১
নবী মুহাম্মদ সা. এর আগমনের প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য, দা‘ওয়াতের পদ্ধতি ও কৌশল
লেখকঃ ড. মো: আবদুল কাদের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৫
পাঁচ. মাদ‘ঊদের জন্য দু্‘আ করা
যাদেরকে দা‘ওয়াত দেয়া হয়েছে তাদের অন্তরকে ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করলে দা‘ওয়াত ফলপ্রসু হয়ে থাকে। যেহেতু হেদায়াত করার মালিক একমাত্র আল্লাহ সেহেতু আল্লাহর সাহায্যের প্রত্যাশী হওয়া দা‘ঈর একান্ত কর্তব্য। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবনে এ গুণটির সমর্থন পাওয়া যায়। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম টার্গেট করে প্রভাবশালী লোকদের বাছাই করে দা‘ওয়াত দিতেন এবং এ বিষয়ে মহান আল্লাহর সাহায্য প্রত্যাশা করতেন। উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর ইসলাম গ্রহণের জন্য তিনি আল্লাহর নিকট প্রর্থনা করেছিলেন। হাদীসে এসেছেঃ
«اللهم اعز الإسلام باحب هذين الرجلين اليك بابي جهل أو بعمر بن الخطاب قال و كان احبهما اليه عمر» .
‘‘তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, হে আল্লাহ! তুমি দু’জন প্রিয় ব্যক্তিকে ইসলামের মর্যাদা দান কর। তারা হলেন, আবু জাহল অথবা উমর ইবনুল খাত্তাব। বর্ণনাকারী বলেন, উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর কাছে বেশী প্রিয় ছিলেন।’’ [ইমাম তিরমিযী, প্রাগুক্ত, কিতাবুল মানাকিব, হাদীস নং- ৩৬১৪।]
অতঃপর উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু ইসলামের ছায়াতলে আসেন। তাঁর ইসলাম গ্রহণের পর থেকেই প্রকাশ্য ভাবে ইসলামের দা‘ওয়াত শুরু হয়। মুসলিমগণ প্রকাশ্যে ‘‘বায়তুল্লাহ’’ গিয়ে নামায আদায় করে। [আত্ তাবারী, কাসাসুল আম্বিয়া, প্রাগুক্ত, ২য় খন্ড, পৃ. ৩২৯।]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো রাগ হয়ে এবং বিরক্তবোধ করে মাদ‘ঊদের বদ-দু‘আ দেননি। দরদভরা মন নিয়ে, ভালবাসা দিয়ে আল্লাহর নিকট তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতেন। ওহুদের যুদ্ধে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দান্দান মোবারক শহীদ করা হয়। মাথায় তীরের আঘাতে তিনি আহত হন। তদুপরি তিনি তাদের জন্য কল্যাণের দু‘আ করেছিলেন,
« اللهم اغفر لقومي فانهم لا يعلمون»
‘‘হে আল্লাহ! তুমি আমার জাতিকে ক্ষমা কর, তারা বুঝতে পারেনি।’’ [ড. রউফ শালবী, আদ-দা‘ওয়াতুল ইসলামিয়্যাহ ফী আহদিল মক্কী, (জামেয়া কাতার: ১২০২হি.), পৃ. ১৭৩।]
«اللهم اعز الإسلام باحب هذين الرجلين اليك بابي جهل أو بعمر بن الخطاب قال و كان احبهما اليه عمر» .
‘‘তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, হে আল্লাহ! তুমি দু’জন প্রিয় ব্যক্তিকে ইসলামের মর্যাদা দান কর। তারা হলেন, আবু জাহল অথবা উমর ইবনুল খাত্তাব। বর্ণনাকারী বলেন, উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর কাছে বেশী প্রিয় ছিলেন।’’ [ইমাম তিরমিযী, প্রাগুক্ত, কিতাবুল মানাকিব, হাদীস নং- ৩৬১৪।]
অতঃপর উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু ইসলামের ছায়াতলে আসেন। তাঁর ইসলাম গ্রহণের পর থেকেই প্রকাশ্য ভাবে ইসলামের দা‘ওয়াত শুরু হয়। মুসলিমগণ প্রকাশ্যে ‘‘বায়তুল্লাহ’’ গিয়ে নামায আদায় করে। [আত্ তাবারী, কাসাসুল আম্বিয়া, প্রাগুক্ত, ২য় খন্ড, পৃ. ৩২৯।]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো রাগ হয়ে এবং বিরক্তবোধ করে মাদ‘ঊদের বদ-দু‘আ দেননি। দরদভরা মন নিয়ে, ভালবাসা দিয়ে আল্লাহর নিকট তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতেন। ওহুদের যুদ্ধে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দান্দান মোবারক শহীদ করা হয়। মাথায় তীরের আঘাতে তিনি আহত হন। তদুপরি তিনি তাদের জন্য কল্যাণের দু‘আ করেছিলেন,
« اللهم اغفر لقومي فانهم لا يعلمون»
‘‘হে আল্লাহ! তুমি আমার জাতিকে ক্ষমা কর, তারা বুঝতে পারেনি।’’ [ড. রউফ শালবী, আদ-দা‘ওয়াতুল ইসলামিয়্যাহ ফী আহদিল মক্কী, (জামেয়া কাতার: ১২০২হি.), পৃ. ১৭৩।]