১
বিদআতের পরিচয়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫২
৯. কেউ জোরে আমীন বললে তাকে ঘৃণা করা শুদ্ধ নয়
জামাআতে সালাতে জোরে কিরাআত পড়ার সময় সূরা ফাতিহা পাঠ শেষে ইমাম ও মুক্তাদী ছোট করে আমীন বলার চেয়ে উত্তম হলো উচ্চৈঃস্বরে আমীন বলা। ইমাম বুখারী (রহ.) তার ‘‘সহীহ বুখারী’’ কিতাবে এভাবে একটি অনুচ্ছেদ রচনা করেছেন,
بَابُ جَهْرِ الْإِمَامِ بِالتَّأْمِيْنِ . وَقَالَ عَطَاءٌ : اٰمِيْنَ دُعَاءٌ أَمَّنَ ابْنُ الزُّبَيْرِ، وَمَنْ وَرَاءَهٗ حَتّٰى إِنَّ لِلْمَسْجِدِ لَلَجَّةً
ইমাম উচ্চৈঃস্বরে আমীন বলা অনুচ্ছেদ। আত্বা বলেন, আমীন হলো দু‘আ। ইবনে যুবাইর এবং তার পেছনের লোকেরা এমন জোরে আমীন বলতেন যাতে মসজিদ গুঞ্জরিত হয়ে উঠত। [বুখারী তালীক্ব ১/১০৭ পৃঃ, হা/৭৮০; ফাৎহুল বারী, হা/৭৮০-৮১ ‘সশব্দে আমীন বলা’ অনুচ্ছেদ- ১১১।]
عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ قَالَ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ - إِذَا قَرَأَ ﴿ وَلاَ الضَّآلِّينَ﴾ قَالَ ﴿ اٰمِينَ ﴾ . وَرَفَعَ بِهَا صَوْتَهٗ
ওয়ায়েল ইবনে হুজর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ কে ‘ওয়ালাদ্বোয়াল্লীন’ বলার পর উচ্চৈঃস্বরে আমীন বলতে শুনেছি। [আবু দাউদ, হা/৯৩৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৮৮৬২; ইবনে মাজাহ, হা/৮৫৫; নাসাঈ, হা/৯৩২; তিরমিযী, হা/২৪৮।]
এ হাদীস থেকে এটা স্পষ্ট হয় যে, রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে শব্দ করে আমীন বলেছেন। ইমাম আমীন বলা শুরু করলে মুক্তাদীরাও আমীন বলবে। যাতে করে ইমাম-মুক্তাদীর আমীন ও ফেরেশতাদের আমীন এক সঙ্গে হয়। এর ফলে গুনাহ মাফ হয়। আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী ﷺ বলেন, যখন ইমাম আমীন বলে তখন তোমরাও আমীন বলবে। কেননা যার আমীন বলাটা ফেরেশতাদের আমীন-এর সাথে মিলে যাবে, তার পূর্বের সকল গোনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। [সহীহ বুখারী, হা/৭৮০; সহীহ মুসলিম, হা/৯৪২; মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/১৯৪; আবু দাউদ, হা/৯৩৭; তিরমিযী, হা/ ২৫০; নাসাঈ, হা/৯২৮; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/১৫৮৩।]
بَابُ جَهْرِ الْإِمَامِ بِالتَّأْمِيْنِ . وَقَالَ عَطَاءٌ : اٰمِيْنَ دُعَاءٌ أَمَّنَ ابْنُ الزُّبَيْرِ، وَمَنْ وَرَاءَهٗ حَتّٰى إِنَّ لِلْمَسْجِدِ لَلَجَّةً
ইমাম উচ্চৈঃস্বরে আমীন বলা অনুচ্ছেদ। আত্বা বলেন, আমীন হলো দু‘আ। ইবনে যুবাইর এবং তার পেছনের লোকেরা এমন জোরে আমীন বলতেন যাতে মসজিদ গুঞ্জরিত হয়ে উঠত। [বুখারী তালীক্ব ১/১০৭ পৃঃ, হা/৭৮০; ফাৎহুল বারী, হা/৭৮০-৮১ ‘সশব্দে আমীন বলা’ অনুচ্ছেদ- ১১১।]
عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ قَالَ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ - إِذَا قَرَأَ ﴿ وَلاَ الضَّآلِّينَ﴾ قَالَ ﴿ اٰمِينَ ﴾ . وَرَفَعَ بِهَا صَوْتَهٗ
ওয়ায়েল ইবনে হুজর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ কে ‘ওয়ালাদ্বোয়াল্লীন’ বলার পর উচ্চৈঃস্বরে আমীন বলতে শুনেছি। [আবু দাউদ, হা/৯৩৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৮৮৬২; ইবনে মাজাহ, হা/৮৫৫; নাসাঈ, হা/৯৩২; তিরমিযী, হা/২৪৮।]
এ হাদীস থেকে এটা স্পষ্ট হয় যে, রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে শব্দ করে আমীন বলেছেন। ইমাম আমীন বলা শুরু করলে মুক্তাদীরাও আমীন বলবে। যাতে করে ইমাম-মুক্তাদীর আমীন ও ফেরেশতাদের আমীন এক সঙ্গে হয়। এর ফলে গুনাহ মাফ হয়। আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী ﷺ বলেন, যখন ইমাম আমীন বলে তখন তোমরাও আমীন বলবে। কেননা যার আমীন বলাটা ফেরেশতাদের আমীন-এর সাথে মিলে যাবে, তার পূর্বের সকল গোনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। [সহীহ বুখারী, হা/৭৮০; সহীহ মুসলিম, হা/৯৪২; মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/১৯৪; আবু দাউদ, হা/৯৩৭; তিরমিযী, হা/ ২৫০; নাসাঈ, হা/৯২৮; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/১৫৮৩।]