১
সাহিত্যিক মাওলানা আহমাদ আলী
লেখকঃ হাদীছ ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
বংশধারা :
আরবদেশ থেকে আগত মাওলানা সৈয়দ শাহ নাযীর আলী আল-মাগরেবী (রহঃ) থেকে এই বংশের সূত্রপাত হয়েছে। আল্লাহর ঐকান্তিক রহমতে এই বংশ শুরু থেকেই ‘আহলেহাদীছ’ ছিল এবং এই বংশে চিরদিন প্রতি স্তরে অন্ততঃ একজন করে যোগ্য আলেম ছিলেন। মাওলানা আব্দুল্লাহ, মাওলানা সিরাজুল ঈমান, মাওলানা আব্দুর রহমান প্রমুখ ওলামায়ে কেরাম ছিলেন এই বংশেরই কৃতী সন্তান। মাওলানা আহমাদ আলী ছিলেন তাঁদেরই যোগ্য উত্তরসূরী। নিম্নে তাঁর বংশধারা প্রদত্ত হ’ল।-
১। মাওলানা সৈয়দ শাহ নযীর আলী আল-মাগরেবী
২। উযীর আলী
৩। আবদুল হালীম
৪। রফী মাহমূদ
৫। আলহাজ্জ যমীরুদ্দীন
৬। মুনশী যীনাতুল্লাহ
৭। মাওলানা আহমাদ আলী (রাহেমাহুমুল্লাহ)।
ঊর্ধ্বতন ৬ষ্ঠ পিতৃপুরুষ মাওলানা সৈয়দ শাহ নযীর আলী আল-মাগরেবী একজন যবরদস্ত আলেম ছিলেন। ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে তিনি ‘আল-মাগরিব’ অর্থাৎ মরক্কো বা আরব দেশ হ’তে এদেশে আগমন করেন। তাঁর উন্নত চরিত্র মাধুর্যে ও হাদীছ ভিত্তিক তাবলীগে মুগ্ধ হ’য়ে পশ্চিম বঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা যেলাধীন বারাসাত মহকুমার ‘ফল্তী’ এলাকার লোকেরা ‘আহলেহাদীছ’ হ’য়ে যান। তিনি উক্ত গ্রামের নামযাদা কুলীন বংশ ‘মন্ডল পরিবারে’ মন্ডলের (সর্দারের) কন্যার পাণি গ্রহণ করেন এবং এদেশেই স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। বলা বাহুল্য, তখন থেকে তাঁর বংশ ‘সৈয়দ বংশের’ বদলে স্ত্রী সূত্রে ‘মন্ডল বংশ’ নামেই খ্যাতি লাভ করে।[1]
১। মাওলানা সৈয়দ শাহ নযীর আলী আল-মাগরেবী
২। উযীর আলী
৩। আবদুল হালীম
৪। রফী মাহমূদ
৫। আলহাজ্জ যমীরুদ্দীন
৬। মুনশী যীনাতুল্লাহ
৭। মাওলানা আহমাদ আলী (রাহেমাহুমুল্লাহ)।
ঊর্ধ্বতন ৬ষ্ঠ পিতৃপুরুষ মাওলানা সৈয়দ শাহ নযীর আলী আল-মাগরেবী একজন যবরদস্ত আলেম ছিলেন। ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে তিনি ‘আল-মাগরিব’ অর্থাৎ মরক্কো বা আরব দেশ হ’তে এদেশে আগমন করেন। তাঁর উন্নত চরিত্র মাধুর্যে ও হাদীছ ভিত্তিক তাবলীগে মুগ্ধ হ’য়ে পশ্চিম বঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা যেলাধীন বারাসাত মহকুমার ‘ফল্তী’ এলাকার লোকেরা ‘আহলেহাদীছ’ হ’য়ে যান। তিনি উক্ত গ্রামের নামযাদা কুলীন বংশ ‘মন্ডল পরিবারে’ মন্ডলের (সর্দারের) কন্যার পাণি গ্রহণ করেন এবং এদেশেই স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। বলা বাহুল্য, তখন থেকে তাঁর বংশ ‘সৈয়দ বংশের’ বদলে স্ত্রী সূত্রে ‘মন্ডল বংশ’ নামেই খ্যাতি লাভ করে।[1]