১
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে পবিত্রতা অর্জন করতেন
লেখকঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯০
১. যে কোনো ধরনের সালাত আদায়ের জন্য:
ফরয, নফল তথা যে কোনো ধরনের সালাত আদায়ের জন্য অযু করতে হয়।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِذَا قُمۡتُمۡ إِلَى ٱلصَّلَوٰةِ فَٱغۡسِلُواْ وُجُوهَكُمۡ وَأَيۡدِيَكُمۡ إِلَى ٱلۡمَرَافِقِ وَٱمۡسَحُواْ بِرُءُوسِكُمۡ وَأَرۡجُلَكُمۡ إِلَى ٱلۡكَعۡبَيۡنِ﴾ [ المائدة : ٦ ]
“হে ঈমানদারগণ! যখন তোমরা সালাতের উদ্দেশ্যে দণ্ডায়মান হবে (অথচ তোমাদের অযু নেই) তখন তোমরা তোমাদের সমস্ত মুখমণ্ডল এবং হাতগুলো কনুই পর্যন্ত ধৌত করবে। আর মাথা মাসাহ করবে ও পাগুলো টাখনু পর্যন্ত ধৌত করবে”। [সূরা আল-মায়েদাহ, আয়াত: ৬]
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لاَ تُقْبَلُ صَلاَةُ أَحَدِكُمْ إِذَا أَحْدَثَ حَتَّى يَتَوَضَّأَ»
“তোমাদের মধ্যকার কোনো অযুহীন ব্যক্তির সালাত গ্রহণ করা হবে না যতক্ষণ না সে অযু করে”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৩৫; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২২৫; আবু দাউদ, হাদীস নং ৬০।]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন,
«لاَ تُقْبَلُ صَلاَةٌ بِغَيْرِ طُهُوْرٍ وَلاَ صَدَقَةٌ مِنْ غُلُوْلٍ» .
“পবিত্রতা ব্যতীত কোনো সালাত কবুল করা হবে না। তেমনিভাবে আত্মসাৎ করা গণিমতের মাল থেকে কোনো সদকা গ্রাহ্য হবে না”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২২৪; আবু দাউদ, হাদীস নং ৫৯; ইবন মাজাহ, হাদীস নং ২৭১, ২৭৩, ২৭৪, ২৭৫।]
‘আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«مِفْتَاحُ الصَّلاَةِ الطُّهُوْرُ، وَتَحْرِيْمُهَا التَّكْبِيْرُ، وَتَحْلِيْلُهَا التَّسْلِيْمُ» .
“পবিত্রতা সালাতের চাবি তথা পূর্বশর্ত। তাকবীর সালাতের ভেতর সালাত ভিন্ন অন্য কর্ম হারামকারী এবং সালাম সালাত শেষে সালাত আদায়কারীর জন্য সকল হারামকৃত কর্ম হালালকারী”। [তিরমিযী, হাদীস নং ৩; আবু দাউদ, হাদীস নং ৬১; ইবন মাজাহ, হাদীস নং ২৭৬, ২৭৭।]
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِذَا قُمۡتُمۡ إِلَى ٱلصَّلَوٰةِ فَٱغۡسِلُواْ وُجُوهَكُمۡ وَأَيۡدِيَكُمۡ إِلَى ٱلۡمَرَافِقِ وَٱمۡسَحُواْ بِرُءُوسِكُمۡ وَأَرۡجُلَكُمۡ إِلَى ٱلۡكَعۡبَيۡنِ﴾ [ المائدة : ٦ ]
“হে ঈমানদারগণ! যখন তোমরা সালাতের উদ্দেশ্যে দণ্ডায়মান হবে (অথচ তোমাদের অযু নেই) তখন তোমরা তোমাদের সমস্ত মুখমণ্ডল এবং হাতগুলো কনুই পর্যন্ত ধৌত করবে। আর মাথা মাসাহ করবে ও পাগুলো টাখনু পর্যন্ত ধৌত করবে”। [সূরা আল-মায়েদাহ, আয়াত: ৬]
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لاَ تُقْبَلُ صَلاَةُ أَحَدِكُمْ إِذَا أَحْدَثَ حَتَّى يَتَوَضَّأَ»
“তোমাদের মধ্যকার কোনো অযুহীন ব্যক্তির সালাত গ্রহণ করা হবে না যতক্ষণ না সে অযু করে”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৩৫; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২২৫; আবু দাউদ, হাদীস নং ৬০।]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন,
«لاَ تُقْبَلُ صَلاَةٌ بِغَيْرِ طُهُوْرٍ وَلاَ صَدَقَةٌ مِنْ غُلُوْلٍ» .
“পবিত্রতা ব্যতীত কোনো সালাত কবুল করা হবে না। তেমনিভাবে আত্মসাৎ করা গণিমতের মাল থেকে কোনো সদকা গ্রাহ্য হবে না”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২২৪; আবু দাউদ, হাদীস নং ৫৯; ইবন মাজাহ, হাদীস নং ২৭১, ২৭৩, ২৭৪, ২৭৫।]
‘আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«مِفْتَاحُ الصَّلاَةِ الطُّهُوْرُ، وَتَحْرِيْمُهَا التَّكْبِيْرُ، وَتَحْلِيْلُهَا التَّسْلِيْمُ» .
“পবিত্রতা সালাতের চাবি তথা পূর্বশর্ত। তাকবীর সালাতের ভেতর সালাত ভিন্ন অন্য কর্ম হারামকারী এবং সালাম সালাত শেষে সালাত আদায়কারীর জন্য সকল হারামকৃত কর্ম হালালকারী”। [তিরমিযী, হাদীস নং ৩; আবু দাউদ, হাদীস নং ৬১; ইবন মাজাহ, হাদীস নং ২৭৬, ২৭৭।]