১
২
ভূমিকা
৩
ইমাম ইবন তাইমিয়্যাহ রহ. বলেন, (পৃ. ১৬) অলৌকিক ঘটনা তিন প্রকার:
৪
অলৌকিক ঘটনার ব্যাপারে মু‘তাযিলাদের মতামত বিশ্লেষণ
৫
নবীগণের সত্যতার উপর প্রমাণবাহী নিদর্শনসমূহ
৬
প্রথম পরিচ্ছেদ: আল কুরআনের মু‘জিযা বা অপারগকারী হওয়া মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়তের প্রমাণ
৭
পরিচ্ছেদ : কুরআনের মু‘জিযার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে
৮
পরিচ্ছেদ : নবুওয়তের পূর্বাভাষ
৯
পরিচ্ছেদ: অহী নাযিলের ধরণ ও প্রকার
১০
পরিচ্ছেদ: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্বপ্ন সম্পর্কে
১১
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দৈহিক ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য
১২
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়তের অন্যতম প্রমাণ হচ্ছে তার নবুওয়তের ব্যাপারে পূর্ববর্তীদের প্রদত্ত সুসংবাদ
১৩
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: গনক, জিন ও আহলে কিতাবদের থেকে যা বর্ণিত হয়েছে সেসব কিছুও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়তের উপর প্রমাণ বহন করে
১৪
কতিপয় জিনের ইসলাম গ্রহণ
১৫
পঞ্চম পরিচ্ছেদ: গাছ-পালা, পাথর ও পশু-পাখির সাথে কথোপকথন ও সেগুলোর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আনুগত্য
১৬
ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়তের প্রমাণ: তাঁর সাথে জীব জন্তুর আচরণ
১৭
সপ্তম পরিচ্ছেদ: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়তের প্রমাণ: অল্প খাবার বেশী হওয়া
১৮
অষ্টম পরিচ্ছেদ: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়তের প্রমাণ: অল্প পানিতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বরকত
১৯
নবম পরিচ্ছেদ: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বরকতে আল্লাহ যাদেরকে শিফা (আরোগ্য) দান করেছেন। বরকত মূলত আল্লাহর তরফ থেকে বা আল্লাহ তাতে বরকত দান করেছেন ও সৌন্দর্য করেছেন।
২০
দশম পরিচ্ছেদ: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়তের প্রমাণ: গায়েবী বিষয়ে তাঁর সংবাদ দেওয়া এবং তিনি যেভাবে বলেছেন সেগুলো ঠিক সেভাবেই সংঘটিত হয়েছিল।
২১
একাদশ পরিচ্ছেদ: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক আহলে কিতাব ও অন্যান্যদের প্রশ্নের জবাব যা তারা গোপন রাখত।
২২
দ্বাদশ পরিচ্ছেদ: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়তের প্রমাণের মধ্যে, একদল লোক সম্পর্কে তাঁর সংবাদ দেওয়া যে, তারা জান্নাতী। যাদের সম্পর্কে তিনি সংবাদ দিয়েছেন তাদের কেউ পরিবর্তন বা বেঈমান হয়েছে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
২৩
ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ: খাতামুন নুবুওয়াহ তথা নবুওয়তের সীলমোহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়তের প্রমাণ
২৪
চতুর্দশ পরিচ্ছেদ: জাহেলী যুগের নানা অন্যায় কাজ থেকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুতঃপবিত্র ছিলেন।
২৫
পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ: চাঁদ দ্বিখন্ডিত হওয়া রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়তের প্রমাণ
২৬
ষোড়শ পরিচ্ছেদ: আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সব বিপাদাপদ থেকে রক্ষা করেছেন।
২৭
সপ্তদশ পরিচ্ছেদ: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়তের প্রমাণ
২৮
অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক কাফিরদের মুখে বালু ও পাথর কণা নিক্ষেপ
২৯
ঊনবিংশ পরিচ্ছেদ: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে যে ধোঁকা দেয় তাঁর শাস্তি
