১
কুরআন ও সুন্নাহের ওপর আরোপিত বিভিন্ন প্রশ্নের জাওয়াব
লেখকঃ শাইখ: আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায রহ., শাইখ: মুহাম্মাদ বিন সালেহ বিন উসাইমীন রহ., শাইখ: আব্দুর রায্যাক আফীফি রহ., শাইখ: আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আল-জাবরীন রহ., শাইখ: সালেহ বিন ফাওযান আল-ফাওযান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৬
কুরআনের একটি আয়াত ও সালাফদের উক্তি প্রসেঙ্গ আলোচনা
আল্লাহ তা‘আলার বাণী: ﴿أَلَّا تَزِرُ وَازِرَةٞ وِزۡرَ أُخۡرَىٰ ٣٨ ﴾ [ النجم : ٣٨ ] “তা এই যে, কোন বোঝা বহনকারী অন্যের বোঝা বহন করবে না।” [সূরা আন-নাজম, আয়াত: ৩৭] এবং অপর উক্তি عفوا تعف نساءكم “তোমরা পাক-পবিত্র থাক, তোমাদের নারীরাও পাক-পবিত্র থাকবে।”
প্রশ্ন: সালাফদের উক্তি عفوا تعف نساءكم “তোমরা পাক-পবিত্র থাক, তোমাদের নারীরাও পাক-পবিত্র থাকবে।” দ্বারা অনেকে এ কথা প্রমাণ করে, যে ব্যক্তি ব্যভিচার করে তার ঘরের স্ত্রীও ব্যভিচার করবে। এ কথা কতটা বিশুদ্ধ? এ কথা এবং আল্লাহ তা‘আলার বাণী: ﴿أَلَّا تَزِرُ وَازِرَةٞ وِزۡرَ أُخۡرَىٰ ٣٨﴾ [ النجم : ٣٨ ] “তা এই যে, কোন বোঝা বহনকারী অন্যের বোঝা বহন করবে না।” [সূরা আন-নাজম, আয়াত: ৩৭] —এর মধ্যে যে বিরোধ তা কিভাবে নিরসন করব?
উত্তর: সর্ববস্থায় প্রসংশা কেবল আল্লাহরই। সালাফদের কথা ও কুরআনের বাণীর মধ্যে কোন বিরোধ নেই। সালাফদের উক্তির অর্থ হলো, যখন কোন ব্যক্তি বার বার ব্যভিচার করে, তখন পরিবারের মধ্যে ব্যভিচার সংঘটিত হওয়া দ্বারা তাকে শাস্তি দেওয়া হয়ে থাকে। তবে বিষয়টি হবেই এমন নয়। এটি কেবল আশঙ্কা। আল্লাহর বাণী— ﴿أَلَّا تَزِرُ وَازِرَةٞ وِزۡرَ أُخۡرَىٰ ٣٨ ﴾ [ النجم : ٣٨ ] “তা এই যে, কোন বোঝা বহনকারী অন্যের বোঝা বহন করবে না।” [সূরা আন-নাজম, আয়াত: ৩৭] এর অর্থ কোন মানুষকে অপরের গুনাহের কারণে পাকড়াও করা হবে না। কিন্তু একজন মানুষ গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা এটি তার পরিবারের জন্য নিরাপত্তা। যেমন কোন ব্যক্তি যখন অবাধ্য হয়, মদ পান করে বা অন্য কোন খারাপ কর্মে জড়িয়ে পড়ে, তার প্রভাব তার পরিবার পরিজনের মধ্যেও পড়ে। ফলে দেখা যায় তারাও তার অনুকরণে খারাপ কর্মে লিপ্ত হয় এবং তার অনুসরণ করতে থাকে। অনুরূপভাবে যখন কোন ব্যক্তি ব্যভিচার করে –নাউযুবিল্লাহ- তখন তার ছেলে মেয়েরাও তার অনুকরণ করে। তার স্ত্রীও তার মতো যিনা- ব্যভিচার করে। সুতরাং আমাদের সবাইকে এ থেকে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কিন্তু কাউকে অপরের গুনাহের কারণে কখনোই পাকড়াও করা হবে না। প্রত্যেককে তার নিজের অপরাধের কারণে পাকড়াও করা হবে। অভিভাবকের ব্যভিচার করা তার পরিবার ও ছেলে-মেয়েরা তার অনুসরণে ব্যভিচারে জড়িয়ে পড়তে পারে। এ আশঙ্কাটি খুবই প্রকট। আল্লাহর নিকট আমরা নিরাপত্তা কামনা করি।
শাইখ আব্দুল আযীয বিন বায রহ.
