঃখ-কষ্ট দূর করা ও নিজদের প্রয়োজন মেটানোর জন্য মুসলিমদের অধীন কাজ করা মুবাহ্ ও জায়েয ঘৃণিত নয়।
ভেবে দেখ হে মুসলিম জাতি, কিভাবে তারা আহলে সুন্নাতের সাথে অত্যাচারী শব্দ প্রয়োগ করে?! কিভাবে আহলে সুন্নাতের শাসক ও বিচারকের অধীন চাকুরি করার শর্তারোপ করে? তাদের মৌলিক শর্তগুলো হচ্ছে : সাধারণ শিয়াদের উপকার সাধন, চাকুরির বৈধতার জন্য এ নিয়ত জরুরী। অতএব রাফেযী শিয়া শাসকগণ হুকুমাত কায়েম করে শুধুমাত্র রাফেযীদের জন্যই। অনুরূপ তারা যে স্থানে যে কাজই করুক, সেখানেই তাদের অনুসারীদের স্থায়ী ও প্রতিষ্ঠিত করার পরিকল্পনা করে এবং আহলে সুন্নাতকে সে কর্ম ও কর্মস্থল থেকে বিরত ও দূরে রাখার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করে, যেন সেখানে তারা নিজেদের সম্পূর্ণ কর্তৃত্ব কায়েম করতে সক্ষম হয়। তাদের এই অনিষ্ট থেকে মুসলমানদেরকে হেফাযতের জন্য মহান আল্লাহই যথেষ্ট।
আল্লাহ তাআলা বলেন :
(আরবি)
‘‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে অংশীস্থাপন করে তার জন্য আল্লাহ্ অবশ্যই জান্নাত হারাম করে দিয়েছেন আর তার আবাস হল জাহান্নাম। আর যালিমদের জন্য কোন সাহায্যকারী নেই।’’ (সুরা আল মায়িদাহ্-৭২)
সোশ্যাল মিডিয়ায় হাদিস শেয়ার করুন
Or Copy Link
https://hadith.one/bn/book/708/21
রিডিং সেটিংস
Bangla
English
Bangla
Indonesian
Urdu
System
System
Dark
Green
Teal
Purple
Brown
Sepia
আরবি ফন্ট নির্বাচন
Kfgq Hafs
Kfgq Hafs
Qalam
Scheherazade
Kaleel
Madani
Khayma
অনুবাদ ফন্ট নির্বাচন
Kalpurush
Kalpurush
Rajdip
Bensen
Ekushe
Alinur Nakkhatra
Dhakaiya
Saboj Charulota
Niladri Nur
22
17
সাধারণ সেটিংস
আরবি দেখান
অনুবাদ দেখান
রেফারেন্স দেখান
হাদিস পাশাপাশি দেখান
এই সদাকা জারিয়ায় অংশীদার হোন
মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।