১
মোবাইল ফোন ব্যবহার বৈধতার সীমা কতটুকু
লেখকঃ মুফীজুল ইসলাম আব্দুল আযীয • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮৪
অহেতুক অন্যের মোবাইল টিপাটিপি করা জায়েয নেই
অনেক আল্লাহর বান্দাকে দেখা যায়, তারা অন্যের মোবাইল হাতে নিয়ে টিপাটিপি শুরু করে দেয়। ফলে অনেক সময় মোবাইলের বিভিন্ন প্রোগ্রাম উলট পালট হয়ে যায়। যেমন, রিংটোন বন্ধ হয়ে ভাইব্রেশন চালু, সময় ও তারিখ পবিবর্তন, ফোন বুক উধাও! ইত্যাদি। এই পরিবর্তনের ফলে মোবাইলের মালিককে অনেক ক্ষেত্রে দারুণ পেরেশানি ভোগ করতে হয়। কোনো কোনো সময় তো মারাত্মক ক্ষতিরও সম্মুখীন হতে হয়। কেননা, না জেনে উল্টাপাল্টা টিপাটিপির ফলে মোবাইল যদি নষ্ট হয়ে যায় তবে তো তার আর্থিক ক্ষতি হলো। আর যদি মোবাইলের ফোনবুক বা সেখান থেকে কোনো জরুরি নাম্বার ডিলেট হয়ে যায় এবং এ কারণে সে কারো সাথে সময়মতো যোগাযোগ করতে না পারে তাহলে এর দ্বারা একদিকে যেমন তাকে পেরেশানিতে পড়তে হয় তেমনি অন্যদিকে তার নানাবিধ ক্ষতিও হতে পারে।
অনেক সময় দেখা যায়, কেউ কেউ খেয়ালী করে মোবাইল সেট লুকিয়ে রাখে। ফলে সে অনর্থক হয়রানির শিকার হয়। অথচ অনর্থক কাউকে পেরেশান করতে হাদিস শরিফে নিষেধাজ্ঞা এসেছে। এক হাদিসে নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘‘তোমাদের কেউ যেন খেলাচ্ছলে দুষ্টুমী করে আপন ভাইয়ের লাঠি না নেয়। যদি কেউ নিয়ে থাকে তবে সে যেন তা ফিরিয়ে দেয়।’’ মোটকথা, মুসলমানকে অহেতুক কষ্ট দেওয়া বা তাকে পেরেশান করা জায়েয নেই। তাই তার কষ্ট বা পেরেশানি হয়, এমন সব কাজ থেকে আমাদের সবাইকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। [তিরমিযি, খন্ডঃ ২, পৃষ্ঠাঃ ৩৯]
অনেক সময় দেখা যায়, কেউ কেউ খেয়ালী করে মোবাইল সেট লুকিয়ে রাখে। ফলে সে অনর্থক হয়রানির শিকার হয়। অথচ অনর্থক কাউকে পেরেশান করতে হাদিস শরিফে নিষেধাজ্ঞা এসেছে। এক হাদিসে নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘‘তোমাদের কেউ যেন খেলাচ্ছলে দুষ্টুমী করে আপন ভাইয়ের লাঠি না নেয়। যদি কেউ নিয়ে থাকে তবে সে যেন তা ফিরিয়ে দেয়।’’ মোটকথা, মুসলমানকে অহেতুক কষ্ট দেওয়া বা তাকে পেরেশান করা জায়েয নেই। তাই তার কষ্ট বা পেরেশানি হয়, এমন সব কাজ থেকে আমাদের সবাইকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। [তিরমিযি, খন্ডঃ ২, পৃষ্ঠাঃ ৩৯]