৩০
বিংশ পরিচ্ছেদ: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিরূদ্ধে যারা বিদ্রোহ করে তাদের শাস্তি
৩১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিরূদ্ধে যারা বিদ্রোহ করে ও আল্লাহকে নিয়ে উপহাস করে তাদের শাস্তি
৩২
একবিংশ পরিচ্ছেদ: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে ও পরবর্তী যুগে যারা নবুওয়তের মিথ্যাদাবী করেছিল তাদের মিথ্যাচার তিনি উন্মুক্ত করেছেন। এর দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত এবং আল্লাহ তাকে সাহায্য করেছেন ও তার নবুওয়তের স্বীকৃতি দিয়েছেন।
৩৩
দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দো‘আ কবুল হওয়া তাঁর নবুওয়তের প্রমাণ
৩৪
ত্রয়োবিংশ পরিচ্ছেদ: ইসরা ও ‘মিরাজের রাত্রিতে আল্লাহ তাঁর নবীকে যা দেখিয়েছেন তা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়তের প্রমাণ
৩৫
চতুর্বিংশ পরিচ্ছেদ: মক্কায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে বাইতুল মুকাদ্দাস পেশ করা ও তা দেখে বাইতুল মুকাদ্দাসের বর্ণনা দেওয়া।
৩৬
পঞ্চবিংশ পরিচ্ছেদ: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পোশাকের দ্বারা কিছু সাহাবী বরকত গ্রহণ করেছেন।
৩৭
ষষ্ঠবিংশ পরিচ্ছেদ: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ফিরিশতাগনের জিহাদে শরিক হওয়া।
৩৮
সপ্তবিংশ পরিচ্ছেদ: আল্লাহ তা‘আলা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বিশুদ্ধভাষা ও বাগ্মিতা দান করেছেন।
৩৯
অষ্টাবিংশ পরিচ্ছেদ: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর যে রহমত নাযিল হয়েছে।
৪০
ঊনত্রিশতম পরিচ্ছেদ: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ব্যবহৃত পানি ও চুলের দ্বারা সাহাবীগণের বরকত লাভ।
৪১
ত্রিশতম পরিচ্ছেদ: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঘামের সুঘ্রাণ
৪২
একত্রিশতম পরিচ্ছেদ: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ব্যবহৃত পানি দ্বারা বরকত হাসিল।
৪৩
বত্রিশতম পরিচ্ছেদ: আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য মানুষের শ্রবণশক্তি খুলে দেন, ফলে তারা অনেক দূরবর্তী স্থান থেকেও তাঁর কথা শুনতে পান।
৪৪
তেত্রিশতম পরিচ্ছেদ: আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দ্বারা আহলে কিতাবদের মুখোশ উম্মোচণ করেছেন।
৪৫
চৌত্রিশতম পরিচ্ছেদ: আল্লাহ তা‘আলা তাঁর নবীর মধ্যে যে বরকত দান করেছেন তা তাঁর নবুওয়তের প্রমাণ
৪৬
পয়ত্রিশতম পরিচ্ছেদ: কা‘ব ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু ও তাঁর সাথীদ্বয়ের তাওবার ঘটনা এবং এ থেকে শিক্ষা। এটা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়তের প্রমাণ।
৪৭
ছত্রিশতম পরিচ্ছেদ: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়তের প্রমাণের মধ্যে আরেকটি হলো তিনি সালাতে তাঁর পিছনের দিকের অবস্থা দেখতে পেতেন।
৪৮
সাঁইত্রিশতম পরিচ্ছেদ: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসারীদের কিছু কারামত তাঁর নবুওয়তের প্রমাণের মধ্যে অন্যতম।
৪৯
হকের উপর কায়েম থাকা সবচেয়ে বড় কারামত এটা অলীদের কারামতের মধ্যে শামিল করার কারণ।
৫০
আটত্রিশতম পরিচ্ছেদ: সালেহীন তথা নেকবান্দাহদের স্বপ্ন
৫১
ঊনচল্লিশতম পরিচ্ছেদ: কাসাসুল আম্বিয়া তথা নবীগণের ঘটনা
৫২
আদম ও হাওয়া আলাইহিমাস সালামের ঘটনা
৫৩
নূহ আলাইহিস সালাম
৫৪
হূদ আলাইহিস সালাম ও তাঁর সম্প্রদায় ‘আদ
৫৫
সালেহ আলাইহিস সালাম ও সামূদ জাতি
৫৬
ইবরাহীম আলাহিস সালামের ঘটনা
৫৭
আল্লাহর নবী শো‘আইব আলাইহিস সালাম ও তাঁর জাতির ঘটনা
৫৮
আল্লাহর নবী লূত আলাইহিস সালাম ও তাঁর জাতির ঘটনা
