১
সাহিত্যিক মাওলানা আহমাদ আলী
লেখকঃ হাদীছ ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২২
সাংগঠনিক জীবন :
খুলনা, যশোর, ফরিদপুর, চবিবশ পরগনা, হুগলী, বর্ধমান প্রভৃতি এলাকায় আহলেহাদীছ আন্দোলনের নেতা হিসাবে মাওলানা আহমাদ আলী সমধিক পরিচিত ছিলেন। তবে ১৯৪৭-এর পরে তাঁর প্রায় সকল কর্মোদ্যোগ পূর্ব পাকিস্তানেই (বর্তমান বাংলাদেশে) কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়ে।
বিশৃংখল সমাজকে তিনি ধর্মীয়ভাবে সংগঠিত করে গড়ে তোলার বাসনা পোষণ করতেন। এতদুদ্দেশ্যে তিনি সম্ভবতঃ ১৯৪৩ সালে পশ্চিমবঙ্গের চন্ডীপুরের প্রখ্যাত আলেম মাওলানা আব্দুল মান্নান আল-আযহারীকে (মৃত্যু ১৯৮৪ সালে খুলনার আড়ং ঘাটায়) সভাপতি ও স্বীয় প্রিয় ছাত্র যশোরের মৌলবী শামসুদ্দীনকে সম্পাদক করে ‘জমঈয়তে ওলামায়ে মোহাম্মাদিয়া’ গড়ে তোলেন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর উক্ত সংগঠন নবগঠিত ‘পূর্ব পাকিস্তান জমঈয়তে আহলেহাদীছ’-এর সঙ্গে একীভূত হয়ে যায়। প্রথমোক্ত সংগঠনে ও শেষোক্ত সংগঠনের খুলনা-যশোর যেলা শাখার তিনি সহ-সভাপতি ছিলেন। তবে নির্মাতা এবং ঐক্যের প্রতীক হিসাবে তাঁর ভূমিকা ছিল সবার ঊর্ধ্বে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি উক্ত ভূমিকা পালনে সদা সচেষ্ট ছিলেন। তিনি সর্বদা গঠনমূলক চিন্তার অনুসারী ছিলেন। জামা‘আতের যেখানেই কোন গন্ডগোল দেখতেন, সেখানেই সেটা মিটিয়ে ফেলার আপ্রাণ চেষ্টা করতেন।
বিশৃংখল সমাজকে তিনি ধর্মীয়ভাবে সংগঠিত করে গড়ে তোলার বাসনা পোষণ করতেন। এতদুদ্দেশ্যে তিনি সম্ভবতঃ ১৯৪৩ সালে পশ্চিমবঙ্গের চন্ডীপুরের প্রখ্যাত আলেম মাওলানা আব্দুল মান্নান আল-আযহারীকে (মৃত্যু ১৯৮৪ সালে খুলনার আড়ং ঘাটায়) সভাপতি ও স্বীয় প্রিয় ছাত্র যশোরের মৌলবী শামসুদ্দীনকে সম্পাদক করে ‘জমঈয়তে ওলামায়ে মোহাম্মাদিয়া’ গড়ে তোলেন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর উক্ত সংগঠন নবগঠিত ‘পূর্ব পাকিস্তান জমঈয়তে আহলেহাদীছ’-এর সঙ্গে একীভূত হয়ে যায়। প্রথমোক্ত সংগঠনে ও শেষোক্ত সংগঠনের খুলনা-যশোর যেলা শাখার তিনি সহ-সভাপতি ছিলেন। তবে নির্মাতা এবং ঐক্যের প্রতীক হিসাবে তাঁর ভূমিকা ছিল সবার ঊর্ধ্বে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি উক্ত ভূমিকা পালনে সদা সচেষ্ট ছিলেন। তিনি সর্বদা গঠনমূলক চিন্তার অনুসারী ছিলেন। জামা‘আতের যেখানেই কোন গন্ডগোল দেখতেন, সেখানেই সেটা মিটিয়ে ফেলার আপ্রাণ চেষ্টা করতেন।