১
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে পবিত্রতা অর্জন করতেন
লেখকঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৭
৩. প্রবাহিত রক্ত, শুকরের গোশত ও মৃত জন্তু:
উপরোক্ত বস্তুগুলো নাপাক। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿قُل لَّآ أَجِدُ فِي مَآ أُوحِيَ إِلَيَّ مُحَرَّمًا عَلَىٰ طَاعِمٖ يَطۡعَمُهُۥٓ إِلَّآ أَن يَكُونَ مَيۡتَةً أَوۡ دَمٗا مَّسۡفُوحًا أَوۡ لَحۡمَ خِنزِيرٖ فَإِنَّهُۥ رِجۡسٌ أَوۡ فِسۡقًا أُهِلَّ لِغَيۡرِ ٱللَّهِ بِهِ﴾ [ الانعام : ١٤٥ ]
“আপনি (রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলে দিন! আমার নিকট অহীর মাধ্যমে প্রেরিত বিধানের মধ্যে আহারকারীর ওপর কোনো বস্তু হারাম করা হয়েছে এমন পাই নি। তবে শুধু মৃত জন্তু, প্রবাহিত রক্ত ও শূকরের গোশত যা হারাম করা হয়েছে। কেননা, তা নিশ্চিত নাপাক ও শরী‘আত গর্হিত বস্তু যা আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে উৎসর্গ করা হয়েছে”। [সূরা আল-আন‘আম, আয়াত: ১৪৫]
তবে মৃত মাছ ও পঙ্গপাল পবিত্র ও তা খাওয়া জায়েয।
‘আব্দুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«أُحِلَّتْ لَنَا مَيْتَتَانِ وَدَمَانِ ؛ فَأَمَّا الْـمَيْتَتَانِ فَالْحُوْتُ وَالْجَرَادُ، وَأَمَّا الدَّمَانِ فَالْكَبِدُ وَالطِّحَالُ» .
“আমাদের জন্য দু’টি মৃত জীব ও দু’ধরণের রক্ত হালাল করে দেওয়া হয়েছে। মৃত দু’টি হচ্ছে মাছ ও পঙ্গপাল এবং রক্তগুলো হচ্ছে কলিজা ও তিল্লী”। [ইবন মাজাহ, হাদীস নং ৩২৭৮, ৩৩৭৭।]
এ ছাড়া সকল মৃত জীব নাপাক। তবে কোনো মুসলমান সে কখনোই এমনভাবে নাপাক হতে পারে না যে নাপাকী দূরীকরণ কোনোভাবেই সম্ভবপর নয়।
আবু হুরায়রা ও হুযাইফাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তারা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«إِنَّ الْـمُسْلِمَ لاَ يَنْجُسُ» .
“প্রকৃতপক্ষে মুসলিম কখনোই নাপাক হয় না”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৮৩; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩৭২।]
যে জীবের রক্ত বহমান নয় সে ধরনের জীব প্রাণত্যাগ করলে তা নাপাক হয় না।
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
» إِذَا وَقَعَ الذُّبَابُ فِيْ شَرَابِ أَحَدِكُمْ فَلْيَغْمِسْهُ ثُمَّ لْيَنْزِعْهُ، فَإِنَّ فِيْ إِحْدَى جَنَاحَيْهِ دَاءً وَالأُخْرَى شِفَاءً» .
“তোমাদের কারোর খাদ্যপানীয়তে মাছি বসলে ওকে তাতে ডুবিয়ে অতঃপর উঠিয়ে নিবে। কারণ, তার একটি ডানায় রয়েছে রোগ এবং অপরটিতে রয়েছে উপশম”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৩৩২০।]
﴿قُل لَّآ أَجِدُ فِي مَآ أُوحِيَ إِلَيَّ مُحَرَّمًا عَلَىٰ طَاعِمٖ يَطۡعَمُهُۥٓ إِلَّآ أَن يَكُونَ مَيۡتَةً أَوۡ دَمٗا مَّسۡفُوحًا أَوۡ لَحۡمَ خِنزِيرٖ فَإِنَّهُۥ رِجۡسٌ أَوۡ فِسۡقًا أُهِلَّ لِغَيۡرِ ٱللَّهِ بِهِ﴾ [ الانعام : ١٤٥ ]
“আপনি (রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলে দিন! আমার নিকট অহীর মাধ্যমে প্রেরিত বিধানের মধ্যে আহারকারীর ওপর কোনো বস্তু হারাম করা হয়েছে এমন পাই নি। তবে শুধু মৃত জন্তু, প্রবাহিত রক্ত ও শূকরের গোশত যা হারাম করা হয়েছে। কেননা, তা নিশ্চিত নাপাক ও শরী‘আত গর্হিত বস্তু যা আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে উৎসর্গ করা হয়েছে”। [সূরা আল-আন‘আম, আয়াত: ১৪৫]
তবে মৃত মাছ ও পঙ্গপাল পবিত্র ও তা খাওয়া জায়েয।
‘আব্দুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«أُحِلَّتْ لَنَا مَيْتَتَانِ وَدَمَانِ ؛ فَأَمَّا الْـمَيْتَتَانِ فَالْحُوْتُ وَالْجَرَادُ، وَأَمَّا الدَّمَانِ فَالْكَبِدُ وَالطِّحَالُ» .
“আমাদের জন্য দু’টি মৃত জীব ও দু’ধরণের রক্ত হালাল করে দেওয়া হয়েছে। মৃত দু’টি হচ্ছে মাছ ও পঙ্গপাল এবং রক্তগুলো হচ্ছে কলিজা ও তিল্লী”। [ইবন মাজাহ, হাদীস নং ৩২৭৮, ৩৩৭৭।]
এ ছাড়া সকল মৃত জীব নাপাক। তবে কোনো মুসলমান সে কখনোই এমনভাবে নাপাক হতে পারে না যে নাপাকী দূরীকরণ কোনোভাবেই সম্ভবপর নয়।
আবু হুরায়রা ও হুযাইফাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তারা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«إِنَّ الْـمُسْلِمَ لاَ يَنْجُسُ» .
“প্রকৃতপক্ষে মুসলিম কখনোই নাপাক হয় না”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৮৩; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩৭২।]
যে জীবের রক্ত বহমান নয় সে ধরনের জীব প্রাণত্যাগ করলে তা নাপাক হয় না।
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
» إِذَا وَقَعَ الذُّبَابُ فِيْ شَرَابِ أَحَدِكُمْ فَلْيَغْمِسْهُ ثُمَّ لْيَنْزِعْهُ، فَإِنَّ فِيْ إِحْدَى جَنَاحَيْهِ دَاءً وَالأُخْرَى شِفَاءً» .
“তোমাদের কারোর খাদ্যপানীয়তে মাছি বসলে ওকে তাতে ডুবিয়ে অতঃপর উঠিয়ে নিবে। কারণ, তার একটি ডানায় রয়েছে রোগ এবং অপরটিতে রয়েছে উপশম”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৩৩২০।]