৫৯
ইসমাঈল আলাইহিস সালাম ও তাঁর মাতা হাজির আলাইহাস সালামের ঘটনা
৬০
আল্লাহর নবী ইউসুফ আলাইহিস সালামের ঘটনা
৬১
আল্লাহর নবী আইয়ুব আলাইহিস সালাম
৬২
আল্লাহর নবী মূসা আলাইহিস সালাম ও তাঁর জাতি
৬৩
আল্লাহর নবী মূসা আলাইহিস সালাম তাঁর রবের কাছে সর্বোচ্চ জান্নাতীর মর্যারা আর সর্বনিম্ন জান্নাতীর মর্যাদা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা।
৬৪
মূসা আলাইহিস সালাম কর্তৃক মালাকুল মাউতকে প্রহার
৬৫
আল্লাহর নবী হারুন আলাইহিস সালামের ঘটনা
৬৬
আল্লাহর নবী দাউদ ও সুলাইমান আলাইহিমাস সালাম
৬৭
আল্লাহর নবী সুলাইমান আলাইহিস সালাম
৬৮
আল্লাহর নবী ইউনূস আলাইহিস সালাম
৬৯
আল্লাহর নবী যাকারিয়া ও ইয়াহইয়া আলাইহিমাস সালাম
৭০
আল্লাহর নবী ঈসা আলাইহিস সালাম ও তাঁর মাতা মারইয়াম আলাইহাস সালাম
৭১
কুরআনের অস্পষ্টভাবে উল্লেখিত নবীগণের আলোচনা
৭২
চল্লিশতম পরিচ্ছেদ: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক ভবিষ্যৎবাণী
৭৩
আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর খলিফা হওয়ার ইশারা
৭৪
শাইখাইন তথা আবু বকর ও উমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমার খিলাফাতের ইঙ্গিত
৭৫
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর পরে যারা মুরতাদ হবে তাদের সম্পর্কে ভবিষ্যৎবাণী
৭৬
তাবেঈগণ সাহাবীদের থেকে এবং তাবেতাবেঈনগন তাবেঈদের থেকে ইলম শুনবে ও শিখবে।
৭৭
অধিক ভূমিকম্প হবে।
৭৮
ছোটদের থেকে বাদশাহ হবে, বড়দের মাঝে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়বে এবং অপাত্রে ইলম হবে।
৭৯
মানুষের মাঝে মদপান ও যেনা ব্যভিচার বেড়ে যাবে।
৮০
মুসলমানের বড় দু’টি দলের মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হবে।
৮১
সাহাবীরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর পর তাঁকে দেখার আকাঙ্ক্ষা করবে।
৮২
ওয়াইস করনী সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎবাণী
৮৩
যেসব লোক কুরআনের মুতাশাবিহাতের অনুসরণ করবে তাদের সম্পর্কে সংবাদ দেওয়া।
৮৪
প্রথম তিন শতাব্দীর লোকদের ইসতিকামাত তথা দীনের উপর অটল থাকার সংবাদ।
৮৫
মুসলিমগণ কিছু দেশ জয়লাভ করবে এবং কিছু মানুষ মদিনা থেকে বেরিয়ে যাবে।
৮৬
উমর ইবন খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর শাহাদাতের সংবাদ
৮৭
উসমান রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর শাহাদাতের সংবাদ
৮৮
ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা সর্বপ্রথম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মিলিত হবেন।
৮৯
প্রথম তিন শতাব্দীতে ইসলামী বিজয় সাধিত হবে।
৯০
যাইনাব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীদের মধ্যে সর্বপ্রথম তাঁর সাথে মিলিত হবে।
৯১
আলী ও মু‘আবিয়া রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমার মধ্যকর বিবেদ ও আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু মু‘আবিয়া রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর চেয়ে শ্রেষ্ঠ।
৯২
মু‘আবিয়া রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর সাথে হাসান রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর সমজোতা।
৯৩
‘আম্মার ইবন ইয়াসির রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর শাহাদাত
৯৪
খাইবার থেকে ইয়াহুদীরা বিতাড়িত হবে।
৯৫
এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে জিহাদে শরিক হয়েছেন, অথচ সে জাহান্নামে যাবে।
৯৬
তাঁর উম্মতের কিছু লোক জিহাদের জন্য সমুদ্রযানে আরোহণ করবে।
৯৭
মিশর বিজয় সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎবাণী
