১
মুসলিম নারী এবং সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য
লেখকঃ অধ্যাপক ড. ফালেহ ইবন মুহাম্মাদ আস-সুগাইর • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
দ্বিতীয় ক্ষেত্র: মুসলিম নারীর ওপর তার ঘরের দায়িত্ব ও কর্তব্য
ঘর বা আবাসগৃহ হচ্ছে এমন একটি ছোট্ট রাষ্ট্র, যা অধিকাংশ ক্ষেত্রে তার এই মৌলিক উপাদানগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে: স্বামী, স্ত্রী, পিতা ও মাতা এবং সন্তান-সন্তুতি। সুতরাং তা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা কর্তৃক তাঁর বান্দাদের প্রতি প্রদত্ত নি‘আমতরাজির মধ্যে অন্যতম; তিনি বলেন,
﴿وَٱللَّهُ جَعَلَ لَكُم مِّنۢ بُيُوتِكُمۡ سَكَنٗا ﴾ [ سُورَةُ النَّحۡل : 80]
“আর আল্লাহ তোমাদের গৃহকে করেন তোমাদের আবাসস্থল।” [সূরা আন-নাহল, আয়াত: ৮০] আর তার (ঘরের) প্রকৃত মূল্য সম্পর্কে শুধু তারাই অবগত এবং তার কদর বা মর্যাদা শুধু তারাই অনুমান করতে পারবে, যারা বসবাস করে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে, তাঁবুতে, মহাসড়কে, ব্রীজের নীচে ও পথে-ঘাটে। আর ঘরের মধ্যেই পরিবারের সদস্যগণ তাদের বৈশিষ্ট্য ও পরিপূর্ণ মর্যাদার নি‘আমত ভোগ করেন। এই ঘর তাদেরকে কঠিন গরম এবং ঠাণ্ডার প্রকোপ থেকে রক্ষা করে; আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা এই মহান নি‘আমত দ্বারা তাদের মর্যাদাকে সমুন্নত করেছেন। তিনি বলেন,
﴿وَٱللَّهُ جَعَلَ لَكُم مِّنۢ بُيُوتِكُمۡ سَكَنٗا ﴾ [ سُورَةُ النَّحۡل : 80]
“আর আল্লাহ তোমাদের গৃহকে করেন তোমাদের আবাসস্থল।” [সূরা আন-নাহল, আয়াত: ৮০]
ইবন কাছীর রহ. এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন,
يذكر تبارك وتعالى تمام نعمه على عبيده، بما جعل لهم من البيوت التي هي سكن لهم، يأوون إليها، ويستترون بها، وينتفعون بها سائر وجوه الانتفاع .
“আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা‘আলা তাঁর বান্দাদের প্রতি প্রদত্ত পূর্ণ নি‘আমতরাজির কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন যে, তিনি তাদের জন্য এমন আবাসিক ঘরের ব্যবস্থা করেছেন, যাতে তার আশ্রয় গ্রহণ করে। যার দ্বারা তারা নিজেদের ঢেঁকে রাখে এবং সকল প্রকার উপকার ভোগ করে।” [তাফসীরু ইবন কাছীর, সূরা আন-নাহলের তাফসীর, আয়াত: ৮০।]
আর এই ঘরের গুরুত্ব ও তার মহান মর্যাদার কারণে ইসলাম তার বিষয় ও কার্যক্রমসমূহকে সুশৃঙ্খলভাবে সাজিয়েছে এবং দায়িত্ব ও কর্তব্যসমূহকে তার মৌলিক উপাদান অনুযায়ী বণ্টন করেছে। বিশেষ করে মৌলিকভাবে মুসলিম নারীর সাথে যা সংশ্লিষ্ট (তা), কেননা সে হচ্ছে ঘরের মধ্যে মা, অনুরূপভাবে স্ত্রী, কন্যা ও বোন। সুতরাং ঘরের মধ্যে তার অনেক বড় করণীয় রয়েছে এবং ঐ ঘর নামক রাষ্ট্রের মধ্যে তার দায়িত্ব ও কর্তব্যও অনেক বড়, যে রাষ্ট্রের অবকাঠামোকে ধ্বংস করার জন্য ইসলামের শত্রুগণ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। কারণ, এ রাষ্ট্রটি হচ্ছে সমাজের প্রতি প্রসারিত এক বৃহৎ গবাক্ষ। সুতরাং যখন তাতে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হবে, তখন সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে। ফলে ইসলামের শত্রুরা সমাজের অন্যতম প্রধান দু’টি বিষয়ের প্রতি মনোযোগ দিয়েছে, আর তা হলো, যে কোনো বয়সের নারী ও শিশু।
