১
ঈমানের রুকনসমূহ
লেখকঃ ইলমী গবেষণা ডীনশীপ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মদিনা মুনাওয়ারা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
(৪) রাসূলগণের দায়িত্বসমূহ:
রাসূলগণের অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে, যেমন:
(ক) শরী‘আত প্রচার করা, মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদত করতে এবং তিনি ব্যতীত অন্যের ইবাদত থেকে মুক্ত হওয়ার আহবান করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ٱلَّذِينَ يُبَلِّغُونَ رِسَٰلَٰتِ ٱللَّهِ وَيَخۡشَوۡنَهُۥ وَلَا يَخۡشَوۡنَ أَحَدًا إِلَّا ٱللَّهَۗ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ حَسِيبٗا ٣٩﴾ [ الاحزاب : ٣٩ ]
“তাঁরা (নবীগণ) আল্লাহর রিসালাত প্রচার করতেন ও তাঁকে ভয় করতেন। তারা আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে ভয় করতেন না। হিসাব গ্রহণের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট।” [সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ৩৯]
(খ) দীনের অবতীর্ণ বিধান বর্ণনা করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿بِٱلۡبَيِّنَٰتِ وَٱلزُّبُرِۗ وَأَنزَلۡنَآ إِلَيۡكَ ٱلذِّكۡرَ لِتُبَيِّنَ لِلنَّاسِ مَا نُزِّلَ إِلَيۡهِمۡ وَلَعَلَّهُمۡ يَتَفَكَّرُونَ ٤٤ ﴾ [ النحل : ٤٤ ]
“আপনার কাছে আমরা উপদেশ ভাণ্ডার (কুরআন) অবতীর্ণ করেছি। যাতে আপনি লোকদের সামনে ঐ সব বিষয় বিবৃত করেন, যেগুলো তাদের প্রতি অবতীর্ণ করা হয়েছে, যাতে তারা চিন্তা ভাবনা করে।” [সূরা আন-নাহল, আয়াত: ৪৪]
(গ) উম্মাতকে কল্যাণের পথ প্রদর্শণ ও অকল্যাণ থেকে সতর্ক সাবধান করা এবং তাদেরকে পূণ্যের সুসংবাদ ও তাদেরকে শাস্তির ভীতি-প্রদর্শন করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿رُّسُلٗا مُّبَشِّرِينَ وَمُنذِرِينَ﴾ [ النساء : ١٦٥ ]
“সুসংবাদদাতা ও ভীতি-প্রদর্শনকারী রাসূলগণকে প্রেরণ করেছি।” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১৬৫]
(ঘ) মানুষকে কথায় ও কাজে সুন্দর চরিত্র ও উত্তম আদর্শবান করে তোলা।
(ঙ) আল্লাহর শরী‘আত বান্দাদের মাঝে প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ণ করা।
(চ) রাসূলগণের স্বীয় উম্মাতের বিপক্ষে শেষ দিবসে এ সাক্ষ্য দেওয়া যে তারা তাদের নিকট স্পষ্টভাবে দীনের দাওয়াত পৌঁছায়েছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿فَكَيۡفَ إِذَا جِئۡنَا مِن كُلِّ أُمَّةِۢ بِشَهِيدٖ وَجِئۡنَا بِكَ عَلَىٰ هَٰٓؤُلَآءِ شَهِيدٗا ٤١﴾ [ النساء : ٤١ ]
“আর তখন কি অবস্থা দাঁড়াবে, যখন আমি প্রতিটি উম্মাতের মধ্য থেকে সাক্ষী উপস্থাপন করব এবং আপনাকে তাদের ওপর সাক্ষী উপস্থাপন করব।” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৪১]
(ক) শরী‘আত প্রচার করা, মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদত করতে এবং তিনি ব্যতীত অন্যের ইবাদত থেকে মুক্ত হওয়ার আহবান করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ٱلَّذِينَ يُبَلِّغُونَ رِسَٰلَٰتِ ٱللَّهِ وَيَخۡشَوۡنَهُۥ وَلَا يَخۡشَوۡنَ أَحَدًا إِلَّا ٱللَّهَۗ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ حَسِيبٗا ٣٩﴾ [ الاحزاب : ٣٩ ]
“তাঁরা (নবীগণ) আল্লাহর রিসালাত প্রচার করতেন ও তাঁকে ভয় করতেন। তারা আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে ভয় করতেন না। হিসাব গ্রহণের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট।” [সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ৩৯]
(খ) দীনের অবতীর্ণ বিধান বর্ণনা করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿بِٱلۡبَيِّنَٰتِ وَٱلزُّبُرِۗ وَأَنزَلۡنَآ إِلَيۡكَ ٱلذِّكۡرَ لِتُبَيِّنَ لِلنَّاسِ مَا نُزِّلَ إِلَيۡهِمۡ وَلَعَلَّهُمۡ يَتَفَكَّرُونَ ٤٤ ﴾ [ النحل : ٤٤ ]
“আপনার কাছে আমরা উপদেশ ভাণ্ডার (কুরআন) অবতীর্ণ করেছি। যাতে আপনি লোকদের সামনে ঐ সব বিষয় বিবৃত করেন, যেগুলো তাদের প্রতি অবতীর্ণ করা হয়েছে, যাতে তারা চিন্তা ভাবনা করে।” [সূরা আন-নাহল, আয়াত: ৪৪]
(গ) উম্মাতকে কল্যাণের পথ প্রদর্শণ ও অকল্যাণ থেকে সতর্ক সাবধান করা এবং তাদেরকে পূণ্যের সুসংবাদ ও তাদেরকে শাস্তির ভীতি-প্রদর্শন করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿رُّسُلٗا مُّبَشِّرِينَ وَمُنذِرِينَ﴾ [ النساء : ١٦٥ ]
“সুসংবাদদাতা ও ভীতি-প্রদর্শনকারী রাসূলগণকে প্রেরণ করেছি।” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১৬৫]
(ঘ) মানুষকে কথায় ও কাজে সুন্দর চরিত্র ও উত্তম আদর্শবান করে তোলা।
(ঙ) আল্লাহর শরী‘আত বান্দাদের মাঝে প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ণ করা।
(চ) রাসূলগণের স্বীয় উম্মাতের বিপক্ষে শেষ দিবসে এ সাক্ষ্য দেওয়া যে তারা তাদের নিকট স্পষ্টভাবে দীনের দাওয়াত পৌঁছায়েছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿فَكَيۡفَ إِذَا جِئۡنَا مِن كُلِّ أُمَّةِۢ بِشَهِيدٖ وَجِئۡنَا بِكَ عَلَىٰ هَٰٓؤُلَآءِ شَهِيدٗا ٤١﴾ [ النساء : ٤١ ]
“আর তখন কি অবস্থা দাঁড়াবে, যখন আমি প্রতিটি উম্মাতের মধ্য থেকে সাক্ষী উপস্থাপন করব এবং আপনাকে তাদের ওপর সাক্ষী উপস্থাপন করব।” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৪১]