hadith book logo

মোবাইল ফোন ব্যবহার বৈধতার সীমা কতটুকু

লেখকঃ মুফীজুল ইসলাম আব্দুল আযীয • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৭৯

ক্লাস চলাকালে মোবাইলে কথা বলা

মোবাইলে কথা বলা সরাসরি কথা বলার মতোই। তাই শিক্ষকদের উচিত ক্লাস করা অবস্থায় মোবাইল বন্ধ রাখা। যাতে ক্লাসের কোনো ক্ষতি না হয় এবং ছাত্রদের হক নষ্ট না হয়। আল্লাহ মাফ করুন, আমি এমন অনেক শিক্ষক দেখেছি, যারা ক্লাস চলা অবস্থায় রিং এলে মোবাইল রিসিভ করে দীর্ঘক্ষণ কথা বলতে থাকেন। তারা একটু চিন্তাও করে দেখেন না যে, এর দ্বারা ছাত্রদের হক নষ্ট হচ্ছে এবং অর্পিত দায়িত্ব পালনে ত্রুটি হচ্ছে। অথচ আমাদের আকাবিরদের জীবনী তালাশ করলে দেখা যায়, ক্লাস চলাকালে তাদের কোনো মেহমান আসলে খুব প্রয়োজন হলে অল্প সময়ে কথা সেরে নিতেন এবং এভাবে গোটা মাসে মেহমানদের সাথে কতটুকু কথা বললেন তা হিসেব করতেন। হিসেব করার পর যদি দেখা যেত, সব মিলিয়ে অর্ধ দিনের কম হয়েছে তাহলে অর্ধ দিনের বেতন নিতেন না। আর যদি অর্ধ দিন বা তার চেয়ে বেশি হতো তাহলে পূর্ণ একদিনের বেতন নিতেন না। সুবহানাল্লাহ! তাঁরা কত উঁচু পর্যায়ের পরহেজগার ছিলেন!! আল্লাহ আমাদেরকেও তাদের মতো তাকওয়া-পরহেজগারী নসীব করুন। আমীন।

যাহোক, এবার পূর্বের কথায় ফিরে আসি। বলছিলাম, ক্লাস চলাকালে মোবাইলে কারো সাথে কথা না বলাই শ্রেয়। আর যদি খুব বেশি প্রয়োজনে একান্ত অপারগ হয়ে বলতেই হয়, তাহলে যথাসম্ভব অল্প সময়ে কথা শেষ করে নিতে হবে। এ ব্যাপারে হিফ্জ বিভাগের শিক্ষকদেরকে আরো বেশি সতর্ক হওয়া চাই। যখন ছাত্ররা পড়া শুনাবে তখন তারা অন্যের সাথে মোবাইলে কিংবা সরাসরি কথা বলা থেকে বিরত থাকবেন। কেননা পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের সময় চুপ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। [আল ইমদাদ স্মারক, ২০০৮, পৃষ্ঠাঃ ১৮১]