﴿وَٱللَّهُ جَعَلَ لَكُم مِّنۢ بُيُوتِكُمۡ سَكَنٗا ﴾ [ سُورَةُ النَّحۡل : 80]
“আর আল্লাহ তোমাদের গৃহকে করেন তোমাদের আবাসস্থল।” [সূরা আন-নাহল, আয়াত: ৮০] আর তার (ঘরের) প্রকৃত মূল্য সম্পর্কে শুধু তারাই অবগত এবং তার কদর বা মর্যাদা শুধু তারাই অনুমান করতে পারবে, যারা বসবাস করে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে, তাঁবুতে, মহাসড়কে, ব্রীজের নীচে ও পথে-ঘাটে। আর ঘরের মধ্যেই পরিবারের সদস্যগণ তাদের বৈশিষ্ট্য ও পরিপূর্ণ মর্যাদার নি‘আমত ভোগ করেন। এই ঘর তাদেরকে কঠিন গরম এবং ঠাণ্ডার প্রকোপ থেকে রক্ষা করে; আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা এই মহান নি‘আমত দ্বারা তাদের মর্যাদাকে সমুন্নত করেছেন। তিনি বলেন,
﴿وَٱللَّهُ جَعَلَ لَكُم مِّنۢ بُيُوتِكُمۡ سَكَنٗا ﴾ [ سُورَةُ النَّحۡل : 80]
“আর আল্লাহ তোমাদের গৃহকে করেন তোমাদের আবাসস্থল।” [সূরা আন-নাহল, আয়াত: ৮০]
ইবন কাছীর রহ. এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন,
يذكر تبارك وتعالى تمام نعمه على عبيده، بما جعل لهم من البيوت التي هي سكن لهم، يأوون إليها، ويستترون بها، وينتفعون بها سائر وجوه الانتفاع .
“আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা‘আলা তাঁর বান্দাদের প্রতি প্রদত্ত পূর্ণ নি‘আমতরাজির কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন যে, তিনি তাদের জন্য এমন আবাসিক ঘরের ব্যবস্থা করেছেন, যাতে তার আশ্রয় গ্রহণ করে। যার দ্বারা তারা নিজেদের ঢেঁকে রাখে এবং সকল প্রকার উপকার ভোগ করে।” [তাফসীরু ইবন কাছীর, সূরা আন-নাহলের তাফসীর, আয়াত: ৮০।]
আর এই ঘরের গুরুত্ব ও তার মহান মর্যাদার কারণে ইসলাম তার বিষয় ও কার্যক্রমসমূহকে সুশৃঙ্খলভাবে সাজিয়েছে এবং দায়িত্ব ও কর্তব্যসমূহকে তার মৌলিক উপাদান অনুযায়ী বণ্টন করেছে। বিশেষ করে মৌলিকভাবে মুসলিম নারীর সাথে যা সংশ্লিষ্ট (তা), কেননা সে হচ্ছে ঘরের মধ্যে মা, অনুরূপভাবে স্ত্রী, কন্যা ও বোন। সুতরাং ঘরের মধ্যে তার অনেক বড় করণীয় রয়েছে এবং ঐ ঘর নামক রাষ্ট্রের মধ্যে তার দায়িত্ব ও কর্তব্যও অনেক বড়, যে রাষ্ট্রের অবকাঠামোকে ধ্বংস করার জন্য ইসলামের শত্রুগণ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। কারণ, এ রাষ্ট্রটি হচ্ছে সমাজের প্রতি প্রসারিত এক বৃহৎ গবাক্ষ। সুতরাং যখন তাতে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হবে, তখন সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে। ফলে ইসলামের শত্রুরা সমাজের অন্যতম প্রধান দু’টি বিষয়ের প্রতি মনোযোগ দিয়েছে, আর তা হলো, যে কোনো বয়সের নারী ও শিশু।