hadith book logo

সাহিত্যিক মাওলানা আহমাদ আলী

লেখকঃ হাদীছ ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৯

আলহাজ্জ যমীরুদ্দীন :

রফী মাহমূদের ইন্তেকালের পর তদীয় পুত্র আলহাজ্জ যমীরুদ্দীন পিতার সুনাম আরো বৃদ্ধি করেন। জমিদারী রক্ষা ছাড়াও নিকটবর্তী সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ সড়কের পূর্ব পার্শ্বে জংগল ছাফ করে পথিক জনসাধারণের সুবিধার্থে তিনি সেখানে বিরাট পুষ্করিণী খনন করেন ও তার চারপাশে বিরাট এলাকা ব্যাপী আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল, নারিকেল, তাল প্রভৃতি বিভিন্ন প্রকারের ফলদ বৃক্ষরাজির সুশোভিত বাগান রচনা করেন। কিন্তু পাকিস্তান আমলে আইয়ূব সরকারের সময় (১৯৫৮-১৯৬৯ খৃঃ) খুলনা-কালিগঞ্জ মহাসড়ক নির্মাণকালে রাস্তা সোজা করার অজুহাতে বাগানের পশ্চিমাংশ নিশ্চিহ্ন করা হ’লে বাকী অংশগুলো থেকে বাগান ক্রমে বিলুপ্ত হয়ে বর্তমানে সেগুলো ফসলী জমিতে পরিণত হয়েছে। তিনি পুকুরের দক্ষিণ পাড়ে পাকা ঘাট, পাকা ছালাতগাহ ও হাটখোলা প্রতিষ্ঠা করেন, যা আজও আছে। তবে সংস্কারের অভাবে ঘাটটি প্রায় নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি গ্রামের জুম‘আ মসজিদ সংস্কার করেন এবং তার সাথে একটি নিয়মিত ফুরকানিয়া মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। যা আজও চালু আছে। মাওলানার কনিষ্ঠ পুত্রের মাধ্যমে কুয়েতী দাতাসংস্থার অর্থায়নে ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দে মসজিদটি ভেঙ্গে নতুনভাবে দোতলা করা হয়েছে এবং পুরুষ ও মহিলা সকল মুছল্লীর জন্য নীচতলায় ও দোতলায় পৃথক ভাবে ছালাত ও ওযূখানার ব্যবস্থা করা হয়েছে।