১
চার ইমামের আকীদাহ - মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান
লেখকঃ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
প্রথম অধ্যায় দীনের মৌলিক বিষয়ে চার ইমামের আকীদাহ এক
ঈমানের মাস’আলা ছাড়া।
চার ইমাম —আবূ হানীফা, মালিক, শাফে‘ঈ ও আহমাদ—এর আকীদাহ তাই যা কুরআন ও সূন্নাহ বলেছে এবং যার ওপর সাহাবীগণ ও উত্তমভাবে তাদের অনুসারী—তাবে‘ঈগণ প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। আল্লাহর জন্যে যাবতীয় প্রশংসা যে দীনের মৌলিক বিষয়ে তাদের মধ্যে কোন বিবাদ নেই, বরং তারা রবের সিফাতের ঈমান ও কুরআন আল্লাহর কালাম মাখলুক নয় এবং ঈমানের জন্যে অবশ্যই অন্তর ও মুখের সত্যারোপ জরুরী মর্মে একমত ছিলেন। বরং তারা সবাই তর্কশাস্ত্রী জাহমিয়্যাহ সম্প্রদায় ও অন্যান্য যারা ইউনানী ফালসাফাহ (গ্রিক দর্শন) এবং কালামী মতাদর্শ (তর্কশাস্ত্র) দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল তাদের প্রতিবাদ করতেন। শাইখুল ইসলাম ইবন তাইমিয়্যাহ বলেন,তবে আল্লাহর রহমত তার বান্দাদের প্রতি যে, উম্মতের ভেতর সুখ্যাতি সম্পন্ন ইমামগণ— যেমন চার ইমাম ও অন্যরা কুরআন, ঈমান ও রবের সিফাতের ক্ষেত্রে কালাম শাস্ত্রী—জাহমিয়্যাদের মতবাদের প্রতিবাদ করতেন। আর তারা সালাফগণ যার ওপর ছিলেন তার ওপর একমত ছিলেন, যেমন আখিরাতে আল্লাহকে দেখা যাবে, কুরআন আল্লাহর কালাম মাখলুক নয় এবং ঈমানের জন্য অন্তরের বিশ্বাস ও মুখের সত্যারোপ জরুরী।আর তিনি বলেন, প্রসিদ্ধ সব ইমাম আল্লাহ তাআলার জন্য সিফাত সাব্যস্ত করেন। এবং তারা বলেন, কুরআন আল্লাহর কালাম মাখলুক নয়। তারা আরো বলেন, আখিরাতে আল্লাহকে দেখা যাবে। এটিই সাহাবী ও উত্তম-ভাবে তাদের অনুসারী আহলে বাইত ও অন্যদের মাযহাব। আর এটিই অনুসরণীয় ইমামগণের মাযহাব যেমন, মালিক ইবন আনাস, সাওরী, লাইস ইবন সা‘আদ, আওযা‘ঈ, আবূ হানীফা, শাফে‘ঈ ও আহমাদ ইবন হান্বাল...শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহকে ইমাম শাফ‘ঈর আকীদাহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি এ বলে উত্তর দেন:ইমাম শাফে‘ঈ—রাদিয়াল্লাহু আনহু এর আকীদাহ এবং উম্মতের সালাফ যেমন মালেক, সাওরী, আওযা‘ঈ, ইবনুল মুবারক, আহমাদ ইবন হাম্বাল ও ইসহাক ইবন রাহওয়াই এর আকীদাই হচ্ছে অনুসরণীয় মাশায়েখদের আকিদা যেমন ফুযাইল ইবন ইয়ায, আবূ সুলাইমান আদ-দারানী, সাহাল ইবন আব্দুল্লাহ আত-তাসতরী প্রমূখ। কারণ, এসব ইমাম ও তাদের ন্যায় ইমামদের মাঝে দীনের মৌলিক বিষয়ে কোন মতভেদ নেই।
