১
সাহিত্যিক মাওলানা আহমাদ আলী
লেখকঃ হাদীছ ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৬
আজীবন শিক্ষাব্রতী ও সমাজ সেবক :
মাওলানা আহমাদ আলী ছিলেন আজীবন শিক্ষাব্রতী। তাঁর ৫৯ বছরের সুদীর্ঘ কর্মজীবনের ৫২ বছরই ছিল শিক্ষকতার জীবন। শিক্ষায় পশ্চাৎপদ তৎকালীন দক্ষিণ বাংলার মুসলিম সমাজে দ্বীনী শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেবার জন্য তিনি প্রাণপণ প্রচেষ্টা চালিয়ে যান। তিনি প্রায়ই বলতেন, শুধুমাত্র ওয়ায-নছীহত আর মৌখিক তাবলীগের দ্বারা সমাজ সংস্কার সম্ভব নয়। বরং এজন্য প্রয়োজন বিভিন্ন এলাকায় অধিকসংখ্যক দ্বীনী শিক্ষাগার তৈরী করে মুসলিম তরুণদেরকে তাদের নিজস্ব শিক্ষায় গড়ে তোলা। ফলে যে যুগে মাদরাসা শিক্ষাকে ‘ফকীরী বিদ্যা’ বলে ঠাট্টা করা হ’ত এবং বিশেষ করে আলিয়া নেছাবের মাদরাসাকে বিদ‘আত বলে ফৎওয়া দেওয়া হ’ত, সেই প্রতিকূল পরিবেশে সকল প্রকারের ভ্রুকুটি উপেক্ষা করে তিনি স্বীয় উদ্যোগে ও প্রচেষ্টায় খুলনা, যশোর, ২৪ পরগনা তথা পূর্ব ও পশ্চিম বাংলায় ছোটবড় সর্বমোট ৫৫টি মাদরাসা ও ১১টি মসজিদ কায়েম করেন। তবে কয়েকটি বাদে অধিকাংশ মাদরাসাই বর্তমানে স্কুল, হাইস্কুল বা কলেজে রূপ নিয়েছে অথবা বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
সবশেষে বর্তমান সাতক্ষীরা যেলার কলারোয়া উপযেলাধীন সীমান্তবর্তী গ্রাম কাকডাঙ্গায় প্রতিষ্ঠিত হয় তাঁর জীবনের শেষ কীর্তি ‘কাকডাঙ্গা সিনিয়র মাদরাসা’। তার আগে তিনি সাতক্ষীরা সদর উপযেলাধীন ঝাউডাঙ্গা বাজার জামে মসজিদে একটি খারেজী মাদরাসা কায়েমের উদ্দেশ্যে কয়েকজন ছাত্র নিয়ে দু’মাস যাবত ক্লাস চালিয়ে যান এবং ‘ছাত্র চাই’ বলে বিজ্ঞাপন দেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় ছাত্র সংগ্রহ না হওয়ায় অবশেষে তিনি বাধ্য হয়ে ঐ পরিকল্পনা বাদ দেন এবং কাকডাঙ্গাতে ১৯৫৬ সালে আলিয়া মাদরাসা কায়েম করেন এবং এটাই ছিল তাঁর গড়া প্রথম ‘আলিয়া’ মাদরাসা। ১৯৬৮ সালে অবসর গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত তিনি এখানেই ছিলেন। গুণমুগ্ধ জনসাধারণ তাঁর নিঃস্বার্থ খিদমতকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য তাঁর নামে মাদরাসার নাম রাখেন ‘কাকডাঙ্গা আহমাদিয়া সিনিয়র মাদরাসা’। পাথরঘাটায় থাকাকালীন সময়ে তিনি নিকটস্থ ঝাউডাঙ্গা বাজার আহলেহাদীছ জামে মসজিদের ভিত্তি স্থাপন করেন এবং এর উন্নয়নের জন্য আজীবন চেষ্টা চালিয়ে যান। তাঁর কর্মজীবনের অমলিন স্মৃতি কাকডাঙ্গা সিনিয়র মাদরাসা ও ঝাউডাঙ্গা বাজার আহলেহাদীছ জামে মসজিদ অদ্যাবধি মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
সবশেষে বর্তমান সাতক্ষীরা যেলার কলারোয়া উপযেলাধীন সীমান্তবর্তী গ্রাম কাকডাঙ্গায় প্রতিষ্ঠিত হয় তাঁর জীবনের শেষ কীর্তি ‘কাকডাঙ্গা সিনিয়র মাদরাসা’। তার আগে তিনি সাতক্ষীরা সদর উপযেলাধীন ঝাউডাঙ্গা বাজার জামে মসজিদে একটি খারেজী মাদরাসা কায়েমের উদ্দেশ্যে কয়েকজন ছাত্র নিয়ে দু’মাস যাবত ক্লাস চালিয়ে যান এবং ‘ছাত্র চাই’ বলে বিজ্ঞাপন দেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় ছাত্র সংগ্রহ না হওয়ায় অবশেষে তিনি বাধ্য হয়ে ঐ পরিকল্পনা বাদ দেন এবং কাকডাঙ্গাতে ১৯৫৬ সালে আলিয়া মাদরাসা কায়েম করেন এবং এটাই ছিল তাঁর গড়া প্রথম ‘আলিয়া’ মাদরাসা। ১৯৬৮ সালে অবসর গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত তিনি এখানেই ছিলেন। গুণমুগ্ধ জনসাধারণ তাঁর নিঃস্বার্থ খিদমতকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য তাঁর নামে মাদরাসার নাম রাখেন ‘কাকডাঙ্গা আহমাদিয়া সিনিয়র মাদরাসা’। পাথরঘাটায় থাকাকালীন সময়ে তিনি নিকটস্থ ঝাউডাঙ্গা বাজার আহলেহাদীছ জামে মসজিদের ভিত্তি স্থাপন করেন এবং এর উন্নয়নের জন্য আজীবন চেষ্টা চালিয়ে যান। তাঁর কর্মজীবনের অমলিন স্মৃতি কাকডাঙ্গা সিনিয়র মাদরাসা ও ঝাউডাঙ্গা বাজার আহলেহাদীছ জামে মসজিদ অদ্যাবধি মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।