১
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে পবিত্রতা অর্জন করতেন
লেখকঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২৮
৭. কোনো বাড়াবাড়ি ব্যতীত স্বাভাবিক পন্থায় ভালোভাবে অযু করা।
অতএব, উত্তম পন্থা হচ্ছে ; বাড়াবাড়ি ছাড়া প্রতিটি অঙ্গ তিন তিনবার ধোয়া। চাই তা অযুর মধ্যে হোক বা গোসলে।
‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم يَغْتَسِلُ مِنْ إِنَاءٍ – هُوَالْفَرَقُ - مِنَ الْـجَنَابَةِ، قَالَ سُفْيَانُ : وَالْفَرَقُ ثَلاَثَةُ آصُعٍ» .
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন সা’ তথা সাড়ে সাথ লিটার সমপরিমাণ পানি দিয়ে ফরয গোসল করতেন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৫০ সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩১৯।]
আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم يَتَوَضَّأُ بِالْـمُدِّ وَيَغْتَسِلُ بِالصَّاعِ إِلَى خَمْسَةِ أَمْدَادٍ» .
“নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মুদ দিয়ে অযু এবং চার বা পাঁচ মুদ দিয়ে গোসল করতেন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২০১ সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩২৫।]
‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«كَانَتْ تَغْتَسِلُ هِيَ وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم فِيْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ يَسَعُ ثَلاَثَةَ أَمْدَادٍ أَوْ قَرِيْبًا مِنْ ذَلِكَ» .
“তিনি ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কমবেশি তিন মুদ পানি দিয়ে একত্রে গোসল করতেন”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩২১।]
উম্মে উমারাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«تَوَضَّأَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم فَأُتِيَ بِإِنَاءٍ فِيْهِ مَاءٌ قَدْرُ ثُلُثَيِ الْـمُدِّ» .
“নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এক মুদের দু’ তৃতীয়াংশ পানি আনা হলে তিনি তা দিয়ে অযু করেন”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ৯৪।]
এ হাদীসগুলো থেকে বুঝা যাচ্ছে যে, ভালোভাবে অযু করতে হবে ঠিকই তবে পানি ব্যবহারে কোনো ধরণের বাড়াবাড়ি করা যাবে না।
আব্দুল্লাহ ইবন ‘আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«بِتُّ عِنْدَ خَالَتِيْ مَيْمُوْنَةَ لَيْلَةً، فَلَمَّا كَانَ فِيْ بَعْضِ اللَّيْلِ قَامَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم فَتَوَضَّأَ مِنْ شَنٍّ مُعَلَّقٍ وُضُوْءًا خَفِيْفًا وَقَامَ يُصَلَّيْ» .
“একদা আমি আমার খালা মাইমূনাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহার নিকট রাত্রিযাপন করেছিলাম। রাত্রের কিছু অংশ পেরিয়ে গেলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুম থেকে জেগে টাঙ্গানো এক পুরাতন মশক থেকে পানি নিয়ে হালকাভাবে অযু করে সালাতের জন্য দাঁড়িয়ে যান”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৩৮।]
‘আমর ইবন শু‘আইব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার দাদা বলেছেন:
«جَاءَ أَعْرَابِيٌّ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَسْأَلُهُ عَنِ الْوُضُوْءِ فَأَرَاهُ الْوُضُـوْءَ ثَلاَثًا ثَلاَثًا، ثُمَّ قَالَ : هَكَذَا الْوُضُوْءُ، فَمَنْ زَادَ عَلَى هَذَا فَقَدْ أَسَاءَ وَتَعَدَّى وَظَلَمَ» .
“জনৈক গ্রাম্য সাহাবী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অযু সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি তাকে প্রতিটি অঙ্গ তিন তিন বার ধুয়ে অযু করে দেখিয়েছেন। এর পর বললেন: এভাবেই অযু করতে হয়। যে ব্যক্তি এ ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করল সে যেন অন্যায়, সীমাতিক্রম ও নিজের উপর অত্যাচার করল”। [নাসাঈ, হাদীস নং ১৪০ ইবন মাজাহ, হাদীস নং ৪২৮।]
আব্দুল্লাহ ইবন মুগাফ্ফাল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি:
«إِنَّهُ سَيَكُوْنُ فِيْ هَذِهِ الأُمَّةِ قَوْمٌ يَعْتَدُوْنَ فِي الطُّهُوْرِ وَالدُّعَاءِ» .
