১
মোবাইল ফোন ব্যবহার বৈধতার সীমা কতটুকু
লেখকঃ মুফীজুল ইসলাম আব্দুল আযীয • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২২
ম্যাসেজের মাধ্যমে সালামঃ জবাব দিবেন যেভাবে
অনেক সময় দেখা যায়, মোবাইলে যেসব ম্যাসেজ পাঠানো হয় তাতে সালাম জানানো হয়। অর্থাৎ ম্যাসেজের শুরুতে সালাম লিখে তারপর অন্যান্য কথা লিখা হয়। এমতাবস্থায় সালামের জবাব কিভাবে দিবেন? মুখে দিবেন, নাকি সালামের উত্তর লিখে ফিরতি ম্যাসেজ পাঠাবেন?
ম্যাসেজের মধ্যে লিখিত সালাম চিঠির মধ্যে লিখিত সালামের মতোই। অর্থাৎ উভয় প্রকার সালামের হুকুম একই। যেমনিভাবে চিঠিতে লিখিত সালামের জবাব মুখে বা জবাবী চিঠিতে লিখে দেওয়া যায় অনুরূপভাবে ম্যাসেজে লিখিত সালামের জবাবও মুখে বা ফিরতি ম্যাসেজের মাধ্যমে দেওয়া যায়। মোটকথা মুখে কিংবা লিখে যে কোনোভাবে উত্তর দিলেই ওয়াজিব আদায় হয়ে যাবে। তবে উত্তম হলো, সাথে সাথে মুখে উত্তর দিয়ে দেওয়া। কারণ, এমনও হতে পারে যে, ফিরতি ম্যাসেজ পাঠানোর সময় পেল না কিংবা ভুলে গেল। তখন তো ওয়াজিব আদায় না করার গুনাহ ঘাড়ে বর্তাবে। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে শরিয়তের ছোট বড় সকল হুকুম পরিপূর্ণরূপে আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমীন। [সূরা নিসা, আয়াতঃ ৮৬ আল ফিকহুল হানাফী, খন্ডঃ ৫, পৃষ্ঠাঃ ৪০৮]
ম্যাসেজের মধ্যে লিখিত সালাম চিঠির মধ্যে লিখিত সালামের মতোই। অর্থাৎ উভয় প্রকার সালামের হুকুম একই। যেমনিভাবে চিঠিতে লিখিত সালামের জবাব মুখে বা জবাবী চিঠিতে লিখে দেওয়া যায় অনুরূপভাবে ম্যাসেজে লিখিত সালামের জবাবও মুখে বা ফিরতি ম্যাসেজের মাধ্যমে দেওয়া যায়। মোটকথা মুখে কিংবা লিখে যে কোনোভাবে উত্তর দিলেই ওয়াজিব আদায় হয়ে যাবে। তবে উত্তম হলো, সাথে সাথে মুখে উত্তর দিয়ে দেওয়া। কারণ, এমনও হতে পারে যে, ফিরতি ম্যাসেজ পাঠানোর সময় পেল না কিংবা ভুলে গেল। তখন তো ওয়াজিব আদায় না করার গুনাহ ঘাড়ে বর্তাবে। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে শরিয়তের ছোট বড় সকল হুকুম পরিপূর্ণরূপে আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমীন। [সূরা নিসা, আয়াতঃ ৮৬ আল ফিকহুল হানাফী, খন্ডঃ ৫, পৃষ্ঠাঃ ৪০৮]