১
চার ইমামের আকীদাহ - মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান
লেখকঃ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২১
কাদর বিষয়ে তার বাণী
ইবনুল জাওযী তার ‘মানাকিব’ নামক গ্রন্থে মুসাদ্দাদের জন্যে লেখা আহমাদ ইবন হাম্বালের কিতাবটি উল্লেখ করেছেন, তাতে রয়েছে: তাকদীরের ভালো-মন্দ ও মিষ্ট-তিক্ত আল্লাহর পক্ষ থেকে বলে ঈমান আনবে।
আল-খাল্লাল আবু বকর আল-মারওয়াযী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞাসা করা হলো, (উত্তরে) তিনি বললেন: ভালো ও মন্দ সবকিছুই বান্দার ওপর নির্ধারিত। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো : আল্লাহই কি ভালো ও মন্দ সৃষ্টি করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আল্লাহই তা নির্ধারণ করেছেন।
ইমাম আহমাদের আস-সুন্নাহ কিতাবে এসেছে, তিনি বলেছেন, তাকদীরের ভালো-মন্দ, কম-বেশি, প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য, মিষ্ট-তিক্ত, প্রিয়-অপ্রিয়, সুন্দর-অসুন্দর, শুরু-শেষ সব কিছুই আল্লাহর পক্ষ হতে। এগুলো আল্লাহর ফয়সালা। তিনি তাঁর বান্দাদের উপর ফয়সালা করেছেন এবং তাঁর নির্ধারণ, যা তিনি তাঁর বান্দাদের ওপর নির্ধারণ করেছেন। তাদের কেউ আল্লাহর ইচ্ছার বিরোধিতা করতে পারে না এবং তাঁর ফায়সালাকে অতিক্রম করতে পারে না।
খাল্লাল মুহাম্মাদ ইবন আবী হারুন থেকে তিনি আবী হারেস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি আবূ আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি: আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা ইবাদাত ও গুনাহ নির্ধারণ করেছেন, ভালো ও মন্দ নির্ধারণ করেছেন। যাকে তিনি সৌভাগ্যবান লিপিবদ্ধ করেছেন তিনি সৌভাগ্যবান আর যাকে তিনি দূর্ভাগ্যবান লিপিবদ্ধ করেছেন তিনি দূর্ভাগ্যবান।
আব্দুল্লাহ ইবন আহমাদ বলেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি তাকে আলী বিন জাহাম জিজ্ঞাসা করল, যে ব্যক্তি কাদার বা তাকদীর অস্বীকার করে সে কি কাফির হবে? তিনি বললেন, যদি আল্লাহ তা‘আলার ইলমকে অস্বীকার করে তাহলে সে কাফির হবে। সে যখন বলবে, আল্লাহ আলেম ছিলেন না। তারপর তিনি ইলম সৃষ্টি করেছেন অতঃপর জেনেছেন। যে এমন কথা বলবে, সে আল্লাহর ইলমকে অস্বীকার করার কারণে কাফির হবে।
আব্দুল্লাহ ইবন আহমাদ বলেন, আমি আমার পিতাকে আরেকবার কাদারীর পিছনে সালাত আদায় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, সে যদি এ বিষয়ে তর্ক-বিতর্ক করে এবং তার দিকে আহবান করে তাহলে, তুমি তার পিছনে সালাত আদায় করবে না।
আল-খাল্লাল আবু বকর আল-মারওয়াযী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞাসা করা হলো, (উত্তরে) তিনি বললেন: ভালো ও মন্দ সবকিছুই বান্দার ওপর নির্ধারিত। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো : আল্লাহই কি ভালো ও মন্দ সৃষ্টি করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আল্লাহই তা নির্ধারণ করেছেন।
ইমাম আহমাদের আস-সুন্নাহ কিতাবে এসেছে, তিনি বলেছেন, তাকদীরের ভালো-মন্দ, কম-বেশি, প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য, মিষ্ট-তিক্ত, প্রিয়-অপ্রিয়, সুন্দর-অসুন্দর, শুরু-শেষ সব কিছুই আল্লাহর পক্ষ হতে। এগুলো আল্লাহর ফয়সালা। তিনি তাঁর বান্দাদের উপর ফয়সালা করেছেন এবং তাঁর নির্ধারণ, যা তিনি তাঁর বান্দাদের ওপর নির্ধারণ করেছেন। তাদের কেউ আল্লাহর ইচ্ছার বিরোধিতা করতে পারে না এবং তাঁর ফায়সালাকে অতিক্রম করতে পারে না।
খাল্লাল মুহাম্মাদ ইবন আবী হারুন থেকে তিনি আবী হারেস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি আবূ আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি: আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা ইবাদাত ও গুনাহ নির্ধারণ করেছেন, ভালো ও মন্দ নির্ধারণ করেছেন। যাকে তিনি সৌভাগ্যবান লিপিবদ্ধ করেছেন তিনি সৌভাগ্যবান আর যাকে তিনি দূর্ভাগ্যবান লিপিবদ্ধ করেছেন তিনি দূর্ভাগ্যবান।
আব্দুল্লাহ ইবন আহমাদ বলেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি তাকে আলী বিন জাহাম জিজ্ঞাসা করল, যে ব্যক্তি কাদার বা তাকদীর অস্বীকার করে সে কি কাফির হবে? তিনি বললেন, যদি আল্লাহ তা‘আলার ইলমকে অস্বীকার করে তাহলে সে কাফির হবে। সে যখন বলবে, আল্লাহ আলেম ছিলেন না। তারপর তিনি ইলম সৃষ্টি করেছেন অতঃপর জেনেছেন। যে এমন কথা বলবে, সে আল্লাহর ইলমকে অস্বীকার করার কারণে কাফির হবে।
আব্দুল্লাহ ইবন আহমাদ বলেন, আমি আমার পিতাকে আরেকবার কাদারীর পিছনে সালাত আদায় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, সে যদি এ বিষয়ে তর্ক-বিতর্ক করে এবং তার দিকে আহবান করে তাহলে, তুমি তার পিছনে সালাত আদায় করবে না।