১
মোবাইল ফোন ব্যবহার বৈধতার সীমা কতটুকু
লেখকঃ মুফীজুল ইসলাম আব্দুল আযীয • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
একই নামাজে কতবার রিং বন্ধ করা যাবে?
অনেক সময় দেখা যায়, নামাজরত অবস্থায় একবার রিংটোন বন্ধ করার পর আবার বাজতে থাকে। এমনকি দ্বিতীয়বার বন্ধ করার পর তৃতীয়বারও বাজতে থাকে। কোনো কোনো সময় এই সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পায়। প্রশ্ন হলো, নামাজে থেকে এভাবে কতবার রিংটোন বন্ধ করা যাবে?
হ্যাঁ, অনেক মোবাইল ব্যবহারকারীকেই এই সমস্যায় পড়তে দেখা যায়। এক্ষেত্রে শরিয়তের বিধান হলো, তিনবার বিশুদ্ধভাবে ‘সুবহানা রাবিবয়াল আযীম' বা ‘সুবহানা রাবিবয়াল আলা' বলা যায় এ পরিমাণ সময়ের ভিতর দুইবার পর্যন্ত উপরে বর্ণিত নিয়মে রিংটোন বন্ধ করা যাবে। দুইবারের বেশি বন্ধ করা যাবে না। যদি কেউ দুইবারের বেশি বন্ধ করে তবে তার নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে।
তবে একবার বা দুইবার বন্ধ করার পর তিন তাসবীহ পরিমাণ বিলম্বে আবার রিং বেজে উঠলে তখন বন্ধ করা যাবে এবং এতে নামাজও নষ্ট হবে না। মোটকথা তিন তাসবীহ বলা যায় এতটুকু সময়ের মধ্যে তিনবার রিং বন্ধের জন্য (দুই হাত তো নয়ই) একহাতও ব্যবহার করা যাবে না। কেউ করলে তার নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে। [খুলাসাতুল ফাতওয়া, খন্ডঃ ১ পৃষ্ঠাঃ ১২৯ # রদ্দুল মুহতার, খন্ডঃ ১, পৃষ্ঠাঃ ৬২৫ # আহসানুল ফাতাওয়া, খন্ডঃ ৩, পৃষ্ঠাঃ ৪১৮-৪১৯]
হ্যাঁ, অনেক মোবাইল ব্যবহারকারীকেই এই সমস্যায় পড়তে দেখা যায়। এক্ষেত্রে শরিয়তের বিধান হলো, তিনবার বিশুদ্ধভাবে ‘সুবহানা রাবিবয়াল আযীম' বা ‘সুবহানা রাবিবয়াল আলা' বলা যায় এ পরিমাণ সময়ের ভিতর দুইবার পর্যন্ত উপরে বর্ণিত নিয়মে রিংটোন বন্ধ করা যাবে। দুইবারের বেশি বন্ধ করা যাবে না। যদি কেউ দুইবারের বেশি বন্ধ করে তবে তার নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে।
তবে একবার বা দুইবার বন্ধ করার পর তিন তাসবীহ পরিমাণ বিলম্বে আবার রিং বেজে উঠলে তখন বন্ধ করা যাবে এবং এতে নামাজও নষ্ট হবে না। মোটকথা তিন তাসবীহ বলা যায় এতটুকু সময়ের মধ্যে তিনবার রিং বন্ধের জন্য (দুই হাত তো নয়ই) একহাতও ব্যবহার করা যাবে না। কেউ করলে তার নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে। [খুলাসাতুল ফাতওয়া, খন্ডঃ ১ পৃষ্ঠাঃ ১২৯ # রদ্দুল মুহতার, খন্ডঃ ১, পৃষ্ঠাঃ ৬২৫ # আহসানুল ফাতাওয়া, খন্ডঃ ৩, পৃষ্ঠাঃ ৪১৮-৪১৯]