hadith book logo

সাহিত্যিক মাওলানা আহমাদ আলী

লেখকঃ হাদীছ ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৩১

কে কি বলেন :

(১) ঢাকার জাতীয় দৈনিক ‘আজাদে’ মাওলানা আহমাদ আলীর মৃত্যু সংবাদ পাঠ করে ‘বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলেহাদীছ’-এর সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডঃ মুহাম্মাদ আবদুল বারী মাওলানা মরহূমের কনিষ্ঠ পুত্রের নিকট প্রেরিত শোকবাণীতে বলেন, ‘মাওলানা আহমাদ আলী শুধু তোমাদেরকেই এতীম করেননি। তাঁর তিরোধানে এতীম হয়েছি আমরা সবাই। সারা জমঈয়ত আজ তোমার সাথে তোমার ব্যথায় সমব্যথী। তাঁর মহান জীবনের মহান কীর্তিসমূহ স্মরণ করে প্রত্যেকটি আহলেহাদীছ তথা প্রত্যেকটি ধর্মপ্রাণ মুসলমান তাঁর মৃত্যুহীন জীবনের জয়গান গাইবে। আল্লাহ রাববুল আলামীন এই মহাপ্রাণ মর্দে মুমিনকে জান্নাতুল ফিরদৌসে উচ্চ আসন দান করুন এবং আমাদেরকে তাঁর পদাংক অনুসরণ করে চলার তাওফীক দান করুন। আমীন!

(২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের অধ্যাপক ড: মাওলানা মুস্তাফীযুর রহমান তাঁর প্রেরিত শোকবাণীতে বলেন, ‘মাওলানা আহমাদ আলী ছিলেন একজন গভীর জ্ঞানী ও পান্ডিত্যসম্পন্ন আলেম। তাঁর ইন্তেকালে আমরা গভীরভাবে শোকাহত’।

(৩) একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব আ.ন.ম. আব্দুল মান্নান খান বলেন, ‘এমন গভীর ব্যক্তিত্বসম্পন্ন আলেম আমি কখনো দেখিনি। সাতক্ষীরায় গিয়ে তাঁর সঙ্গে পরিচিত হ’তে না পারলে জীবনে অনেক কিছুই শেখার বাকী থাকতো’।

(৪) খুলনার দৌলতপুর সরকারী বি.এল. কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এ.এইচ.এম. শামসুর রহমান তাঁর শোকবাণীতে বলেন, ‘তমসাবৃত অসংখ্য মুসলিমের অন্তরের প্রদীপ্ত দীপশিখা হঠাৎ নিভে গেল। নিভে গেল সেই আলো, যা যুগের পর যুগ ধরে অশিক্ষিত কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষকে জোর করে ঘর থেকে বের করে এনে পথ দেখালো। যিনি এতদিন ধরে মুহাম্মাদী আক্বীদাকে দৃপ্তকণ্ঠে ঘরে বাইরে ছাপার অক্ষরে মানুষের হৃদয় দুয়ারে পৌঁছালেন, যিনি বয়সের আয়েশ উপেক্ষা করে সমাজের দ্বারে দ্বারে মানুষকে দ্বীনে মুহাম্মাদীর দাওয়াত পৌঁছালেন, সেই মর্দে মুজাহিদ আজ পরলোকে...। মরহূম মাওলানা আহমাদ আলী আর জন্মাবেন না। বাংলার ঘরে ঘরে তিনি চিরঞ্জীব হয়ে থাকবেন।’

(৫) ঢাকা থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক ‘আরাফাত’ পত্রিকায় মাওলানা আহমাদ আলীর মৃত্যুতে লিখিত দীর্ঘ সম্পাদকীয় নিবন্ধে মরহূমের জীবনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আলোকপাত করে সম্পাদক মাওলানা আব্দুর রহমান বি.এ.বি.টি তাঁর মন্তব্যে বলেন, ‘মাওলানা আহমাদ আলী মারা গিয়েছেন। কিন্তু তাঁহার ছাত্রদল ও তস্য ছাত্রমন্ডলী, তাঁহার গঠনমূলক কর্মকান্ড এবং পুস্তকাদির মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিন সগৌরবে বাঁচিয়া থাকিবেন’।

উক্ত পত্রিকার ১৮ বর্ষ ৪৭ সংখ্যা হ’তে পরবর্তী কয়েকটি সংখ্যায় মাওলানা মরহূমের সংক্ষিপ্ত জীবনীও বের হয়।

হে আল্লাহ! তুমি মাওলানাকে ক্ষমা কর এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চাসন দান কর! -আমীন!!

সমাপ্ত

سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ - اللَّهُمَّ اغْفِرْلِى وَلِوَالِدَىَّ وَلِلْمُؤْمِنِيْنَ يَوْمَ يَقُوْمُ الحِسَابُ -

[1]. সূত্র : মৌলভী আবদুর রশীদ নূরী (মাওলানার ভাতিজা)। তাং ১১/৭/১৯৭৬ খৃঃ।

[2]. উপমহাদেশে প্রথম কলিকাতায় বৈদ্যুতিক বাল্ব আসে ইংরেজী ১৮৯৯ সালে এবং পরে বাঙ্গালোরে আসে ১৯০৬ সালে। -প্রকাশক।

[3]. কলিকাতা হ’তে প্রকাশিত বাংলা ১৩২৫ সালের ৩য় বর্ষ শ্রাবণ-ভাদ্র সংখ্যা মাসিক ‘আহলেহাদিস’ পত্রিকা দ্রষ্টব্য।

[4]. সাক্ষাৎকার ১১ই সেপ্টেম্বর ২০১০ খৃঃ।

[5]. সাক্ষাৎকার ২৫/১২/২০১১ খৃঃ।

[6]. সাক্ষাৎকার ২৫/১২/২০১১ ইং।

[7]. সাক্ষাৎকার ২০/১২/২০১১ ইং।