৯৮
আনসারগণ যেসব নিদর্শণ পাবে সে সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎবাণী
৯৯
আনসারগণের সংখ্যা হ্রাস পাওয়া সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎবাণী
১০০
হাজ্জাজ ইবন ইউসূফের অত্যাচার ও মুখতার ইবন আবী উবাইদ আস-সাকাফীর মিথ্যাচার সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎবাণী
১০১
আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর হাতে খাইবার বিজয় সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎবাণী
১০২
পারস্য বিজয় সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎবাণী
১০৩
হিরা বিজয় সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎবাণী
১০৪
রোম ও পারস্য ধ্বংস ও তা মুসলিমগণের বিজয় সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎবাণী
১০৫
মদীনায় যেসব ফিতনা সংঘটিত হবে সে সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎবাণী
১০৬
একদল হকপন্থী বিজয়ী দল ও কিয়ামত পর্যন্ত টিকেথাকার ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎবাণী
১০৭
নবুওয়তের মিথ্যাদাবীদার কিছু দাজ্জাল সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎবাণী
১০৮
মানুষ আল্লাহর শুরু সম্পর্কে সন্দেহ করবে এ ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎবাণী
১০৯
কিছু ফিতনা সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎবাণী, যা তাঁর ইন্তিকালের পরে সংঘটিত হয়েছিল।
১১০
মুসলিমগণ যখন সুদ ও দুনিয়াদারীতে পতিত হবে তখন তাদের অধঃপতন সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎবাণী
১১১
সূদের দ্বারা সম্পদ বাড়ালে পরিণামে তার সম্পদ হ্রাসপ্রাপ্ত হবেই।
১১২
জালিম শাসকদের সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎবাণী
১১৩
মানুষ অজ্ঞ লোকদেরকে রাজা বাদশাহ বানাবে।
১১৪
মহামারী মদীনায় প্রবেশ করতে পারবে না।
১১৫
আমার উম্মত তিয়াত্তর দলে বিভক্ত হবে।
১১৬
ইলম উঠে যাবে এবং যিনা ব্যভিচার বৃদ্ধি পাবে।
১১৭
তুর্কীদের সাথে মুসলিমদের যুদ্ধ হবে।
১১৮
তাঁর উম্মত দুনিয়ার ব্যাপারে অতিউৎসাহী হবে।
১১৯
কিছু লোক কুরাআন বেচে খাবে।
১২০
শাসকগোষ্ঠী ও আলেম ও ইসলামী দলের মাঝে পরস্পর শত্রুতা থাকবে।
১২১
তাঁর উম্মত ইসলামের শত্রুর অনুসরণ করবে।
১২২
তাঁর উম্মতের কিছু লোক হালাল হারাম উপার্জনের ক্ষেত্রে পরোয়া করবে না।
১২৩
পথভ্রষ্ট আহলে কুরআনীদের সম্পর্কে সংবাদ।
১২৪
নিঃস্ব দরিদ্র লোকেরা বিরাট বিরাট অট্রালিকার মালিক হওয়ার প্রতিযোগিতায় গর্বিত হবে।
১২৫
খাওয়ারিজদের আবির্ভাব ঘটবে।
১২৬
মুশরিকরা বদরের যুদ্ধে পরাজিত হবে।
১২৭
বাইতুল মুকাদ্দিস বিজয়ের ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎবাণী
১২৮
তাঁর পরে বারোজন আমীরেব আবির্ভাব হবে।
১২৯
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরে কিছু কল্যাণ ও ফিতনা সম্পর্কে ভবিষ্যৎবাণী
১৩০
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরে যামানা পরিবর্তন হবে সে ব্যাপারে ভবিষ্যৎবাণী
১৩১
তাঁর মৃত্যুর একশত বছর পরে তাঁর কোনো সাহাবী জীবিত থাকবেন না
১৩২
আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর হিফযের ব্যাপারে আল্লাহর বরকত।
১৩৩
বৃষ্টির রাতে লাইলাতুল কদর হবে।
১৩৪
সালেহীন তথা নেককার লোকেরা ক্রমান্বয়ে চলে যাবেন।
১৩৫
তিনি তাঁর স্ত্রী আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহার আগে মারা যাবেন।
১৩৬
তাঁর উম্মতের কিছু লোক কিছু হারামকে হালাল মনে করবে।
১৩৭
মুশরিকরা খন্দকের যুদ্ধের পরে মদীনায় এসে যুদ্ধ করবে না, বরং মদীনাবাসিরাই তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে।
