১
সালাত আদায়ের পদ্ধতি
লেখকঃ ড. সায়িদ ইবন আলী ইবন ওহাফ আল-কাহতানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩১
২৭. সালাত যদি তিন রাকাত বিশিষ্ট হয় যেমন মাগরিব অথবা চার রাকাত বিশিষ্ট হয় যেমন জোহর, আসর ও এশা। তাহলে শুধু প্রথম তাশাহুদ পড়বে, তবে উত্তম হচ্ছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর দুরূদ পড়া, যেমন ইতোপূর্বে বর্ণনা করেছি।
অতঃপর পা ও হাটুর সম্মুখভাগ এবং রানের উপর ভর দিয়ে তাকবীর বলে দাঁড়াবে, উভয় হাত কান অথবা কাঁধ পর্যন্ত উঠাবে, যেমন পূর্বে বর্ণনা করা হয়েছে। [সুনান আবু দাউদ, হাদীস নং ৮৩৮; তিরমিযী, হাদীস নং ২৬৮; নাসাঈ, হাদীস নং ১০৮৯; ইবন মাজাহ, হাদীস নং ৮৮২।] দ্বিতীয়তঃ আব্দুল্লাহ ইবন উমারের হাদীসে আছে: “যখন দু’রাকাত থেকে উঠবে উভয় হাত উঠাবে”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৭৩৯; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩৯০।] আবু হুমাইদ থেকে বর্ণিত হাদীসে আছে: “অতঃপর যখন দু’রাকাত থেকে উঠবে তাকবীর বলবে ও উভয় হাত কাঁধ পর্যন্ত উঠাবে যেমন সালাতের শুরুতে উঠিয়েছিল, অতঃপর অবশিষ্ট সালাতে অনুরূপ করতে থাকবে”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৮২৮), আবু দাউদ, হাদীস নং ৭৩০।] এবং উভয় হাত বুকের উপর রাখবে। কারণ, ওয়ায়েল ইবন হুজরের হাদীসে আছে: “আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, যখন তিনি সালাতে দাঁড়ানো অবস্থায় থাকতেন ডান হাত দ্বারা বাম হাত পাকড়াও করতেন”। [নাসাঈ, হাদীস নং ৮৮৭।] অতঃপর আস্তে সূরা ফাতিহা পড়বে। যদি জোহরের তৃতীয় ও চতুর্থ রাকাতে কখনো ফাতের চেয়ে অতিরিক্ত পড়ে তবে কোনো সমস্যা নেই। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৪৫২।] মাগরিবের তৃতীয় রাকাত এবং জোহর, আসর ও এশার তৃতীয় ও চতুর্থ রাকাত পূর্বে বর্ণিত দ্বিতীয় রাকাতের ন্যায় পড়বে। কারণ, সালাতে ভুলকারী ব্যক্তিকে প্রথম রাকাত শিক্ষা দিয়ে বলেন, “অতঃপর তুমি পূর্ণ সালাতে অনুরূপ কর”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৮২৪; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩৯৭।]