১
শিয়াদের আকীদা-বিশ্বাস
লেখকঃ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আস সালাফী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬
‘‘আল-বাদাআ’’ সম্পর্কে রাফেযীদের বিশ্বাস
‘আল-বাদাআ’ অর্থ হচ্ছে, গোপন থাকার পর পরিচিত বা বিকশিত হওয়া। অথবা নতুন চিন্তার উদ্ভব হওয়া। ‘বাদাআ’-র উল্লেখিত দু‘টি অর্থের ভিত্তিতেই একটি বিষয় আবশ্যক হয় যে, অজ্ঞতার পর জ্ঞানের উন্মেষ ঘটা। এ দু‘টি বিষয়ই মহান আল্লাহর শানে বেমানান। তবুও রাফেযীরা এ ‘বাদাআ’ মতবাদকে আল্লাহর সাথে সম্পৃক্ত করে থাকে। অর্থাৎ উক্ত বিষয়ে আল্লাহ্ প্রথমে অজ্ঞ ছিলেন পরে সে বিষয়ে তাঁর নতুন চিন্তার সৃষ্টি হয়। নাউযুবিলাহি মিন যালিকা।
রাইয়ান ইবনে সাল্ত থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রেযাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আল্লাহ্ প্রত্যেক নবীকেই মদ হারামের বিধান ও আল্লাহর জন্য ‘বাদাআ’ সাব্যস্ত করার বাণী দিয়ে প্রেরণ করেছেন।
আবু আব্দুল্লাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, ‘বাদাআ’-ই আল্লাহর সর্বোত্তম ইবাদাত।’’ অর্থাৎ ‘বাদাআ’র প্রতি বিশ্বাসই আল্লাহর মহান ইবাদাত। আমাদের রব আল্লাহ্ এ সিফাত থেকে পবিত্র ও বহু উর্ধ্বে। হে মুসলিম জাতি, ভেবে দেখুন, কিভাবে তারা আল্লাহর সাথে অজ্ঞতাকে জুড়ে দেয়। অথচ আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন,
(আরবি)
‘‘বল, ‘আল্লাহ ছাড়া আসমানসমূহে ও যমীনে যারা আছে তারা গায়েব জানে না।’’ (সূরা আন নামাল : ৬৫)
পক্ষান্তরে রাফেযীরা তাদের ইমাম সম্পর্কে ধারণা করে যে, তারা সব বিষয়ে জ্ঞান রাখেন, তাদের নিকট কোন কিছু গোপন নেই। একটু ভেবে দেখুন, এটা কি মুহাম্মদের ইসলাম?!
আল্লাহ তাআলা বলেন :
(আরবি)
‘‘আর আল্লাহর জন্যই রয়েছে সুন্দরতম নামসমূহ। সুতরাং তোমরা তাঁকে সেসব নামেই ডাক। আর তাদেরকে বর্জন কর যারা তাঁর নামে বিকৃতি ঘটায়। তারা যা করত অচিরেই তাদেরকে তার প্রতিফল দেয়া হবে।’’ (সূরা আল আ‘রাফ : ১৮০)
রাইয়ান ইবনে সাল্ত থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রেযাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আল্লাহ্ প্রত্যেক নবীকেই মদ হারামের বিধান ও আল্লাহর জন্য ‘বাদাআ’ সাব্যস্ত করার বাণী দিয়ে প্রেরণ করেছেন।
আবু আব্দুল্লাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, ‘বাদাআ’-ই আল্লাহর সর্বোত্তম ইবাদাত।’’ অর্থাৎ ‘বাদাআ’র প্রতি বিশ্বাসই আল্লাহর মহান ইবাদাত। আমাদের রব আল্লাহ্ এ সিফাত থেকে পবিত্র ও বহু উর্ধ্বে। হে মুসলিম জাতি, ভেবে দেখুন, কিভাবে তারা আল্লাহর সাথে অজ্ঞতাকে জুড়ে দেয়। অথচ আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন,
(আরবি)
‘‘বল, ‘আল্লাহ ছাড়া আসমানসমূহে ও যমীনে যারা আছে তারা গায়েব জানে না।’’ (সূরা আন নামাল : ৬৫)
পক্ষান্তরে রাফেযীরা তাদের ইমাম সম্পর্কে ধারণা করে যে, তারা সব বিষয়ে জ্ঞান রাখেন, তাদের নিকট কোন কিছু গোপন নেই। একটু ভেবে দেখুন, এটা কি মুহাম্মদের ইসলাম?!
আল্লাহ তাআলা বলেন :
(আরবি)
‘‘আর আল্লাহর জন্যই রয়েছে সুন্দরতম নামসমূহ। সুতরাং তোমরা তাঁকে সেসব নামেই ডাক। আর তাদেরকে বর্জন কর যারা তাঁর নামে বিকৃতি ঘটায়। তারা যা করত অচিরেই তাদেরকে তার প্রতিফল দেয়া হবে।’’ (সূরা আল আ‘রাফ : ১৮০)