প্রশ্ন: সালাফদের উক্তি عفوا تعف نساءكم “তোমরা পাক-পবিত্র থাক, তোমাদের নারীরাও পাক-পবিত্র থাকবে।” দ্বারা অনেকে এ কথা প্রমাণ করে, যে ব্যক্তি ব্যভিচার করে তার ঘরের স্ত্রীও ব্যভিচার করবে। এ কথা কতটা বিশুদ্ধ? এ কথা এবং আল্লাহ তা‘আলার বাণী: ﴿أَلَّا تَزِرُ وَازِرَةٞ وِزۡرَ أُخۡرَىٰ ٣٨﴾ [ النجم : ٣٨ ] “তা এই যে, কোন বোঝা বহনকারী অন্যের বোঝা বহন করবে না।” [সূরা আন-নাজম, আয়াত: ৩৭] —এর মধ্যে যে বিরোধ তা কিভাবে নিরসন করব?
উত্তর: সর্ববস্থায় প্রসংশা কেবল আল্লাহরই। সালাফদের কথা ও কুরআনের বাণীর মধ্যে কোন বিরোধ নেই। সালাফদের উক্তির অর্থ হলো, যখন কোন ব্যক্তি বার বার ব্যভিচার করে, তখন পরিবারের মধ্যে ব্যভিচার সংঘটিত হওয়া দ্বারা তাকে শাস্তি দেওয়া হয়ে থাকে। তবে বিষয়টি হবেই এমন নয়। এটি কেবল আশঙ্কা। আল্লাহর বাণী— ﴿أَلَّا تَزِرُ وَازِرَةٞ وِزۡرَ أُخۡرَىٰ ٣٨ ﴾ [ النجم : ٣٨ ] “তা এই যে, কোন বোঝা বহনকারী অন্যের বোঝা বহন করবে না।” [সূরা আন-নাজম, আয়াত: ৩৭] এর অর্থ কোন মানুষকে অপরের গুনাহের কারণে পাকড়াও করা হবে না। কিন্তু একজন মানুষ গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা এটি তার পরিবারের জন্য নিরাপত্তা। যেমন কোন ব্যক্তি যখন অবাধ্য হয়, মদ পান করে বা অন্য কোন খারাপ কর্মে জড়িয়ে পড়ে, তার প্রভাব তার পরিবার পরিজনের মধ্যেও পড়ে। ফলে দেখা যায় তারাও তার অনুকরণে খারাপ কর্মে লিপ্ত হয় এবং তার অনুসরণ করতে থাকে। অনুরূপভাবে যখন কোন ব্যক্তি ব্যভিচার করে –নাউযুবিল্লাহ- তখন তার ছেলে মেয়েরাও তার অনুকরণ করে। তার স্ত্রীও তার মতো যিনা- ব্যভিচার করে। সুতরাং আমাদের সবাইকে এ থেকে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কিন্তু কাউকে অপরের গুনাহের কারণে কখনোই পাকড়াও করা হবে না। প্রত্যেককে তার নিজের অপরাধের কারণে পাকড়াও করা হবে। অভিভাবকের ব্যভিচার করা তার পরিবার ও ছেলে-মেয়েরা তার অনুসরণে ব্যভিচারে জড়িয়ে পড়তে পারে। এ আশঙ্কাটি খুবই প্রকট। আল্লাহর নিকট আমরা নিরাপত্তা কামনা করি।
শাইখ আব্দুল আযীয বিন বায রহ.