১
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে পবিত্রতা অর্জন করতেন
লেখকঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৯
৪. বীর্য:
বীর্য বলতে উত্তেজনাসহ লিঙ্গাগ্র দিয়ে লাফিয়ে পড়া শুভ্র বর্ণের গাঢ় পানিকে বুঝানো হয়। তা নির্গত হলে গোসল ফরয হয়ে যায়। বীর্য পবিত্র বা অপবিত্র হওয়ার ব্যাপারে আলিমদের মধ্যে মতানৈক্য রয়েছে। তবে বিশুদ্ধ মত হচ্ছে বীর্য পবিত্র। এতদসত্ত্বেও বীর্য ভেজা হলে তা ধোয়া এবং শুষ্ক হলে তা খুঁটিয়ে ফেলা মুস্তাহাব।
একদা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার মেহমানখানায় জনৈক ব্যক্তি রাত্রিযাপন করলে তার স্বপ্নদোষ হয়ে যায়। অতঃপর সে নিজের বীর্যযুক্ত পোশাক ধুয়ে ফেলা লজ্জা ও ঝামেলাবোধ করছিল। এমতাবস্থায় ব্যাপারটি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার কর্ণগত হলে তিনি তাকে বললেন:
«إِنَّمَا كَانَ يُجْزِئُكَ إِنْ رَأَيْتَهُ أَنْ تَغْسِلَ مَكَانَهُ، فَإِنْ لَمْ تَرَ نَضَحْتَ حَوْلَهُ، وَلَقَدْ رَأَيْتُنِيْ أَفْرُكُهُ مِنْ ثَوْبِ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم فَرْكًا، فَيُصَلِّيْ فِيْهِ» .
“তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, যেখানে বীর্য দেখবে সে জায়গাটুকু ধুয়ে ফেলবে। আর বীর্য দেখা না গেলে সন্দেহজনক জায়গার আশপাশে পানি ছিঁটিয়ে দিবে। নিশ্চয় আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাপড় থেকে বীর্য খুঁটে ফেলতাম। অতঃপর তিনি তা পরেই সালাত পড়তে যেতেন।” [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৮৮।]
অন্য একটি বর্ণনায় রয়েছেঃ
«لَقَدْ رَأَيْتُنِيْ وَإِنِّيْ لَأَحُكُّهُ مِنْ ثَوْبِ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم يَابِسًا بِظُفُرِيْ» .
“নিশ্চয় আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাপড় থেকে নিজের নখ দিয়ে শুষ্ক বীর্য খুঁটে ফেলতাম”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৯০।]
তিনি আরো বলেন,
«كُنْتُ أَغْسِلُ الْجَنَابَةَ مِنْ ثَوْبِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم فَيَخْرُجُ إِلَى الصَّلاَةِ، وَإِنَّ بُقَعَ الْـمَاءِ فِيْ ثَوْبِهِ» .
“আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাপড় থেকে বীর্য ধুয়ে ফেলতাম। অতঃপর তিনি তা পরে সালাত পড়তে যেতেন; অথচ তাঁর কাপড়ে তখনো পানির দাগ পরিলক্ষিত হতো”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২২৯, ২৩০, ২৩১, ২৩২।]
একদা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার মেহমানখানায় জনৈক ব্যক্তি রাত্রিযাপন করলে তার স্বপ্নদোষ হয়ে যায়। অতঃপর সে নিজের বীর্যযুক্ত পোশাক ধুয়ে ফেলা লজ্জা ও ঝামেলাবোধ করছিল। এমতাবস্থায় ব্যাপারটি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার কর্ণগত হলে তিনি তাকে বললেন:
«إِنَّمَا كَانَ يُجْزِئُكَ إِنْ رَأَيْتَهُ أَنْ تَغْسِلَ مَكَانَهُ، فَإِنْ لَمْ تَرَ نَضَحْتَ حَوْلَهُ، وَلَقَدْ رَأَيْتُنِيْ أَفْرُكُهُ مِنْ ثَوْبِ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم فَرْكًا، فَيُصَلِّيْ فِيْهِ» .
“তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, যেখানে বীর্য দেখবে সে জায়গাটুকু ধুয়ে ফেলবে। আর বীর্য দেখা না গেলে সন্দেহজনক জায়গার আশপাশে পানি ছিঁটিয়ে দিবে। নিশ্চয় আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাপড় থেকে বীর্য খুঁটে ফেলতাম। অতঃপর তিনি তা পরেই সালাত পড়তে যেতেন।” [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৮৮।]
অন্য একটি বর্ণনায় রয়েছেঃ
«لَقَدْ رَأَيْتُنِيْ وَإِنِّيْ لَأَحُكُّهُ مِنْ ثَوْبِ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم يَابِسًا بِظُفُرِيْ» .
“নিশ্চয় আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাপড় থেকে নিজের নখ দিয়ে শুষ্ক বীর্য খুঁটে ফেলতাম”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৯০।]
তিনি আরো বলেন,
«كُنْتُ أَغْسِلُ الْجَنَابَةَ مِنْ ثَوْبِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم فَيَخْرُجُ إِلَى الصَّلاَةِ، وَإِنَّ بُقَعَ الْـمَاءِ فِيْ ثَوْبِهِ» .
“আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাপড় থেকে বীর্য ধুয়ে ফেলতাম। অতঃপর তিনি তা পরে সালাত পড়তে যেতেন; অথচ তাঁর কাপড়ে তখনো পানির দাগ পরিলক্ষিত হতো”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২২৯, ২৩০, ২৩১, ২৩২।]