১
সাহিত্যিক মাওলানা আহমাদ আলী
লেখকঃ হাদীছ ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
সমাজ সংস্কার :
(ক) তামাক বিরোধী আন্দোলন : হাকিমপুরে অবস্থানকালে কর্ম জীবনের শুভ সূচনাতেই মাওলানা আহমাদ আলী হুঁকা-তামাক ও সিগারেট বিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলেন, যা ‘তামাক বিরোধী আন্দোলন’ রূপে খ্যাতি লাভ করে। এদেশে প্রথম সিগারেট চালুকারী ইংরেজদের বিরুদ্ধে অসহযোগ নীতির অংশ হিসাবে মাওলানার এই আন্দোলন তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যথেষ্ট গুরুত্বের দাবী রাখে।
(খ) কবরপূজা বিরোধী আন্দোলন :
মুসলিম সমাজে অনুপ্রবিষ্ট নানাবিধ শিরক ও বিদ‘আতের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন আপোষহীন সংগ্রামী। বিশেষ করে মৃত পীরের অসীলায় মুক্তি পাওয়ার ধোঁকায় পড়ে হাযার হাযার মুসলমান যেভাবে কবরপূজার শিরকে লিপ্ত হচ্ছে, তিনি আজীবন এর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে গেছেন।
(গ) বন্ধকী প্রথা বিলোপ আন্দোলন :
বন্ধকী প্রথার নামে যে গলাকাটা সূদীপ্রথা গ্রামে-গঞ্জে চালু আছে, তিনি এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হন এবং ওয়ায-নছীহত ও লেখনীর মাধ্যমে এই অত্যাচারমূলক অর্থলগ্নিপ্রথা বিলোপের চেষ্টা চালিয়ে যান। দুঃখের বিষয় হ’ল, মানুষের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের অর্থশালী কিছু লোক আসল টাকা ছাড়াও জমির ফসল লাভের এই অতি লাভজনক সূদী কারবারে ওৎপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। অনেক আলেমও এই কাজে জড়িয়ে ছিলেন ও এর পক্ষে ফৎওয়া দিতেন। মাওলানা আহমাদ আলী সর্বদা তীব্রভাবে এর প্রতিবাদ করে গেছেন।
(ঘ) ঐক্যবদ্ধ জুম‘আ মসজিদ ও ঈদগাহ কায়েম :
তিনি বিভিন্ন জুম‘আ মসজিদকে ওয়াক্তিয়া করে দিয়ে সকলের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে জুম‘আ মসজিদ কায়েম করতেন। একইভাবে তিনি একাধিক ঈদগাহকে একটি ঐক্যবদ্ধ ঈদগাহে পরিণত করতেন। এ জন্য প্রথমে নিজ এলাকায় বুলারাটি, মাহমূদপুর ও তালবেড়ের তিনটি ঈদগাহ একত্রিত করে বর্তমানের ‘ছাদেকের আমবাগানে’ ঐক্যবদ্ধ ঈদগাহ কায়েম করেন। যা আজও আছে। তাঁর কনিষ্ঠ পুত্রের উদ্যোগে ১৯৯১ সালে ঈদগাহর আয়তন বৃদ্ধি করা হয় এবং চারপাশে পাকা প্রাচীর দেওয়া হয়। অতঃপর ২০১১ সালের নভেম্বরে তার উদ্যোগে সর্বপ্রথম ঈদগাহ অভিমুখী রাস্তা নির্মান করা হয়।
(ঙ) জনস্বাস্থ্য সেবায় অবদান :
সে যুগে সাধারণতঃ বন-জঙ্গল ও বাঁশঝাড়ের আড়ালে পেশাব-পায়খানা সারা হ’ত। মাওলানা এগুলির বিরুদ্ধে সর্বদা কঠোর ছিলেন। তিনি ছাত্রদের নিয়ে কাঁচা পায়খানা ঘর বানাতেন এবং যেখানে জালসা করতে যেতেন, সেখানে আগেই খোঁজ নিতেন পায়খানা ঘর আছে কি-না। না থাকলে করার তাকীদ দিতেন। এভাবে গ্রামে-গঞ্জে স্যানিটেশন ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য সেবায় বড় ভূমিকা রাখতেন।
(খ) কবরপূজা বিরোধী আন্দোলন :
মুসলিম সমাজে অনুপ্রবিষ্ট নানাবিধ শিরক ও বিদ‘আতের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন আপোষহীন সংগ্রামী। বিশেষ করে মৃত পীরের অসীলায় মুক্তি পাওয়ার ধোঁকায় পড়ে হাযার হাযার মুসলমান যেভাবে কবরপূজার শিরকে লিপ্ত হচ্ছে, তিনি আজীবন এর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে গেছেন।
(গ) বন্ধকী প্রথা বিলোপ আন্দোলন :
বন্ধকী প্রথার নামে যে গলাকাটা সূদীপ্রথা গ্রামে-গঞ্জে চালু আছে, তিনি এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হন এবং ওয়ায-নছীহত ও লেখনীর মাধ্যমে এই অত্যাচারমূলক অর্থলগ্নিপ্রথা বিলোপের চেষ্টা চালিয়ে যান। দুঃখের বিষয় হ’ল, মানুষের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের অর্থশালী কিছু লোক আসল টাকা ছাড়াও জমির ফসল লাভের এই অতি লাভজনক সূদী কারবারে ওৎপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। অনেক আলেমও এই কাজে জড়িয়ে ছিলেন ও এর পক্ষে ফৎওয়া দিতেন। মাওলানা আহমাদ আলী সর্বদা তীব্রভাবে এর প্রতিবাদ করে গেছেন।
(ঘ) ঐক্যবদ্ধ জুম‘আ মসজিদ ও ঈদগাহ কায়েম :
তিনি বিভিন্ন জুম‘আ মসজিদকে ওয়াক্তিয়া করে দিয়ে সকলের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে জুম‘আ মসজিদ কায়েম করতেন। একইভাবে তিনি একাধিক ঈদগাহকে একটি ঐক্যবদ্ধ ঈদগাহে পরিণত করতেন। এ জন্য প্রথমে নিজ এলাকায় বুলারাটি, মাহমূদপুর ও তালবেড়ের তিনটি ঈদগাহ একত্রিত করে বর্তমানের ‘ছাদেকের আমবাগানে’ ঐক্যবদ্ধ ঈদগাহ কায়েম করেন। যা আজও আছে। তাঁর কনিষ্ঠ পুত্রের উদ্যোগে ১৯৯১ সালে ঈদগাহর আয়তন বৃদ্ধি করা হয় এবং চারপাশে পাকা প্রাচীর দেওয়া হয়। অতঃপর ২০১১ সালের নভেম্বরে তার উদ্যোগে সর্বপ্রথম ঈদগাহ অভিমুখী রাস্তা নির্মান করা হয়।
(ঙ) জনস্বাস্থ্য সেবায় অবদান :
সে যুগে সাধারণতঃ বন-জঙ্গল ও বাঁশঝাড়ের আড়ালে পেশাব-পায়খানা সারা হ’ত। মাওলানা এগুলির বিরুদ্ধে সর্বদা কঠোর ছিলেন। তিনি ছাত্রদের নিয়ে কাঁচা পায়খানা ঘর বানাতেন এবং যেখানে জালসা করতে যেতেন, সেখানে আগেই খোঁজ নিতেন পায়খানা ঘর আছে কি-না। না থাকলে করার তাকীদ দিতেন। এভাবে গ্রামে-গঞ্জে স্যানিটেশন ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য সেবায় বড় ভূমিকা রাখতেন।