১
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে পবিত্রতা অর্জন করতেন
লেখকঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪৮
মোজা, পাগড়ী ও ব্যান্ডেজের উপর মাসাহ: ক. মোজার উপর মাসাহ করার বিধান:
মোজার উপর মাসাহ করা কুরআন, হাদীস ও ইজমা’ কর্তৃক প্রমাণিত। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَٱمۡسَحُواْ بِرُءُوسِكُمۡ وَأَرۡجُلَكُمۡ إِلَى ٱلۡكَعۡبَيۡنِ﴾ [ المائدة : ٦ ]
“তোমরা মাথা ও পদযুগল টাখনু পর্যন্ত মাসাহ কর”। [সূরা আল-মায়েদাহ, আয়াত: ৬, লামের নিচে যেরের ক্বিরাত অনুযায়ী]
সা‘দ ইবন আবু ওয়াক্কাস, মুগীরা ইবন শো‘বা, ‘আমর ইবন উমাইয়া, জারীর, হুযাইফা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে বর্ণিত, তারা বলেন,
«مَسَحَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم عَلَى الخُفَّيْنِ» .
“নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মোজা জোড়ার উপর মাসাহ করেছেন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২০২।]
এ ছাড়াও কমবেশি সত্তর জন সাহাবা মোজা মাসাহ সংক্রান্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে যার জন্য যা সহজ তার জন্য তাই করা উত্তম। অতএব, যে ব্যক্তি মোজা পরিধান করাবস্থায় রয়েছে এবং তার মোজায় মোজা মাসাহ’র শর্তগুলোও পাওয়া যাচ্ছে তার জন্য উচিত মোজা জোড়া না খুলে মোজার উপর মাসাহ করা। কারণ, তাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবীদের অনুসরণ ও অনুকরণ পাওয়া যাচ্ছে। আর যে ব্যক্তির পা উন্মুক্ত মোজা পরিহিতাবস্থায় নয় তার জন্য উচিত পদযুগল ধুয়ে ফেলা।
আব্দুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«إِنَّ اللهَ يُحِبُّ أَنْ تُؤْتَى رُخَصُهُ كَمَا يَكْرَهُ أَنْ تُؤْتَى مَعْصِيَتُهُ» .
“আল্লাহ তা‘আলা পছন্দ করেন তাঁর দেওয়া সুবিধাদি গ্রহণ করা। যেমনিভাবে তিনি অপছন্দ করেন তাঁর শানে কোনো পাপ সংঘটন করা”। [ইবন খুযাইমাহ ৯৫০, ২০২৭।]
আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ ও ‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তারা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«إِنَّ اللهَ يُحِبُّ أَنْ تُقْبَلَ رُخَصُهُ كَمَا يُحِبُّ أَنْ تُؤْتَى عَزَائِمُهُ» .
“আল্লাহ তা‘আলা পছন্দ করেন তাঁর দেওয়া সুবিধাদি গ্রহণ করা। যেমনিভাবে তিনি পছন্দ করেন তাঁর দেওয়া ফরযগুলো পালন করা”। [ইবন হিব্বান ৩৫৬৮।]
﴿وَٱمۡسَحُواْ بِرُءُوسِكُمۡ وَأَرۡجُلَكُمۡ إِلَى ٱلۡكَعۡبَيۡنِ﴾ [ المائدة : ٦ ]
“তোমরা মাথা ও পদযুগল টাখনু পর্যন্ত মাসাহ কর”। [সূরা আল-মায়েদাহ, আয়াত: ৬, লামের নিচে যেরের ক্বিরাত অনুযায়ী]
সা‘দ ইবন আবু ওয়াক্কাস, মুগীরা ইবন শো‘বা, ‘আমর ইবন উমাইয়া, জারীর, হুযাইফা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে বর্ণিত, তারা বলেন,
«مَسَحَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيه وسلم عَلَى الخُفَّيْنِ» .
“নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মোজা জোড়ার উপর মাসাহ করেছেন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২০২।]
এ ছাড়াও কমবেশি সত্তর জন সাহাবা মোজা মাসাহ সংক্রান্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে যার জন্য যা সহজ তার জন্য তাই করা উত্তম। অতএব, যে ব্যক্তি মোজা পরিধান করাবস্থায় রয়েছে এবং তার মোজায় মোজা মাসাহ’র শর্তগুলোও পাওয়া যাচ্ছে তার জন্য উচিত মোজা জোড়া না খুলে মোজার উপর মাসাহ করা। কারণ, তাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবীদের অনুসরণ ও অনুকরণ পাওয়া যাচ্ছে। আর যে ব্যক্তির পা উন্মুক্ত মোজা পরিহিতাবস্থায় নয় তার জন্য উচিত পদযুগল ধুয়ে ফেলা।
আব্দুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«إِنَّ اللهَ يُحِبُّ أَنْ تُؤْتَى رُخَصُهُ كَمَا يَكْرَهُ أَنْ تُؤْتَى مَعْصِيَتُهُ» .
“আল্লাহ তা‘আলা পছন্দ করেন তাঁর দেওয়া সুবিধাদি গ্রহণ করা। যেমনিভাবে তিনি অপছন্দ করেন তাঁর শানে কোনো পাপ সংঘটন করা”। [ইবন খুযাইমাহ ৯৫০, ২০২৭।]
আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ ও ‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তারা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«إِنَّ اللهَ يُحِبُّ أَنْ تُقْبَلَ رُخَصُهُ كَمَا يُحِبُّ أَنْ تُؤْتَى عَزَائِمُهُ» .
“আল্লাহ তা‘আলা পছন্দ করেন তাঁর দেওয়া সুবিধাদি গ্রহণ করা। যেমনিভাবে তিনি পছন্দ করেন তাঁর দেওয়া ফরযগুলো পালন করা”। [ইবন হিব্বান ৩৫৬৮।]