“আমার উম্মতের মধ্যে এমন এক সম্প্রদায় জন্ম নিবে যারা পবিত্রতা ও দো‘আর ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করবে”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ৯৬।]
‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم يَغْتَسِلُ مِنْ إِنَاءٍ – هُوَالْفَرَقُ - مِنَ الْـجَنَابَةِ، قَالَ سُفْيَانُ : وَالْفَرَقُ ثَلاَثَةُ آصُعٍ» .
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন সা’ তথা সাড়ে সাথ লিটার সমপরিমাণ পানি দিয়ে ফরয গোসল করতেন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৫০ সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩১৯।]
আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم يَتَوَضَّأُ بِالْـمُدِّ وَيَغْتَسِلُ بِالصَّاعِ إِلَى خَمْسَةِ أَمْدَادٍ» .
“নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মুদ দিয়ে অযু এবং চার বা পাঁচ মুদ দিয়ে গোসল করতেন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২০১ সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩২৫।]
‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«كَانَتْ تَغْتَسِلُ هِيَ وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم فِيْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ يَسَعُ ثَلاَثَةَ أَمْدَادٍ أَوْ قَرِيْبًا مِنْ ذَلِكَ» .
“তিনি ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কমবেশি তিন মুদ পানি দিয়ে একত্রে গোসল করতেন”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩২১।]
উম্মে উমারাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«تَوَضَّأَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم فَأُتِيَ بِإِنَاءٍ فِيْهِ مَاءٌ قَدْرُ ثُلُثَيِ الْـمُدِّ» .
“নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এক মুদের দু’ তৃতীয়াংশ পানি আনা হলে তিনি তা দিয়ে অযু করেন”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ৯৪।]
এ হাদীসগুলো থেকে বুঝা যাচ্ছে যে, ভালোভাবে অযু করতে হবে ঠিকই তবে পানি ব্যবহারে কোনো ধরণের বাড়াবাড়ি করা যাবে না।
আব্দুল্লাহ ইবন ‘আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«بِتُّ عِنْدَ خَالَتِيْ مَيْمُوْنَةَ لَيْلَةً، فَلَمَّا كَانَ فِيْ بَعْضِ اللَّيْلِ قَامَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم فَتَوَضَّأَ مِنْ شَنٍّ مُعَلَّقٍ وُضُوْءًا خَفِيْفًا وَقَامَ يُصَلَّيْ» .
“একদা আমি আমার খালা মাইমূনাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহার নিকট রাত্রিযাপন করেছিলাম। রাত্রের কিছু অংশ পেরিয়ে গেলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুম থেকে জেগে টাঙ্গানো এক পুরাতন মশক থেকে পানি নিয়ে হালকাভাবে অযু করে সালাতের জন্য দাঁড়িয়ে যান”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৩৮।]
‘আমর ইবন শু‘আইব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার দাদা বলেছেন:
«جَاءَ أَعْرَابِيٌّ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَسْأَلُهُ عَنِ الْوُضُوْءِ فَأَرَاهُ الْوُضُـوْءَ ثَلاَثًا ثَلاَثًا، ثُمَّ قَالَ : هَكَذَا الْوُضُوْءُ، فَمَنْ زَادَ عَلَى هَذَا فَقَدْ أَسَاءَ وَتَعَدَّى وَظَلَمَ» .
“জনৈক গ্রাম্য সাহাবী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অযু সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি তাকে প্রতিটি অঙ্গ তিন তিন বার ধুয়ে অযু করে দেখিয়েছেন। এর পর বললেন: এভাবেই অযু করতে হয়। যে ব্যক্তি এ ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করল সে যেন অন্যায়, সীমাতিক্রম ও নিজের উপর অত্যাচার করল”। [নাসাঈ, হাদীস নং ১৪০ ইবন মাজাহ, হাদীস নং ৪২৮।]
আব্দুল্লাহ ইবন মুগাফ্ফাল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি:
«إِنَّهُ سَيَكُوْنُ فِيْ هَذِهِ الأُمَّةِ قَوْمٌ يَعْتَدُوْنَ فِي الطُّهُوْرِ وَالدُّعَاءِ» .
“আমার উম্মতের মধ্যে এমন এক সম্প্রদায় জন্ম নিবে যারা পবিত্রতা ও দো‘আর ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করবে”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ৯৬।]