১
মোবাইল ফোন ব্যবহার বৈধতার সীমা কতটুকু
লেখকঃ মুফীজুল ইসলাম আব্দুল আযীয • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১২
সব প্রয়োজন মোবাইলে সারার চেষ্টা করা উচিত নয়
বর্তমানে মোবাইল ফোন সহজলভ্য হওয়ার কারণে আমরা এখন সব কাজই মোবাইলে সারার চেষ্টা করি। অথচ মোবাইল ফোনকে যে কোনো প্রয়োজনেই প্রথম এবং একমাত্র মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। বরং যেসব কাজ পত্রের মাধ্যমে করা সম্ভব সেগুলো পত্রের মাধ্যমেই সারা উচিত। কেননা ফোনে এমন কিছু বিষয়ের মুখোমুখি হতে হয় চিঠি-পত্রের মাধ্যম অবলম্বন করলে সেগুলো থেকে সহজেই বাঁচা যায়। যেমন মনে করুন, আপনি যাকে ফোন করলেন তিনি হয়তো কোনো পেরেশানিতে আছেন। যার কারণে এখন তিনি কারো সাথে কথা বলতে প্রস্তুত নন। অথবা তিনি এখন হয়তো খাবার খাচ্ছেন কিংবা তিলাওয়াত করছেন বা বিশ্রাম নিচ্ছেন; যে অবস্থায় আপনি সরাসরি গেলেও হয়তোবা তিনি আপনাকে সময় দিতেন না বা অন্তত কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর তার চলমান কাজ থেকে ফারেগ হয়ে সময় দিতেন। কিন্তু ফোন করার কারণে তাকে তৎক্ষণাৎ ওই অবস্থায়ই আপনাকে সময় দিতে হয় এবং কথা বলতে হয়। পক্ষান্তরে ফোন না করে যদি চিঠি দেওয়া হতো তাহলে তিনি প্রয়োজনীয় কাজ থেকে ফারেগ হয়ে ধীর-সুস্থে চিন্তা ভাবনা করে তার সুযোগমতো পত্র পড়ার এবং তার উত্তর দেওয়ার সুযোগ পেতেন। তাই খুব বেশি প্রয়োজন না হলে ফোনের কাজ পত্রের মাধ্যমে করা উচিত।
অবশ্য কেউ কেউ আবার চিঠির উত্তর লেখার ঝামেলা এড়াতে ফোনেই কথা বলা পছন্দ করেন। তাই তাদের কাছে চিঠি না লিখে ফোনেই কাজ সেরে নেওয়া উচিত।
অবশ্য কেউ কেউ আবার চিঠির উত্তর লেখার ঝামেলা এড়াতে ফোনেই কথা বলা পছন্দ করেন। তাই তাদের কাছে চিঠি না লিখে ফোনেই কাজ সেরে নেওয়া উচিত।