hadith book logo

চার ইমামের আকীদাহ - মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান

লেখকঃ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২৩

সাহাবীদের বিষয়ে তার মতামত:

ইমাম আহমাদের আস-সুন্নাহ কিতাবে নিম্নের লিখিত কথাগুলো এসেছে: সুন্নাত হলো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সমস্ত সাহাবীর চারিত্রিক সৌন্দর্যগুলো তুলে ধরা। তাদের খারাপ দিকগুলো এবং তাদের মধ্যে সংঘটিত বিরোধের আলোচনা থেকে বিরত থাকা। যে ব্যক্তি রাসূলের সাহাবীগণকে বা তাদের কাউকে গালি দেয়, সে বিদ‘আতী, রাফেযী, দুষ্ট এবং অভদ্র। আল্লাহ তার কোন ফরয বা নফল আমল কবুল করবেন না। বরং সাহাবীগণকে ভালোবাসা সুন্নাত, তাদের জন্য দুআ করা সাওয়াবের কাজ, তাদের অনুসরণ করা নৈকট্য এবং তাদের কথা গ্রহণ করা ফযীলতের বিষয়।

তারপর তিনি বলেন, অতঃপর চার খলীফার পরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীগণ সর্বোত্তম মানুষ। কারো জন্য তাদের খারাপ দিকগুলো আলোচনা করা বৈধ নয় এবং তাদের কাউকে কোন দোষ-ত্রুটি দ্বারা আঘাত করা যাবে না। যে এ ধরনের কর্ম করে শাসকের ওপর ওয়াজিব হলো তাকে শাস্তি ও শিক্ষা দেওয়া। তাকে ক্ষমা করার কোন অধিকার শাসকের নাই।

ইবনুল জাওযী মুসাদ্দাদের নিকট ইমাম আহমাদের পত্রটি উল্লেখ করেছেন, তাতে রয়েছে: তুমি দশজন সাহাবীর বিষয়ে সাক্ষ্য দেবে যে, তারা জান্নাতী। তারা হলেন, আবূ বকর, উমার, উসমান, আলী, তালহা, যুবাইর, সা‘আদ, সা‘ঈদ, আব্দুর রহমান ইবন আওফ, আবূ উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ।আর যার জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জান্নাতের সাক্ষ্য দিয়েছেন, আমরাও তার জন্য জান্নাতের সাক্ষ্য দেব।

আব্দুল্লাহ ইবন আহমাদ বলেন, আমি আমার পিতাকে ইমামগণের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, আবূ বকর, তারপর উমার তারপর উসমান তারপর আলী।

আব্দুল্লাহ ইবন আহমাদ বলেন, আমি আমার পিতাকে তাদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি যারা বলে, আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু খলীফা নয়। তিনি বলেন, এটি মন্দ ও নিম্নমানের কথা।

ইবনুল জূযূ আহমাদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি আলীর খিলাফত মানে না সে তার পরিবারের গাধা থেকেও অধিক ভ্রষ্ট।

ইবনু আবী ইয়া‘লা আহমাদ থেকে বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি আলী ইবন আবু তালেবকে চতুর্থ খলীফা স্বীকার করে না তার সাথে তোমরা কথা বলো না এবং তাকে বিবাহ করাবে না।