১৩৮
সা‘দ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর দ্বারা কিছু লোক উপকৃত হবে এবং কিছু লোক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। মুসলমানেরা তাঁর দ্বারা উপকৃত হয়েছে এবং পারসিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
১৩৯
তাঁর হায়াত শেষ হয়ে যাচ্ছে।
১৪০
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা তাঁর স্ত্রী হবেন।
১৪১
তিনি আবু বকর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর আগে ইনতেকাল করবেন।
১৪২
খাইবার বিজয় সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎবাণী
১৪৩
উমাইয়্যাহ ইবন খালফ নিহত হবে।
১৪৪
জাবির রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু ও তাঁর পরিবারে গালিচার কার্পেট হবে।
১৪৫
তাঁর ইনতেকালের পরে মানুষ নিরাপত্তা লাভ করবে এবং বাস্তবে তা হয়েছে।
১৪৬
তিনি স্বপ্নে দেখেন যে, তিনি এমন এক দেশে হিজরত করবেন সেখানে খেজুর গাছ আছে।
১৪৭
আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে জানিয়ে দিয়েছেন য, তাঁর মৃত্যু সন্নিকটে।
১৪৮
তাঁর মৃত্যুর পরে তাঁর উম্মতেরা তাঁর দ্বীনি ভাই হবে।
১৪৯
আরব বিশ্বে যা হবে সে সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎবাণী
১৫০
কুরাইশ নেতাদের নিহত হওয়ার স্থান সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎবাণী
১৫১
তিনি গোপনে দাওয়াত দেওয়ার পরে প্রকাশ্যে দাওয়াত দিবেন
১৫২
হিজাজ থেকে আগুন বের হবে এবং তাতে বসরার উটের ঘাড় আলোকিত হয়ে যাবে।
১৫৩
তাঁর উম্মতেরা মসজিদ কারুকার্য করার ব্যাপারে গর্ব করবে।
১৫৪
তাঁর পরে মুজাদ্দিদগণের আগমন হবে যারা দীনের সংস্কার করবে।
১৫৫
নবুওয়তের খিলাফতের সময়কাল হলো ত্রিশ বছর।
১৫৬
কিয়ামতের নিদর্শনাবলী হলো মালের প্রাচুর্য এবং আধিক্য, ব্যবসা বৃদ্ধি পাবে আর বিদ্যা বিলুপ্ত হবে।
১৫৭
শেষ যমানায় কিছু লোক হবে কালো খিযাব লাগাবে
১৫৮
পারস্যের উপর রোমের বিজয় সাধিত হবে।
১৫৯
বস্ত্র পরিহিত হয়েও বিবস্ত্রা স্ত্রীলোক সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎবাণী
১৬০
শেষ জামানায় মানুষের মধ্যে আমানতদারীতা কমে যাবে।
১৬১
তাঁর কিছু সাহাবী পরীক্ষায় পতিত হবেন।
১৬২
যে ব্যক্তি মানুষের সম্পদ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে গ্রহণ করে তাঁর শাস্তি।
১৬৩
সিরিয়া বিজয় সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎবাণী
১৬৪
পরিসমাপ্তি
সহীহ হাদীসের আলোকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়তের প্রমাণ
লেখকঃ শাইখ মুকবিল ইবন হাদী আল ওয়াদি‘য়ী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮৩
যেসব লোক কুরআনের মুতাশাবিহাতের অনুসরণ করবে তাদের সম্পর্কে সংবাদ দেওয়া।
عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ : تَلَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : { هُوَ الَّذِي أَنْزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ مِنْهُ آيَاتٌ مُحْكَمَاتٌ هُنَّ أُمُّ الْكِتَابِ وَأُخَرُ مُتَشَابِهَاتٌ، فَأَمَّا الَّذِينَ فِي قُلُوبِهِمْ زَيْغٌ فَيَتَّبِعُونَ مَا تَشَابَهَ مِنْهُ ابْتِغَاءَ الْفِتْنَةِ وَابْتِغَاءَ تَأْوِيلِهِ، وَمَا يَعْلَمُ تَأْوِيلَهُ إِلَّا اللهُ، وَالرَّاسِخُونَ فِي الْعِلْمِ يَقُولُونَ آمَنَّا بِهِ كُلٌّ مِنْ عِنْدِ رَبِّنَا، وَمَا يَذَّكَّرُ إِلَّا أُولُو الْأَلْبَابِ } قَالَتْ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : «إِذَا رَأَيْتُمُ الَّذِينَ يَتَّبِعُونَ مَا تَشَابَهَ مِنْهُ، فَأُولَئِكَ الَّذِينَ سَمَّى اللهُ فَاحْذَرُوهُمْ» .
