১
চার ইমামের আকীদাহ - মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান
লেখকঃ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬
কাদর বিষয়ে তার বাণী
বাইহাকী রাবী‘ ইবন সুলাইমান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, শাফে‘ঈকে কাদার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন,
(কবিতা) (হে আল্লাহ) তুমি যা চাও তা হবেই যদিও তা আমি না চাই। আর আমি যা চাই তা যদি তুমি না চাও হবে না।
(কবিতা) (হে আল্লাহ!) তোমার ইলম অনুযায়ী বান্দাদের সৃষ্টি করেছো। সুতরাং তোমার ইলম অনুযায়ী চলে যুবক ও বৃদ্ধ।
(কবিতা) তুমি তার ওপর দয়া করেছ ও একে লাঞ্ছিত করেছ এবং একে সাহায্য করেছ ও তাকে পরিত্যাগ করেছ।
(কবিতা) তাদের কেউ হতভাগা আর সৌভাগ্যবান। আর তাদের কেউ কুশ্রী আর কেউ সুন্দর।
বাইহাকী শাফে‘ঈর গুণাবলির আলোচনা করতে গিয়ে বর্ণনা করেন: শাফে‘ঈ বলেছেন, নিশ্চয় বান্দাদের ইচ্ছা আল্লাহ তাআলার ইচ্ছার অনুগামী। আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের ইচ্ছা না হলে তারা ইচ্ছা করে না। কারণ মানুষ তাদের কর্মের স্রষ্টা নয়। বান্দাদের কর্মসমূহ আল্লাহ তা‘আলার সৃষ্টি করার কারণে সৃষ্টি বা মাখলুক হয়েছে। আর ভাগ্যের ভালো ও মন্দ সবই আল্লাহর পক্ষ থেকে। কবরের শাস্তি সত্য, কবরবাসীদের প্রশ্ন করা সত্য, পুনরুত্থান সত্য, হিসাব সত্য, জান্নাত ও জাহান্নাম সত্য। এ ছাড়া আরও যা সুন্নাতে বর্ণিত আছে সবই সত্য।
লালাকায়ী মুযানী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, শাফে‘ঈ বলেছেন, কাদারী কে তুমি কি তা জানো? যে বলে আল্লাহ কোনো আমলকে সৃষ্টি করেননি যতক্ষণ না তার ওপর আমল করা হয়েছে।
বাইহাকী শাফে‘ঈ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, কাদারিয়া সম্প্রদায় তারাই যাদের সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:তারা এ উম্মাতের অগ্নিপুজক।যারা বলে আল্লাহ গুণাহ সম্পর্কে জানেন না যতক্ষণ তা সংঘটিত হয়।
বাইহাকী রাবী‘ ইবন সুলাইমান সূত্রে শাফেঈ সম্পর্কে বর্ণনা করেন, তিনি কাদারীর পিছনে সালাত আদায় করতে অপছন্দ করতেন।
(কবিতা) (হে আল্লাহ) তুমি যা চাও তা হবেই যদিও তা আমি না চাই। আর আমি যা চাই তা যদি তুমি না চাও হবে না।
(কবিতা) (হে আল্লাহ!) তোমার ইলম অনুযায়ী বান্দাদের সৃষ্টি করেছো। সুতরাং তোমার ইলম অনুযায়ী চলে যুবক ও বৃদ্ধ।
(কবিতা) তুমি তার ওপর দয়া করেছ ও একে লাঞ্ছিত করেছ এবং একে সাহায্য করেছ ও তাকে পরিত্যাগ করেছ।
(কবিতা) তাদের কেউ হতভাগা আর সৌভাগ্যবান। আর তাদের কেউ কুশ্রী আর কেউ সুন্দর।
বাইহাকী শাফে‘ঈর গুণাবলির আলোচনা করতে গিয়ে বর্ণনা করেন: শাফে‘ঈ বলেছেন, নিশ্চয় বান্দাদের ইচ্ছা আল্লাহ তাআলার ইচ্ছার অনুগামী। আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের ইচ্ছা না হলে তারা ইচ্ছা করে না। কারণ মানুষ তাদের কর্মের স্রষ্টা নয়। বান্দাদের কর্মসমূহ আল্লাহ তা‘আলার সৃষ্টি করার কারণে সৃষ্টি বা মাখলুক হয়েছে। আর ভাগ্যের ভালো ও মন্দ সবই আল্লাহর পক্ষ থেকে। কবরের শাস্তি সত্য, কবরবাসীদের প্রশ্ন করা সত্য, পুনরুত্থান সত্য, হিসাব সত্য, জান্নাত ও জাহান্নাম সত্য। এ ছাড়া আরও যা সুন্নাতে বর্ণিত আছে সবই সত্য।
লালাকায়ী মুযানী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, শাফে‘ঈ বলেছেন, কাদারী কে তুমি কি তা জানো? যে বলে আল্লাহ কোনো আমলকে সৃষ্টি করেননি যতক্ষণ না তার ওপর আমল করা হয়েছে।
বাইহাকী শাফে‘ঈ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, কাদারিয়া সম্প্রদায় তারাই যাদের সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:তারা এ উম্মাতের অগ্নিপুজক।যারা বলে আল্লাহ গুণাহ সম্পর্কে জানেন না যতক্ষণ তা সংঘটিত হয়।
বাইহাকী রাবী‘ ইবন সুলাইমান সূত্রে শাফেঈ সম্পর্কে বর্ণনা করেন, তিনি কাদারীর পিছনে সালাত আদায় করতে অপছন্দ করতেন।