১
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে পবিত্রতা অর্জন করতেন
লেখকঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮৩
৫. মসজিদে অবস্থান করা:
জুনুবী অবস্থায় মসজিদে অবস্থান করা না জায়েয।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ لَا تَقۡرَبُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَأَنتُمۡ سُكَٰرَىٰ حَتَّىٰ تَعۡلَمُواْ مَا تَقُولُونَ وَلَا جُنُبًا إِلَّا عَابِرِي سَبِيلٍ حَتَّىٰ تَغۡتَسِلُواْ﴾ [ النساء : ٤٣ ]
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা নেশাগ্রস্ত বা জুনুবী অবস্থায় সালাতের নিকটবর্তী হবে না যতক্ষণ না তোমরা বোধ শক্তি ফিরে পাও এবং গোসল কর। তবে পথ অতিক্রমের উদ্দেশ্যে তোমরা মসজিদের উপর দিয়ে চলতে পার”। [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৪৩]
‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«وَجِّهُوْا هَذِهِ الْبُيُوْتَ عَنِ الـْمَسْجِدِ ؛ فَإِنِّيْ لاَ أُحِلُّ الـْمَسْجِدَ لِحَائِضٍ وَلاَ جُنُبٍ» .
“তোমরা মসজিদমুখী ঘরের দরজাগুলো বন্ধ করে দাও। কারণ, ঋতুবতী বা জুনুবী ব্যক্তির জন্য মসজিদে অবস্থান করা জায়েয নয়”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ২৩২।]
হাদীসটি সনদের দিক দিয়ে দুর্বল। তবে উহার শেষাংশের সমর্থন উক্ত আয়াতে রয়েছে।
তবে জুনুবী ব্যক্তি মসজিদের উপর দিয়ে পথ অতিক্রম করতে পারে যা পূর্বের আয়াতে উল্লেখ হয়েছে।
ঋতুবতী এবং নিফাসী মহিলাও মসজিদের উপর দিয়ে পথ অতিক্রম করতে পারে। যদি মসজিদ নাপাক হওয়ার ভয় না থাকে।
‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«قَالَ لِيْ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم : نَاوِلِيْنِي الْـخُمْرَةَ مِنَ الْـمَسْجِدِ، قَالَتْ فَقُلْتُ : إِنِّيْ حَائِضٌ فَقَالَ : تَنَاوَلِيْهَا فَإِنَّ الْـحَيْضَةَ لَيْسَتْ فِيْ يَدِكِ» .
“আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: মসজিদ থেকে সালাতের বিছানাটি দাও দেখি। আমি বললাম: আমি ঋতুবতী। তিনি বললেন: দাও, ঋতুস্রাব তো আর তোমার হাতে লাগেনি”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৯৮; নাসাঈ, হাদীস নং ২৭২।]
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«بَيْنَمَا رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم فِي الْـمَسْجِدِ فَقَالَ : يَا عَائِشَةُ ! نَاوِلِيْنِي الثَّوْبَ فَقَالَتْ : إِنِّيْ حَائِضٌ فَقَالَ : إِنَّ حَيْضَتَكِ لَيْسَتْ فِيْ يَدِكِ» .
“একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে অবস্থান করছিলেন। এমতাবস্থায় তিনি বললেন: হে ‘আয়েশা! (মসজিদ থেকে) আমাকে কাপড়টি দাও দেখি। ‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেন: আমি ঋতুবতী। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: ঋতুস্রাব তো আর তোমার হাতে লাগে নি”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৯৯; নাসাঈ, হাদীস নং ২৭১।]
মাইমূনা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم يَدْخُلُ عَلَى إِحْدَانَا، وَهِيَ حَائِضٌ فَيَضَعُ رَأْسَهُ فِيْ حِجْرِهَا فَيَقْرَأُ الْقُرْآنَ، ثُمَّ تَقُوْمُ إِحْدَانَا بِخُمْرَتِهِ فَتَضَعُهَا فِي الْـمَسْجِدِ وَهِيَ حَائِضٌ» .