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিলাওয়াত করলেন, “তিনিই তোমার প্রতি এই কিতাব অবতীর্ণ করেছেন, যার কতক আয়াত সুম্পষ্ট দ্যর্থহীন; এইগুলো কিতাবের মূল অংশ আর অন্যগুলো রুপক। যাদের অন্তরে সত্য-লঙ্ঘন প্রবণতা রয়েছে, শুধু উভই ফিতনা এবং ভুল ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যে যা রুপক তার অনুসরণ করে। বস্তুতঃ আল্লাহ ব্যতীত অন্য কেউ এর ব্যাখ্যা জানে না; আর যারা জ্ঞানে সুগভীর তারা বলে, আমরা এতে বিশ্বাস করি, সমস্তই আমাদের প্রতিপালকের নিকট থেকে আগত এবং বোধশক্তি সস্পন্নরা ব্যতীত অপর কেউ শিক্ষা “গ্রহণ করে না।” [সূরা আলে ইমরান: ৭] তিনি (আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা) বললেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা সে সব লোকদের দেখতে পাবে যারা সাদৃশ্যপূর্ণ আয়াতের অর্থের সন্ধ্যানে ব্যাপৃত, এরাই সে সব ব্যক্তি, যাদের কথা আল্লাহ উল্লেখ করেছেন, তখন আমরা তাদের থেকে দূরে থাকবো। [মুসলিম, হাদীস নং ২৬৬৫।]
আবু আব্দুর রহমান বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে সংবাদ দিয়েছেন সেভাবেই তা প্রতিফলিত হয়েছে। বিদ‘আতী ও আল্লাহদ্রোহীরা সর্বদা মুতাশাবিহাত আয়াত দ্বারাই দলিল দিয়ে থাকে।
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিলাওয়াত করলেন, “তিনিই তোমার প্রতি এই কিতাব অবতীর্ণ করেছেন, যার কতক আয়াত সুম্পষ্ট দ্যর্থহীন; এইগুলো কিতাবের মূল অংশ আর অন্যগুলো রুপক। যাদের অন্তরে সত্য-লঙ্ঘন প্রবণতা রয়েছে, শুধু উভই ফিতনা এবং ভুল ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যে যা রুপক তার অনুসরণ করে। বস্তুতঃ আল্লাহ ব্যতীত অন্য কেউ এর ব্যাখ্যা জানে না; আর যারা জ্ঞানে সুগভীর তারা বলে, আমরা এতে বিশ্বাস করি, সমস্তই আমাদের প্রতিপালকের নিকট থেকে আগত এবং বোধশক্তি সস্পন্নরা ব্যতীত অপর কেউ শিক্ষা “গ্রহণ করে না।” [সূরা আলে ইমরান: ৭] তিনি (আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা) বললেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা সে সব লোকদের দেখতে পাবে যারা সাদৃশ্যপূর্ণ আয়াতের অর্থের সন্ধ্যানে ব্যাপৃত, এরাই সে সব ব্যক্তি, যাদের কথা আল্লাহ উল্লেখ করেছেন, তখন আমরা তাদের থেকে দূরে থাকবো। [মুসলিম, হাদীস নং ২৬৬৫।]
আবু আব্দুর রহমান বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে সংবাদ দিয়েছেন সেভাবেই তা প্রতিফলিত হয়েছে। বিদ‘আতী ও আল্লাহদ্রোহীরা সর্বদা মুতাশাবিহাত আয়াত দ্বারাই দলিল দিয়ে থাকে।
Bangla
English
Bangla
Indonesian
Urdu
রিডিং সেটিংস
আরবি ফন্ট নির্বাচন
Kfgq Hafs
Madinah Mushaf (Qcf V1)
Kfgq Hafs
Indopak
Scheherazade
অনুবাদ ফন্ট নির্বাচন
Kalpurush
Kalpurush
Rajdip
Bensen
Ekushe
Alinur Nakkhatra
Dhakaiya
Saboj Charulota
Niladri Nur
25
16
সাধারণ সেটিংস
এই সদাকা জারিয়ায় অংশীদার হোন
মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।
সাপোর্ট করুন