১
কুরআন ও সুন্নাহের ওপর আরোপিত বিভিন্ন প্রশ্নের জাওয়াব
লেখকঃ শাইখ: আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায রহ., শাইখ: মুহাম্মাদ বিন সালেহ বিন উসাইমীন রহ., শাইখ: আব্দুর রায্যাক আফীফি রহ., শাইখ: আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আল-জাবরীন রহ., শাইখ: সালেহ বিন ফাওযান আল-ফাওযান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৯
কিয়ামতের দিন কঠিন শাস্তির অধিকারী
কিয়ামতের দিন মুশরিক সমস্ত মানুষের তুলনায় কঠিন শাস্তির অধিকার হবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী— أَشَدُّ النَّاسِ عَذَابًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ الَّذِينَ يُضَاهُونَ بِخَلْقِ اللَّهِ “কিয়ামতের দিন সবচেয়ে সর্বাধিক কঠিন শাস্তির অধিকারী হবে যে আল্লাহর সৃষ্টির সাথে সাদৃশ্য অবলম্বন করে।”
প্রশ্ন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী— أَشَدُّ النَّاسِ عَذَابًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ الَّذِينَ يُضَاهُونَ بِخَلْقِ اللَّهِ “কিয়ামতের দিন সবচেয়ে কঠিন শাস্তির অধিকারী হবে যে আল্লাহর সৃষ্টির সাথে সাদৃশ্য অবলম্বন করে।” [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৯৫৪] এর মধ্যে এবং কিয়ামতের দিন মুশরিক সমস্ত মানুষের তুলনায় সর্বাধিক কঠিন শাস্তির অধিকার হবে” উভয়ের মাঝে বিরোধ নিষ্পত্তি কীভাবে?
উত্তর: শাইখ রহ. এ বলে উত্তর দেন যে, উভয়ের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তির একাধিক কারণ রয়েছে।
এক—হাদীসটিতে من শব্দটি উহ্য রয়েছে। অর্থাৎ যাদের কঠিন শাস্তি দেয়া হবে তাদের মধ্যে একজন হলো, যে আল্লাহর সৃষ্টির সাথে সাদৃশ্য অবলম্বন করে। অর্থাৎ হাদীসটির অর্থ যেখানে উহ্য নেই তার ওপর ভিত্তি করেই নির্ধারণ করা হবে।
দুই— একজনকে সর্বাধিক কঠিন শাস্তি দেয়ার অর্থ এ নয় যে, আর কাউকে সর্বাধিক কঠিন শাস্তি দেয়া যাবে না। বরং সর্বাধিক কঠিন শাস্তি একের অধিককেও দেয়া যে পারে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ﴿أَدۡخِلُوٓاْ ءَالَ فِرۡعَوۡنَ أَشَدَّ ٱلۡعَذَابِ ٤٦﴾ [ غافر : ٤٦ ] (সেদিন ঘোষণা করা হবে), ‘ফির‘আউনের অনুসারীদেরকে কঠোরতম আযাবে প্রবেশ করাও।’[সূরা গাফের, আয়াত: ৪৬] সুতরাং সর্বাধিক কঠিন শাস্তিতে একাধিক অংশীদার হওয়াতে কোন বিরোধ থাকে না।
তবে এখানে একটি প্রশ্ন থাকে তা হলো, চিত্রাঙ্কনকারী একজন বড় গুনাহ-কারী মাত্র সে কীভাবে একজন কাফির হঠকারীর সমান হতে পারে?
তিন—সর্বাধিক কঠিন শাস্তি এ কথাটি আপেক্ষিক ও তুলনামূলক। অর্থাৎ যাদের অপরাধ বা অন্যায় কুফর পর্যন্ত পৌঁছেনি তাদের মধ্যে চিত্রাঙ্কনকারীর শাস্তি অন্যদের তুলনায় সর্বাধিক কঠিন হবে। সমগ্র মানুষের তুলনায় নয়। এ উত্তরটি সর্বাধিক বিশুদ্ধ ও কাছাকাছি। আল্লাহ তা‘আলাই তাওফীক দাতা
শাইখ মুহাম্মদ বিন উসাইমীন রহ.
প্রশ্ন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী— أَشَدُّ النَّاسِ عَذَابًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ الَّذِينَ يُضَاهُونَ بِخَلْقِ اللَّهِ “কিয়ামতের দিন সবচেয়ে কঠিন শাস্তির অধিকারী হবে যে আল্লাহর সৃষ্টির সাথে সাদৃশ্য অবলম্বন করে।” [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৯৫৪] এর মধ্যে এবং কিয়ামতের দিন মুশরিক সমস্ত মানুষের তুলনায় সর্বাধিক কঠিন শাস্তির অধিকার হবে” উভয়ের মাঝে বিরোধ নিষ্পত্তি কীভাবে?
উত্তর: শাইখ রহ. এ বলে উত্তর দেন যে, উভয়ের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তির একাধিক কারণ রয়েছে।
এক—হাদীসটিতে من শব্দটি উহ্য রয়েছে। অর্থাৎ যাদের কঠিন শাস্তি দেয়া হবে তাদের মধ্যে একজন হলো, যে আল্লাহর সৃষ্টির সাথে সাদৃশ্য অবলম্বন করে। অর্থাৎ হাদীসটির অর্থ যেখানে উহ্য নেই তার ওপর ভিত্তি করেই নির্ধারণ করা হবে।
দুই— একজনকে সর্বাধিক কঠিন শাস্তি দেয়ার অর্থ এ নয় যে, আর কাউকে সর্বাধিক কঠিন শাস্তি দেয়া যাবে না। বরং সর্বাধিক কঠিন শাস্তি একের অধিককেও দেয়া যে পারে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ﴿أَدۡخِلُوٓاْ ءَالَ فِرۡعَوۡنَ أَشَدَّ ٱلۡعَذَابِ ٤٦﴾ [ غافر : ٤٦ ] (সেদিন ঘোষণা করা হবে), ‘ফির‘আউনের অনুসারীদেরকে কঠোরতম আযাবে প্রবেশ করাও।’[সূরা গাফের, আয়াত: ৪৬] সুতরাং সর্বাধিক কঠিন শাস্তিতে একাধিক অংশীদার হওয়াতে কোন বিরোধ থাকে না।
তবে এখানে একটি প্রশ্ন থাকে তা হলো, চিত্রাঙ্কনকারী একজন বড় গুনাহ-কারী মাত্র সে কীভাবে একজন কাফির হঠকারীর সমান হতে পারে?
তিন—সর্বাধিক কঠিন শাস্তি এ কথাটি আপেক্ষিক ও তুলনামূলক। অর্থাৎ যাদের অপরাধ বা অন্যায় কুফর পর্যন্ত পৌঁছেনি তাদের মধ্যে চিত্রাঙ্কনকারীর শাস্তি অন্যদের তুলনায় সর্বাধিক কঠিন হবে। সমগ্র মানুষের তুলনায় নয়। এ উত্তরটি সর্বাধিক বিশুদ্ধ ও কাছাকাছি। আল্লাহ তা‘আলাই তাওফীক দাতা
শাইখ মুহাম্মদ বিন উসাইমীন রহ.