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কোনো একজন ঋতুবতী থাকাবস্থায় তার নিকট এসে কোলে মাথা রেখে কুরআন তিলাওয়াত করতেন। তেমনিভাবে আমাদের কোনো একজন ঋতুবতী থাকাবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সালাতের বিছানাটি মসজিদে রেখে আসতো”। [নাসাঈ, হাদীস নং ২৭৪, ৩৮৫ হুমাইদী ৩১০।]
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ لَا تَقۡرَبُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَأَنتُمۡ سُكَٰرَىٰ حَتَّىٰ تَعۡلَمُواْ مَا تَقُولُونَ وَلَا جُنُبًا إِلَّا عَابِرِي سَبِيلٍ حَتَّىٰ تَغۡتَسِلُواْ﴾ [ النساء : ٤٣ ]
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা নেশাগ্রস্ত বা জুনুবী অবস্থায় সালাতের নিকটবর্তী হবে না যতক্ষণ না তোমরা বোধ শক্তি ফিরে পাও এবং গোসল কর। তবে পথ অতিক্রমের উদ্দেশ্যে তোমরা মসজিদের উপর দিয়ে চলতে পার”। [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৪৩]
‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«وَجِّهُوْا هَذِهِ الْبُيُوْتَ عَنِ الـْمَسْجِدِ ؛ فَإِنِّيْ لاَ أُحِلُّ الـْمَسْجِدَ لِحَائِضٍ وَلاَ جُنُبٍ» .
“তোমরা মসজিদমুখী ঘরের দরজাগুলো বন্ধ করে দাও। কারণ, ঋতুবতী বা জুনুবী ব্যক্তির জন্য মসজিদে অবস্থান করা জায়েয নয়”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ২৩২।]
হাদীসটি সনদের দিক দিয়ে দুর্বল। তবে উহার শেষাংশের সমর্থন উক্ত আয়াতে রয়েছে।
তবে জুনুবী ব্যক্তি মসজিদের উপর দিয়ে পথ অতিক্রম করতে পারে যা পূর্বের আয়াতে উল্লেখ হয়েছে।
ঋতুবতী এবং নিফাসী মহিলাও মসজিদের উপর দিয়ে পথ অতিক্রম করতে পারে। যদি মসজিদ নাপাক হওয়ার ভয় না থাকে।
‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«قَالَ لِيْ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم : نَاوِلِيْنِي الْـخُمْرَةَ مِنَ الْـمَسْجِدِ، قَالَتْ فَقُلْتُ : إِنِّيْ حَائِضٌ فَقَالَ : تَنَاوَلِيْهَا فَإِنَّ الْـحَيْضَةَ لَيْسَتْ فِيْ يَدِكِ» .
“আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: মসজিদ থেকে সালাতের বিছানাটি দাও দেখি। আমি বললাম: আমি ঋতুবতী। তিনি বললেন: দাও, ঋতুস্রাব তো আর তোমার হাতে লাগেনি”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৯৮; নাসাঈ, হাদীস নং ২৭২।]
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«بَيْنَمَا رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم فِي الْـمَسْجِدِ فَقَالَ : يَا عَائِشَةُ ! نَاوِلِيْنِي الثَّوْبَ فَقَالَتْ : إِنِّيْ حَائِضٌ فَقَالَ : إِنَّ حَيْضَتَكِ لَيْسَتْ فِيْ يَدِكِ» .
“একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে অবস্থান করছিলেন। এমতাবস্থায় তিনি বললেন: হে ‘আয়েশা! (মসজিদ থেকে) আমাকে কাপড়টি দাও দেখি। ‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেন: আমি ঋতুবতী। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: ঋতুস্রাব তো আর তোমার হাতে লাগে নি”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৯৯; নাসাঈ, হাদীস নং ২৭১।]
মাইমূনা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم يَدْخُلُ عَلَى إِحْدَانَا، وَهِيَ حَائِضٌ فَيَضَعُ رَأْسَهُ فِيْ حِجْرِهَا فَيَقْرَأُ الْقُرْآنَ، ثُمَّ تَقُوْمُ إِحْدَانَا بِخُمْرَتِهِ فَتَضَعُهَا فِي الْـمَسْجِدِ وَهِيَ حَائِضٌ» .
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কোনো একজন ঋতুবতী থাকাবস্থায় তার নিকট এসে কোলে মাথা রেখে কুরআন তিলাওয়াত করতেন। তেমনিভাবে আমাদের কোনো একজন ঋতুবতী থাকাবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সালাতের বিছানাটি মসজিদে রেখে আসতো”। [নাসাঈ, হাদীস নং ২৭৪, ৩৮৫ হুমাইদী ৩১০।]