১
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে পবিত্রতা অর্জন করতেন
লেখকঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫২
৪. মোজা জোড়া সম্পূর্ণরূপে পবিত্র হতে হবে:
অপবিত্র হলে তা যদি মূলগত হয় যেমন, মোজাগুলো গাধার চামড়া দিয়ে তৈরি, তাহলে এগুলোর উপর মাসাহ চলবে না। আর যদি মূলগত না হয় তাহলে নাপাকী দূরীকরণের পর এগুলোর উপর মাসাহ করা যাবে।
আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«بَيْنَمَا رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم يُصَلِّيْ بِأَصْحَابِهِ إِذْ خَلَعَ نَعْلَيْهِ فَوَضَعَهُمَا عَنْ يَسَارِهِ، فَلَمَّا رَأَى ذَلِكَ الْقَوْمُ أَلْقَوْا نِعَالَهُمْ، فَلَمَّا قَضَى رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم صَلاَتَهُ قَالَ : مَاحَمَلَكُمْ عَلَى إِلْقَاءِ نِعَالِكُمْ؟ قَالُوْا : رَأَيْنَاكَ أَلْقَيْتَ نَعْلَيْكَ فَأَلْقَيْنَا نِعَالَنَا، فَقَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم : إِنَّ جِبْرِيْلَ أَتَانِيْ فَأَخْبَرَنِيْ أَنَّ فِيْهِمَا قَذَرًا أَوْ قَالَ : أَذىً، وَقَالَ : إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ إِلَى الـْمَسْـجِدِ فَلْيَنْظُرْ، فَإِنْ رَأَى فِيْ نَعْلَيْهِ قَذَرًا أَوْ أَذَىً، فَلْيَمْسَحْهُ وَلْيُصَلِّ فِيْهِمَا» .
“একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদেরকে সঙ্গে নিয়ে সালাত পড়ছিলেন। হঠাৎ তিনি সালাতের মধ্যেই নিজ জুতা জোড়া পা থেকে খুলে নিজের বাঁ দিকে রাখলেন। তা দেখে সাহাবীগণও নিজ নিজ জুতাগুলো খুলে ফেলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত শেষে সাহাবীগণকে উদ্দেশ্য করে বললেন: তোমাদের কী হলো, জুতাগুলো খুলে ফেললে কেন? সাহাবীগণ বললেন: আপনাকে খুলতে দেখে আমরাও খুলে ফেলেছি। তা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: জিবরীল ‘আলাইহিস সালাম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আমার জুতা জোড়ায় ময়লা (নাপাকী) রয়েছে। তাই আমি জুতা জোড়া খুলে ফেললাম। অতএব, তোমাদের কেউ মসজিদে আসলে প্রথমে নিজ জুতা জোড়া ভালোভাবে দেখে নিবে। অতঃপর তাতে কোনো ময়লা বা নাপাকী পরিলক্ষিত হলে তা জমিনে ঘষে নিবে এবং তা পরেই সালাত আদায় করবে”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ৬৫০।]
উক্ত হাদীস থেকে আমরা এটাই বুঝতে পারলাম যে, অপবিত্র কোনো পোশাক-পরিচ্ছদ পরে সালাত আদায় করলে সালাত আদায় হবে না। বরং তা যে কোনো ভাবে পবিত্র করে নিতে হবে। আর মোজা মাসাহ কিন্তু বাহ্যিক নাপাকী দূরীকরণের জন্য কোনোমতেই যথেষ্ট নয়।
আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«بَيْنَمَا رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم يُصَلِّيْ بِأَصْحَابِهِ إِذْ خَلَعَ نَعْلَيْهِ فَوَضَعَهُمَا عَنْ يَسَارِهِ، فَلَمَّا رَأَى ذَلِكَ الْقَوْمُ أَلْقَوْا نِعَالَهُمْ، فَلَمَّا قَضَى رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم صَلاَتَهُ قَالَ : مَاحَمَلَكُمْ عَلَى إِلْقَاءِ نِعَالِكُمْ؟ قَالُوْا : رَأَيْنَاكَ أَلْقَيْتَ نَعْلَيْكَ فَأَلْقَيْنَا نِعَالَنَا، فَقَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم : إِنَّ جِبْرِيْلَ أَتَانِيْ فَأَخْبَرَنِيْ أَنَّ فِيْهِمَا قَذَرًا أَوْ قَالَ : أَذىً، وَقَالَ : إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ إِلَى الـْمَسْـجِدِ فَلْيَنْظُرْ، فَإِنْ رَأَى فِيْ نَعْلَيْهِ قَذَرًا أَوْ أَذَىً، فَلْيَمْسَحْهُ وَلْيُصَلِّ فِيْهِمَا» .
“একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদেরকে সঙ্গে নিয়ে সালাত পড়ছিলেন। হঠাৎ তিনি সালাতের মধ্যেই নিজ জুতা জোড়া পা থেকে খুলে নিজের বাঁ দিকে রাখলেন। তা দেখে সাহাবীগণও নিজ নিজ জুতাগুলো খুলে ফেলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত শেষে সাহাবীগণকে উদ্দেশ্য করে বললেন: তোমাদের কী হলো, জুতাগুলো খুলে ফেললে কেন? সাহাবীগণ বললেন: আপনাকে খুলতে দেখে আমরাও খুলে ফেলেছি। তা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: জিবরীল ‘আলাইহিস সালাম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আমার জুতা জোড়ায় ময়লা (নাপাকী) রয়েছে। তাই আমি জুতা জোড়া খুলে ফেললাম। অতএব, তোমাদের কেউ মসজিদে আসলে প্রথমে নিজ জুতা জোড়া ভালোভাবে দেখে নিবে। অতঃপর তাতে কোনো ময়লা বা নাপাকী পরিলক্ষিত হলে তা জমিনে ঘষে নিবে এবং তা পরেই সালাত আদায় করবে”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ৬৫০।]
উক্ত হাদীস থেকে আমরা এটাই বুঝতে পারলাম যে, অপবিত্র কোনো পোশাক-পরিচ্ছদ পরে সালাত আদায় করলে সালাত আদায় হবে না। বরং তা যে কোনো ভাবে পবিত্র করে নিতে হবে। আর মোজা মাসাহ কিন্তু বাহ্যিক নাপাকী দূরীকরণের জন্য কোনোমতেই যথেষ্ট নয়।