১
মোবাইল ফোন ব্যবহার বৈধতার সীমা কতটুকু
লেখকঃ মুফীজুল ইসলাম আব্দুল আযীয • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯৯
মোবাইলে কথা বলার সময় ৫ম পর্যায়ে যা করতে হবে
মোবাইলে কথা বলার সময় ৫ম পর্যায়ে যা করতে হবে তাহলো, যে উদ্দেশ্যে আপনি ফোন করেছেন তা সাজিয়ে গুছিয়ে মধ্যম আওয়াজে স্পষ্ট করে বলা। আপনার আওয়াজ যেন অবশ্যই কর্কশ বা এত উঁচু না হয় যদ্বারা রিসিভকারীর কষ্ট বা বিরক্তির উদ্রেক হয়। আবার এত আস্তেও যেন না হয় যে, কথা বুঝাই কষ্টকর হয়। বরং আপনার কথা হবে, ভদ্রতা ও শালীনতার সাথে হাসিমুখে, হৃদয়গ্রাহী ভঙ্গিতে।
পাল্সের সুবিধা নেওয়ার জন্য বা এক মিনিটের মধ্যে সব কথা শেষ করার জন্য অনেকে মোবাইলে এত দ্রুত কথা বলেন যে, অনেক সময় কিছুই বুঝা যায় না। কিংবা বুঝা গেলেও ভুল বুঝা হয়। এর ফলে ফোন করার উদ্দেশ্যই কেবল বিফলে যায় না, অনেক ক্ষেত্রে ফোনকারী বা রিসিভকারী অথবা কখনো কখনো উভয়কেই নানাবিধ ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। যা অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক।
উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাদের মতো একসাথে মিলিয়ে কথা বলতেন না। বরং তিনি কথা বলতেন- স্পষ্ট করে, পৃথক পৃথকভাবে। ফলে উপস্থিত যে কেউ তার কথা সহজেই মুখস্থ করে নিতে পারত। [শামায়েলে তিরমিজিঃ ১৮]
সাহাবি আনাস রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (অনেক সময়) কথাকে তিনবার বলতেন। যেন শ্রোতারা কথাটি ভালোভাবে বুঝে নিতে পারে।
সংখ্যায় কম হলেও কিছু সংখ্যক লোক এমন আছে যাদের মুখ থেকে দু'একটি বাক্য শুনার সাথে সাথে তাদের অবশিষ্ট জরুরি কথাটুকু শুনার আগ্রহও আর বাকী থাকে না। পক্ষান্তরে কিছু লোক এমনও পাওয়া যায় যাদের বিনয়-নম্রতা, বলার ভঙ্গি, শব্দ ও বাক্যের ব্যবহার এতই সুন্দর ও চিত্তাকর্ষক হয় যে, তাদের সাথে কথা বললে মন খুশি হয়ে যায় এবং আরো বেশি কথা বলতে মনে ইচ্ছা জাগে। এমন লোক পেলে তাদের কাছ থেকে শিখে নেওয়া দরকার যে, কথা কীভাবে বলতে হয়!
পাল্সের সুবিধা নেওয়ার জন্য বা এক মিনিটের মধ্যে সব কথা শেষ করার জন্য অনেকে মোবাইলে এত দ্রুত কথা বলেন যে, অনেক সময় কিছুই বুঝা যায় না। কিংবা বুঝা গেলেও ভুল বুঝা হয়। এর ফলে ফোন করার উদ্দেশ্যই কেবল বিফলে যায় না, অনেক ক্ষেত্রে ফোনকারী বা রিসিভকারী অথবা কখনো কখনো উভয়কেই নানাবিধ ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। যা অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক।
উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাদের মতো একসাথে মিলিয়ে কথা বলতেন না। বরং তিনি কথা বলতেন- স্পষ্ট করে, পৃথক পৃথকভাবে। ফলে উপস্থিত যে কেউ তার কথা সহজেই মুখস্থ করে নিতে পারত। [শামায়েলে তিরমিজিঃ ১৮]
সাহাবি আনাস রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (অনেক সময়) কথাকে তিনবার বলতেন। যেন শ্রোতারা কথাটি ভালোভাবে বুঝে নিতে পারে।
সংখ্যায় কম হলেও কিছু সংখ্যক লোক এমন আছে যাদের মুখ থেকে দু'একটি বাক্য শুনার সাথে সাথে তাদের অবশিষ্ট জরুরি কথাটুকু শুনার আগ্রহও আর বাকী থাকে না। পক্ষান্তরে কিছু লোক এমনও পাওয়া যায় যাদের বিনয়-নম্রতা, বলার ভঙ্গি, শব্দ ও বাক্যের ব্যবহার এতই সুন্দর ও চিত্তাকর্ষক হয় যে, তাদের সাথে কথা বললে মন খুশি হয়ে যায় এবং আরো বেশি কথা বলতে মনে ইচ্ছা জাগে। এমন লোক পেলে তাদের কাছ থেকে শিখে নেওয়া দরকার যে, কথা কীভাবে বলতে হয়!