অনুরূপভাবে ইমাম আবূ হানীফা—রাহিমাহুল্লাহ— কারণ, তাওহীদ, তাকদীর ও এর মতো অন্যান্য বিষয়ে তার থেকে প্রমাণিত আকীদা এ সব ইমামের আকীদার মতোই। আর এ সব ইমামের আকিদা তাই ছিল যার ওপর ছিলেন সাহাবীগণ ও উত্তমভাবে তাদের অনুসারী তাবেঈগণ। আর এ আকীদাই কুরআন ও সুন্নাহ বর্ণনা করেছে।
এই সেই আকীদাহ যা আল্লামা সিদ্দীক হাসান খান (ভূপালী) গ্রহণ করেছেন, যেমন তিনি বলেন,অতএব আমাদের মাযহাব সালাফদেরই মাযহাব; তুলনা ছাড়া (সিফাত) সাব্যস্ত করা এবং অকার্যকর সাব্যস্ত করা ছাড়া তাঁকে পবিত্র জানা। এটি ইসলামের ইমামগণ মালিক, শাফে‘ঈ, সাওরী, ইবনুল মুবারাক, ইমাম আহমাদ... ও তাদের ভিন্ন অন্যান্যদের মাযহাব। কারণ,ইমামগণের মাঝে দীনের মৌলিক বিষয়ে কোনো বিরোধ নেই। অনুরূপভাবে আবূ হানীফা—রাদিয়াল্লাহু আনহু— কারণ তার থেকে প্রমাণিত আকীদাহ এসব ইমামগণের আকীদারই মতো। আর এটা তাই যা কুরআন ও সুন্নাহ বর্ণনা করেছে...
দীনের মৌলিক মাসআলায় অনুকরণীয় চার ইমাম- আবূ হানীফা, মালিক, শাফ‘ঈ ও আহমাদ যে আকীদা পোষণ করেন সে বিষয়ে তাদের কিছু উক্তি এবং ইলমুল কালাম বা তর্কশাস্ত্র সম্পর্কে তাদের অবস্থানটি এখানে তুলে ধরা হলো।
চার ইমাম —আবূ হানীফা, মালিক, শাফে‘ঈ ও আহমাদ—এর আকীদাহ তাই যা কুরআন ও সূন্নাহ বলেছে এবং যার ওপর সাহাবীগণ ও উত্তমভাবে তাদের অনুসারী—তাবে‘ঈগণ প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। আল্লাহর জন্যে যাবতীয় প্রশংসা যে দীনের মৌলিক বিষয়ে তাদের মধ্যে কোন বিবাদ নেই, বরং তারা রবের সিফাতের ঈমান ও কুরআন আল্লাহর কালাম মাখলুক নয় এবং ঈমানের জন্যে অবশ্যই অন্তর ও মুখের সত্যারোপ জরুরী মর্মে একমত ছিলেন। বরং তারা সবাই তর্কশাস্ত্রী জাহমিয়্যাহ সম্প্রদায় ও অন্যান্য যারা ইউনানী ফালসাফাহ (গ্রিক দর্শন) এবং কালামী মতাদর্শ (তর্কশাস্ত্র) দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল তাদের প্রতিবাদ করতেন। শাইখুল ইসলাম ইবন তাইমিয়্যাহ বলেন,তবে আল্লাহর রহমত তার বান্দাদের প্রতি যে, উম্মতের ভেতর সুখ্যাতি সম্পন্ন ইমামগণ— যেমন চার ইমাম ও অন্যরা কুরআন, ঈমান ও রবের সিফাতের ক্ষেত্রে কালাম শাস্ত্রী—জাহমিয়্যাদের মতবাদের প্রতিবাদ করতেন। আর তারা সালাফগণ যার ওপর ছিলেন তার ওপর একমত ছিলেন, যেমন আখিরাতে আল্লাহকে দেখা যাবে, কুরআন আল্লাহর কালাম মাখলুক নয় এবং ঈমানের জন্য অন্তরের বিশ্বাস ও মুখের সত্যারোপ জরুরী।