১
মোবাইল ফোন ব্যবহার বৈধতার সীমা কতটুকু
লেখকঃ মুফীজুল ইসলাম আব্দুল আযীয • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬৬
বোনাস টকটাইম ব্যবহার করা বৈধ
মোবাইল কোম্পানিগুলো বিভিন্ন সময় বিভিন্ন উপায়ে গ্রাহকদেরকে বোনাস টকটাইম দিয়ে থাকে। যেমন, ২৯৯ টাকা দিয়ে একটি একটেল সিম কিনলে ৩০০ টাকার বোনাস টকটাইম দেওয়া হয়। এমনিভাবে বাংলালিংক বা ওয়ারিদ সিম কিনলে সমমূল্যের বোনাস টকটাইম দেওয়া হয়। বিভিন্ন সময়ে মোবাইল কোম্পানিগুলোর দেওয়া এই বোনাস টকটাইম ব্যবহার করা জায়েয। কেননা এটা মূলত এক ধরনের মূল্য হ্রাসের ঘোষণা। এখানে সিম ও ঘোষিত বোনাস উভয়টি বিক্রিত পণ্য।
অনুরূপভাবে মাঝে মধ্যে কোনো কোনো কোম্পানি নির্দিষ্ট পরিমাণ রিচার্জের উপরেও নির্দিষ্ট পরিমাণ বোনাস টকটাইম দিয়ে থাকে। কেউ কেউ আবার স্ক্র্যাচকার্ড কিনলেও বোনাস টকটাইম দেয়। এই বোনাস টকটাইমও ব্যবহার করা বৈধ। এতেও সুদের কিছু নেই। ৩০০ টাকার স্ক্র্যাচকার্ডের উপর ১০% টকটাইমসহ ব্যালেন্সে ৩৩০ টাকা জমা হয়। এখানে একথা বলার সুযোগ নেই যে, ৩০০ টাকার পরিবর্তে ৩৩০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। বরং এখানে যা হচ্ছে তা হলো, ৩০০ টাকার পরিবর্তে ৩৩০ টাকা সমমূল্যের টকটাইম ক্রয় করা হচ্ছে। যাতে সুদ কিংবা নাজায়েজের কিছু নেই।
তবে উল্লেখিত মাসআলায় একথাটি খুব ভালো করে মনে রাখতে হবে যে, বোনাস পাওয়ার আশায় অপ্রয়োজনীয় কল করা কিংবা প্রয়োজন ছাড়া কল করে সময়ের অপচয় করা কোনো অবস্থাতেই জায়েয হবে না। [হেদায়া, খন্ডঃ ৩, পৃষ্ঠাঃ ৭৫ রদ্দুল মুহতার, খন্ডঃ ৫, পৃষ্ঠাঃ ১৮-১৯ ফাতহুল কাদীর, খন্ডঃ ৬, পৃষ্ঠাঃ ১৪২]
অনুরূপভাবে মাঝে মধ্যে কোনো কোনো কোম্পানি নির্দিষ্ট পরিমাণ রিচার্জের উপরেও নির্দিষ্ট পরিমাণ বোনাস টকটাইম দিয়ে থাকে। কেউ কেউ আবার স্ক্র্যাচকার্ড কিনলেও বোনাস টকটাইম দেয়। এই বোনাস টকটাইমও ব্যবহার করা বৈধ। এতেও সুদের কিছু নেই। ৩০০ টাকার স্ক্র্যাচকার্ডের উপর ১০% টকটাইমসহ ব্যালেন্সে ৩৩০ টাকা জমা হয়। এখানে একথা বলার সুযোগ নেই যে, ৩০০ টাকার পরিবর্তে ৩৩০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। বরং এখানে যা হচ্ছে তা হলো, ৩০০ টাকার পরিবর্তে ৩৩০ টাকা সমমূল্যের টকটাইম ক্রয় করা হচ্ছে। যাতে সুদ কিংবা নাজায়েজের কিছু নেই।
তবে উল্লেখিত মাসআলায় একথাটি খুব ভালো করে মনে রাখতে হবে যে, বোনাস পাওয়ার আশায় অপ্রয়োজনীয় কল করা কিংবা প্রয়োজন ছাড়া কল করে সময়ের অপচয় করা কোনো অবস্থাতেই জায়েয হবে না। [হেদায়া, খন্ডঃ ৩, পৃষ্ঠাঃ ৭৫ রদ্দুল মুহতার, খন্ডঃ ৫, পৃষ্ঠাঃ ১৮-১৯ ফাতহুল কাদীর, খন্ডঃ ৬, পৃষ্ঠাঃ ১৪২]