১
কুরআন ও সুন্নাহের ওপর আরোপিত বিভিন্ন প্রশ্নের জাওয়াব
লেখকঃ শাইখ: আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায রহ., শাইখ: মুহাম্মাদ বিন সালেহ বিন উসাইমীন রহ., শাইখ: আব্দুর রায্যাক আফীফি রহ., শাইখ: আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আল-জাবরীন রহ., শাইখ: সালেহ বিন ফাওযান আল-ফাওযান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৬
কিয়ামতের দিন বান্দার আমলের ওজন
আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: أَثْقَلُ فِي الْمِيزَانِ مِنْ أُحُدٍٍٍٍٍ “নিশ্চয় তা দাড়ি পাল্লায় ওহুদ পাহাড় থেকেও ভারি।” অপর উক্তি ‘কিয়ামতের দিন আমলকেই ওজন দেওয়া হবে’।
প্রশ্ন: কাজী আয়ায রহ. কথা— ‘কিয়ামতের দিন আমলকেই ওজন দেওয়া হবে’ এবং আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু এর পায়ের নলা প্রকাশ পেল তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَهُمَا أَثْقَلُ فِي الْمِيزَانِ مِنْ أُحُدٍٍٍٍٍ ََََ “ঐ আল্লাহর শপথ যার হাতে আমার জান! নিশ্চয় কিয়ামতের দিন দাড়ি পাল্লায় তা ওহুদ পাহাড় থেকেও ভারি হবে” উভয়ের মধ্যে বিরোধ নিরসন কীভাবে?
উত্তর: উল্লিখিত প্রশ্নের এ বলে উত্তর দেওয়া হয় যে, হতে পারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণীটি আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ সম্পর্কে খাস। অথবা বলা যায় যে, কতক মানুষের আমলের ওজন দেওয়া হবে আবার কতক মানুষের দেহের ওজন দেওয়া হবে। যখন কোন মানুষের দেহকে ওজন দেওয়া হবে তখন তার আমল অনুযায়ী সে ভারি হবে এবং তার প্রাধান্য হবে। আল্লাহই ভালো জানেন। তিনিই তাওফীক দাতা।
শাইখ মুহাম্মদ ইবন উসাইমীন।
প্রশ্ন: কাজী আয়ায রহ. কথা— ‘কিয়ামতের দিন আমলকেই ওজন দেওয়া হবে’ এবং আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু এর পায়ের নলা প্রকাশ পেল তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَهُمَا أَثْقَلُ فِي الْمِيزَانِ مِنْ أُحُدٍٍٍٍٍ ََََ “ঐ আল্লাহর শপথ যার হাতে আমার জান! নিশ্চয় কিয়ামতের দিন দাড়ি পাল্লায় তা ওহুদ পাহাড় থেকেও ভারি হবে” উভয়ের মধ্যে বিরোধ নিরসন কীভাবে?
উত্তর: উল্লিখিত প্রশ্নের এ বলে উত্তর দেওয়া হয় যে, হতে পারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণীটি আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ সম্পর্কে খাস। অথবা বলা যায় যে, কতক মানুষের আমলের ওজন দেওয়া হবে আবার কতক মানুষের দেহের ওজন দেওয়া হবে। যখন কোন মানুষের দেহকে ওজন দেওয়া হবে তখন তার আমল অনুযায়ী সে ভারি হবে এবং তার প্রাধান্য হবে। আল্লাহই ভালো জানেন। তিনিই তাওফীক দাতা।
শাইখ মুহাম্মদ ইবন উসাইমীন।