১
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে পবিত্রতা অর্জন করতেন
লেখকঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
১. পবিত্র ও পবিত্রতা বিধানকারী পানি:
যে পানি নিজ প্রকৃতিগত বৈশিষ্ট্যের ওপর বহাল রয়েছে সে পানি পবিত্র ও পবিত্রতা বিধানকারী পানি। যেমন, বৃষ্টির পানি এবং ভূমি থেকে উদ্গত যে কোনো পানি। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَيُنَزِّلُ عَلَيۡكُم مِّنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءٗ لِّيُطَهِّرَكُم بِهِ﴾ [ الانفال : ١١ ]
“তিনি (আল্লাহ তা‘আলা) তোমাদেরকে পবিত্র করার জন্য আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেন”। [সূরা আল-আনফাল, আয়াত: ১১]
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকবীরে তাহরীমা ও কিরাতের মধ্যবর্তী স্থানে অনুচ্চস্বরে বলতেন:
«اللَّهُمَّ اغْسِلْ خَطَايَايَ بِالْـمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ» .
“হে আল্লাহ! আপনি আমার গুনাহগুলো পানি, বরফ ও শিশির দিয়ে ধৌত করুন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৭৪৪; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৯৮।]
এ প্রকারের পানি আবার তিন ভাগে বিভক্ত :
ক. যা ব্যবহার করা হারাম। তবে তা বিধানগত নাপাকী (অযু, গোসল কিংবা তায়াম্মুমের মাধ্যমে যা দূর করা হয়) দূর করতে সক্ষম না হলেও বাহ্য নাপাকী (মল, মূত্র, ঋতুস্রাব ইত্যাদি) দূর করতে সক্ষম। এ পানি এমন যা জায়েয পন্থায় সংগৃহীত নয়। যেমন, আত্মসাৎ বা বলপ্রয়োগে ছিনিয়ে আনা পানি।
জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐতিহাসিক ‘আরাফা ময়দানে বিদায়ী ভাষণে বলেন,
«إِنَّ دِمَاءَكُمْ وَأَمْوَالَكُمْ حَرَامٌ عَلَيْكُمْ كَحُرْمَةِ يَوْمِكُمْ هَذَا، فِيْ شَهْرِكُمْ هَذَا، فِيْ بَلَدِكُمْ هَذَا» .
“নিশ্চয় তোমাদের জান ও সম্পদ সংহার করা পরস্পরের ওপর হারাম যেমনিভাবে হারাম তোমাদের এ দিন, তোমাদের এ মাসে, তোমাদের এ শহরে”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১২১৮।]
খ. যা বিকল্প থাকাবস্থায় ব্যবহার করা মাকরূহ। এ পানি এমন যা নাপাক জ্বালানি কাঠ বা খড়কুটো দিয়ে উত্তপ্ত করা হয়েছে। কারণ, এ জাতীয় পানি নাপাকীর সূক্ষ্ম সংমিশ্রণ থেকে মুক্ত নয়।
হাসান ইবন ‘আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«دَعْ مَا يَرِيْبُكَ إِلَى مَا لاَ يَرِيْبُكَ» .
“সন্দেহজনক বস্তু পরিত্যাগ করে সংশয়হীন বস্তু অবলম্বন কর”। [তিরমিযী, হাদীস নং ২৫১৮।]
তেমনিভাবে স্বচ্ছ ও নির্মল পানি থাকাবস্থায় কর্পূর, তৈল, আলকাতরা ইত্যাদি মিশ্রিত পানি ব্যবহার করা মাকরূহ।
গ. যা ব্যবহার করা সম্পূর্ণরূপে জায়েয। যেমন, পুকুর, নদী, খাল, বিল, কূপ, সাগর, বিগলিত বরফ, বৃষ্টি ইত্যাদির পানি। এ সম্পর্কীয় প্রমাণ ইতোপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে।
﴿وَيُنَزِّلُ عَلَيۡكُم مِّنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءٗ لِّيُطَهِّرَكُم بِهِ﴾ [ الانفال : ١١ ]
“তিনি (আল্লাহ তা‘আলা) তোমাদেরকে পবিত্র করার জন্য আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেন”। [সূরা আল-আনফাল, আয়াত: ১১]
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকবীরে তাহরীমা ও কিরাতের মধ্যবর্তী স্থানে অনুচ্চস্বরে বলতেন:
«اللَّهُمَّ اغْسِلْ خَطَايَايَ بِالْـمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ» .
“হে আল্লাহ! আপনি আমার গুনাহগুলো পানি, বরফ ও শিশির দিয়ে ধৌত করুন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৭৪৪; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৯৮।]
এ প্রকারের পানি আবার তিন ভাগে বিভক্ত :
ক. যা ব্যবহার করা হারাম। তবে তা বিধানগত নাপাকী (অযু, গোসল কিংবা তায়াম্মুমের মাধ্যমে যা দূর করা হয়) দূর করতে সক্ষম না হলেও বাহ্য নাপাকী (মল, মূত্র, ঋতুস্রাব ইত্যাদি) দূর করতে সক্ষম। এ পানি এমন যা জায়েয পন্থায় সংগৃহীত নয়। যেমন, আত্মসাৎ বা বলপ্রয়োগে ছিনিয়ে আনা পানি।
জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐতিহাসিক ‘আরাফা ময়দানে বিদায়ী ভাষণে বলেন,
«إِنَّ دِمَاءَكُمْ وَأَمْوَالَكُمْ حَرَامٌ عَلَيْكُمْ كَحُرْمَةِ يَوْمِكُمْ هَذَا، فِيْ شَهْرِكُمْ هَذَا، فِيْ بَلَدِكُمْ هَذَا» .
“নিশ্চয় তোমাদের জান ও সম্পদ সংহার করা পরস্পরের ওপর হারাম যেমনিভাবে হারাম তোমাদের এ দিন, তোমাদের এ মাসে, তোমাদের এ শহরে”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১২১৮।]
খ. যা বিকল্প থাকাবস্থায় ব্যবহার করা মাকরূহ। এ পানি এমন যা নাপাক জ্বালানি কাঠ বা খড়কুটো দিয়ে উত্তপ্ত করা হয়েছে। কারণ, এ জাতীয় পানি নাপাকীর সূক্ষ্ম সংমিশ্রণ থেকে মুক্ত নয়।
হাসান ইবন ‘আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«دَعْ مَا يَرِيْبُكَ إِلَى مَا لاَ يَرِيْبُكَ» .
“সন্দেহজনক বস্তু পরিত্যাগ করে সংশয়হীন বস্তু অবলম্বন কর”। [তিরমিযী, হাদীস নং ২৫১৮।]
তেমনিভাবে স্বচ্ছ ও নির্মল পানি থাকাবস্থায় কর্পূর, তৈল, আলকাতরা ইত্যাদি মিশ্রিত পানি ব্যবহার করা মাকরূহ।
গ. যা ব্যবহার করা সম্পূর্ণরূপে জায়েয। যেমন, পুকুর, নদী, খাল, বিল, কূপ, সাগর, বিগলিত বরফ, বৃষ্টি ইত্যাদির পানি। এ সম্পর্কীয় প্রমাণ ইতোপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে।