১
সালাত আদায়ের পদ্ধতি
লেখকঃ ড. সায়িদ ইবন আলী ইবন ওহাফ আল-কাহতানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৭
২৩. দ্বিতীয় রাকাত প্রথম রাকাতের ন্যায় পড়বে।
কারণ, সালাতে ভুলকারীর হাদীসে আছে: “অতঃপর এসব কাজ তোমার পুরো সালাতে কর”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৭৯৩; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩৯৭।] তবে পাঁচটি কাজ করবে না:
এক. তাকবীরে তাহরীমা। কারণ, তাকবীরে তাহরীমা হচ্ছে সালাতে প্রবেশ করার জন্য।
দু্ই. তাকবীরে তাহরীমার পর চুপ থাকা। দ্বিতীয় রাকাতে তাকবীরে তাহরীমার পর চুপ থাকবে না। কারণ আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন দ্বিতীয় রাকাতের জন্য উঠতেন, তিনি সূরা ফাতিহা দ্বারা আরম্ভ করতেন, চুপ থাকতেন না”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৯৯।]
তিন. তাকবীরে তাহরীমার পর দো‘আ পড়া। কারণ, আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন দ্বিতীয় রাকাতের জন্য উঠতেন, তিনি সূরা ফাতিহা দ্বারা আরম্ভ করতেন”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৯৯।]
চার. প্রথম রাকাতের ন্যায় লম্বা করবে না বরং প্রত্যেক সালাতে দ্বিতীয় রাকাত প্রথম রাকাত থেকে ছোট হবে। কারণ, আবু কাতাদা থেকে বর্ণিত আছে: “প্রথম রাকাত লম্বা করবে ও দ্বিতীয় রাকাত ছোট করবে”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৪৫১।] “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক সালাতে প্রথম দু’রাকাত লম্বা করতেন ও শেষের দু’রাকাত ছোট করতেন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৭৭০; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৪৫৩।]
পাঁচ. নতুন করে নিয়ত বাঁধবে না। কারণ, পূর্বের নিয়ত যথেষ্ট। দ্বিতীয়তঃ নতুন করে নিয়ত করলে প্রথম রাকাত বাতিল হয়ে যাবে। [হাশিয়া রওজুল মুরবি: (২/৬২)।]
দ্বিতীয় রাকাতে ‘আউযুবিল্লাহ’ সম্পর্কে কেউ বলেছেন: প্রত্যেক রাকাতেই তা বৈধ। কারণ, দুই কিরাতের মাঝখানে কিছু আযকার ও কর্মের ফলে বিচ্ছেদ সৃষ্টি হয়েছে, তাই প্রত্যেক রাকাতে শয়তান থেকে পানাহ চাইবে। আল্লাহ তাআলা বলেন,
﴿فَإِذَا قَرَأۡتَ ٱلۡقُرۡءَانَ فَٱسۡتَعِذۡ بِٱللَّهِ مِنَ ٱلشَّيۡطَٰنِ ٱلرَّجِيمِ ٩٨﴾ [ النحل :98 ]
“সুতরাং যখন তুমি কুরআন পড়বে তখন আল্লাহর কাছে বিতাড়িত শয়তান হতে পানাহ চাও”। [সূরা আন- নাহল, আয়াত: ৯৮] তাই আউযুবিল্লাহ পড়া উত্তম। কেউ বলেছেন: শুধু প্রথম রাকাতেই আউযুবিল্লাহ পড়বে। কারণ, পুরো সালাত মিলে একটি কর্ম, দুই কিরাতের মাঝখানে কোনো নিরবতা বিচ্ছেদ সৃষ্টি করে নি, বরং পুরোটা ছিল যিকির। অতএব, এতে প্রত্যেক কিরাত এক কিরাতের মত। সুতরাং সেখানে এক আউযুবিল্লাহ যথেষ্ট হবে। হ্যাঁ, যদি প্রথম রাকাতে আউযুবিল্লাহ পড়ে না থাকে, তাহলে দ্বিতীয় রাকাতে পড়বে। [যাদুল মায়াদ: (১/২৪২)।]
আর প্রত্যেক রাকাতেই বিসমিল্লাহ পড়া মুস্তাহাব। কারণ, এর মাধ্যমে সূরা আরম্ভ করা হয়। [হাশিয়া রওজুল মুরবি: (২/৬২)।]
এক. তাকবীরে তাহরীমা। কারণ, তাকবীরে তাহরীমা হচ্ছে সালাতে প্রবেশ করার জন্য।
দু্ই. তাকবীরে তাহরীমার পর চুপ থাকা। দ্বিতীয় রাকাতে তাকবীরে তাহরীমার পর চুপ থাকবে না। কারণ আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন দ্বিতীয় রাকাতের জন্য উঠতেন, তিনি সূরা ফাতিহা দ্বারা আরম্ভ করতেন, চুপ থাকতেন না”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৯৯।]
তিন. তাকবীরে তাহরীমার পর দো‘আ পড়া। কারণ, আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন দ্বিতীয় রাকাতের জন্য উঠতেন, তিনি সূরা ফাতিহা দ্বারা আরম্ভ করতেন”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৯৯।]
চার. প্রথম রাকাতের ন্যায় লম্বা করবে না বরং প্রত্যেক সালাতে দ্বিতীয় রাকাত প্রথম রাকাত থেকে ছোট হবে। কারণ, আবু কাতাদা থেকে বর্ণিত আছে: “প্রথম রাকাত লম্বা করবে ও দ্বিতীয় রাকাত ছোট করবে”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৪৫১।] “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক সালাতে প্রথম দু’রাকাত লম্বা করতেন ও শেষের দু’রাকাত ছোট করতেন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৭৭০; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৪৫৩।]
পাঁচ. নতুন করে নিয়ত বাঁধবে না। কারণ, পূর্বের নিয়ত যথেষ্ট। দ্বিতীয়তঃ নতুন করে নিয়ত করলে প্রথম রাকাত বাতিল হয়ে যাবে। [হাশিয়া রওজুল মুরবি: (২/৬২)।]
দ্বিতীয় রাকাতে ‘আউযুবিল্লাহ’ সম্পর্কে কেউ বলেছেন: প্রত্যেক রাকাতেই তা বৈধ। কারণ, দুই কিরাতের মাঝখানে কিছু আযকার ও কর্মের ফলে বিচ্ছেদ সৃষ্টি হয়েছে, তাই প্রত্যেক রাকাতে শয়তান থেকে পানাহ চাইবে। আল্লাহ তাআলা বলেন,
﴿فَإِذَا قَرَأۡتَ ٱلۡقُرۡءَانَ فَٱسۡتَعِذۡ بِٱللَّهِ مِنَ ٱلشَّيۡطَٰنِ ٱلرَّجِيمِ ٩٨﴾ [ النحل :98 ]
“সুতরাং যখন তুমি কুরআন পড়বে তখন আল্লাহর কাছে বিতাড়িত শয়তান হতে পানাহ চাও”। [সূরা আন- নাহল, আয়াত: ৯৮] তাই আউযুবিল্লাহ পড়া উত্তম। কেউ বলেছেন: শুধু প্রথম রাকাতেই আউযুবিল্লাহ পড়বে। কারণ, পুরো সালাত মিলে একটি কর্ম, দুই কিরাতের মাঝখানে কোনো নিরবতা বিচ্ছেদ সৃষ্টি করে নি, বরং পুরোটা ছিল যিকির। অতএব, এতে প্রত্যেক কিরাত এক কিরাতের মত। সুতরাং সেখানে এক আউযুবিল্লাহ যথেষ্ট হবে। হ্যাঁ, যদি প্রথম রাকাতে আউযুবিল্লাহ পড়ে না থাকে, তাহলে দ্বিতীয় রাকাতে পড়বে। [যাদুল মায়াদ: (১/২৪২)।]
আর প্রত্যেক রাকাতেই বিসমিল্লাহ পড়া মুস্তাহাব। কারণ, এর মাধ্যমে সূরা আরম্ভ করা হয়। [হাশিয়া রওজুল মুরবি: (২/৬২)।]