hadith book logo

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে পবিত্রতা অর্জন করতেন

লেখকঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৭৩

১. খাৎনা বা মুসলমানি করা:

খাৎনা বলতে পুরুষের লিঙ্গাগ্র ঢেকে রাখে এমন ত্বক ছেদনকেই বুঝানো হয়। তাতে পুরো লিঙ্গাগ্রটি উন্মুক্ত হয়ে যায়। তা পুরুষের জন্য ওয়াজিব।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক নবমুসলিমকে উদ্দেশ্য করে বলেন,

«أَلْقِ عَنْكَ شَعْرَ الْكُفْرِ وَاخْتَتِنْ» .

“কুফুরীর কেশ ফেলে দিয়ে খাৎনা করে নাও”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ৩৫৬।]

এ কারণেই ইবরাহীম আলাইহিস সালাম আশি বছর বয়সে নিজ খাৎনাকর্ম সম্পাদন করেন।

আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

«اِخْتَتَنَ إِبْرَاهِيْمُ وَهُوَ اِبْنُ ثَمَانِيْنَ سَنَةً بِالْقَدُّوْمِ» .

“ইবরাহীম আলাইহিস আশি বছর বয়সে কুড়াল দিয়ে নিজ খাৎনাকর্ম সম্পাদন করেন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৩৩৫৬, ৬২৯৮; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৩৭০।]

ইসলামী শরী‘আতে মহিলাদের খাৎনারও বিধান রয়েছে। তবে তা তাদের জন্য মুস্তাহাব। মহিলাদের খাৎনা বলতে ভগাঙ্কুরের উপরিভাগ একটুখানি কেটে দেওয়াকেই বুঝানো হয়।

উম্মে ‘আতিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, জনৈকা মহিলা মদীনা শহরে মেয়েদের খাৎনা করাতো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে উদ্দেশ্য করে বলেন,

«لاَ تُنْهِكِيْ، فَإِنَّ ذَلِكَ أَحْظَى لِلْمَرْأَةِ، وَأَحَبُّ إِلَى الْبَعْلِ» .

“ভগাঙ্কুরাগ্র একটু করে কেটে দিবে, বেশি নয়। কারণ, ভগাঙ্কুরটি মহিলাদের জন্য আনন্দদায়ক ও সুখকর এবং স্বামীর নিকট অধিক পছন্দনীয়”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ৫২৭১।]