আর তিনি বলেন, প্রসিদ্ধ সব ইমাম আল্লাহ তাআলার জন্য সিফাত সাব্যস্ত করেন। এবং তারা বলেন, কুরআন আল্লাহর কালাম মাখলুক নয়। তারা আরো বলেন, আখিরাতে আল্লাহকে দেখা যাবে। এটিই সাহাবী ও উত্তম-ভাবে তাদের অনুসারী আহলে বাইত ও অন্যদের মাযহাব। আর এটিই অনুসরণীয় ইমামগণের মাযহাব যেমন, মালিক ইবন আনাস, সাওরী, লাইস ইবন সা‘আদ, আওযা‘ঈ, আবূ হানীফা, শাফে‘ঈ ও আহমাদ ইবন হান্বাল...শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহকে ইমাম শাফ‘ঈর আকীদাহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি এ বলে উত্তর দেন:ইমাম শাফে‘ঈ—রাদিয়াল্লাহু আনহু এর আকীদাহ এবং উম্মতের সালাফ যেমন মালেক, সাওরী, আওযা‘ঈ, ইবনুল মুবারক, আহমাদ ইবন হাম্বাল ও ইসহাক ইবন রাহওয়াই এর আকীদাই হচ্ছে অনুসরণীয় মাশায়েখদের আকিদা যেমন ফুযাইল ইবন ইয়ায, আবূ সুলাইমান আদ-দারানী, সাহাল ইবন আব্দুল্লাহ আত-তাসতরী প্রমূখ। কারণ, এসব ইমাম ও তাদের ন্যায় ইমামদের মাঝে দীনের মৌলিক বিষয়ে কোন মতভেদ নেই।
অনুরূপভাবে ইমাম আবূ হানীফা—রাহিমাহুল্লাহ— কারণ, তাওহীদ, তাকদীর ও এর মতো অন্যান্য বিষয়ে তার থেকে প্রমাণিত আকীদা এ সব ইমামের আকীদার মতোই। আর এ সব ইমামের আকিদা তাই ছিল যার ওপর ছিলেন সাহাবীগণ ও উত্তমভাবে তাদের অনুসারী তাবেঈগণ। আর এ আকীদাই কুরআন ও সুন্নাহ বর্ণনা করেছে।
এই সেই আকীদাহ যা আল্লামা সিদ্দীক হাসান খান (ভূপালী) গ্রহণ করেছেন, যেমন তিনি বলেন,অতএব আমাদের মাযহাব সালাফদেরই মাযহাব; তুলনা ছাড়া (সিফাত) সাব্যস্ত করা এবং অকার্যকর সাব্যস্ত করা ছাড়া তাঁকে পবিত্র জানা। এটি ইসলামের ইমামগণ মালিক, শাফে‘ঈ, সাওরী, ইবনুল মুবারাক, ইমাম আহমাদ... ও তাদের ভিন্ন অন্যান্যদের মাযহাব। কারণ,ইমামগণের মাঝে দীনের মৌলিক বিষয়ে কোনো বিরোধ নেই। অনুরূপভাবে আবূ হানীফা—রাদিয়াল্লাহু আনহু— কারণ তার থেকে প্রমাণিত আকীদাহ এসব ইমামগণের আকীদারই মতো। আর এটা তাই যা কুরআন ও সুন্নাহ বর্ণনা করেছে...
দীনের মৌলিক মাসআলায় অনুকরণীয় চার ইমাম- আবূ হানীফা, মালিক, শাফ‘ঈ ও আহমাদ যে আকীদা পোষণ করেন সে বিষয়ে তাদের কিছু উক্তি এবং ইলমুল কালাম বা তর্কশাস্ত্র সম্পর্কে তাদের অবস্থানটি এখানে তুলে ধরা হলো।