১
মোবাইল ফোন ব্যবহার বৈধতার সীমা কতটুকু
লেখকঃ মুফীজুল ইসলাম আব্দুল আযীয • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৯
মোবাইলে আগে সালাম দিবে কে?
‘আস্সালামু কাব্লাল কালাম'- অর্থাৎ সালাম হবে কথার পূর্বে- এই নিয়মের ভিত্তিতে মোবাইলে কথা বলার সময় যিনি আগে কথা বলবেন তিনিই সালাম দিবেন।
মোবাইলে কথা বলার ক্ষেত্রে সাধারণত দেখা যায়, যিনি ফোন রিসিভ করেন তিনিই আগে কথা বলে থাকেন। কারণ রিসিভ করার পর কথা না বললে অনেক সময় রিসিভ হয়েছে কি না তা বুঝা যায় না। অতএব রিসিভকারী যেহেতু আগে কথা বলে থাকেন তাই তিনিই প্রথমে সালাম দিবেন।
অবশ্য কখনো রিসিভকারী যদি রিসিভ করে কথা না বলেন কিংবা কথা বললেও কোনো কারণে কল প্রদানকারী তা শুনতে না পায় তখন কল প্রদানকারীই আগে কথা বলে থাকেন। এমতাবস্থায় কল দানকারী যেহেতু আগে কথা বলছেন তাই কথা শুরুর আগে তিনিই প্রথমে সালাম দিবেন। এখানে একটি বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে, নিয়মানুযায়ী প্রথমে যে-ই সালাম প্রদান করুক না কেন, অপরজনকে কিন্তু অবশ্যই সালামের উত্তর দিতে হবে। নচেৎ তিনি গুনাহের ভাগী হবেন। কেননা সালাম দেওয়া সুন্নত হলেও উত্তর দেওয়া ওয়াজিব। [তিরমিযি, খন্ডঃ ২, পৃষ্ঠাঃ ৯৯]
মোবাইলে কথা বলার ক্ষেত্রে সাধারণত দেখা যায়, যিনি ফোন রিসিভ করেন তিনিই আগে কথা বলে থাকেন। কারণ রিসিভ করার পর কথা না বললে অনেক সময় রিসিভ হয়েছে কি না তা বুঝা যায় না। অতএব রিসিভকারী যেহেতু আগে কথা বলে থাকেন তাই তিনিই প্রথমে সালাম দিবেন।
অবশ্য কখনো রিসিভকারী যদি রিসিভ করে কথা না বলেন কিংবা কথা বললেও কোনো কারণে কল প্রদানকারী তা শুনতে না পায় তখন কল প্রদানকারীই আগে কথা বলে থাকেন। এমতাবস্থায় কল দানকারী যেহেতু আগে কথা বলছেন তাই কথা শুরুর আগে তিনিই প্রথমে সালাম দিবেন। এখানে একটি বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে, নিয়মানুযায়ী প্রথমে যে-ই সালাম প্রদান করুক না কেন, অপরজনকে কিন্তু অবশ্যই সালামের উত্তর দিতে হবে। নচেৎ তিনি গুনাহের ভাগী হবেন। কেননা সালাম দেওয়া সুন্নত হলেও উত্তর দেওয়া ওয়াজিব। [তিরমিযি, খন্ডঃ ২, পৃষ্ঠাঃ ৯৯]