১
বিদআতের পরিচয়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
৬. বিদআত নির্ণয়ের মূলনীতি কী?
বিদআত নির্ণয়ের জন্য কিছু মূলনীতি রয়েছে। যেমন-
১. কুরআন ও হাদীসে এর পূর্ব কোনো নমুনা না থাকা :
নব উদ্ভাবিত কোনো আমলকে ‘বিদআত’ হিসেবে সাব্যস্ত করার জন্য সর্বপ্রথম দেখতে হবে যে, কুরআন ও সহীহ হাদীসসমূহে এর কোনো নমুনা আছে কি না। যদি কুরআন ও সহীহ হাদীসে এর কোনো নমুনা না থাকে, তাহলে সেটি বিদআত হিসেবে পরিগণিত হবে।
২. সওয়াবের উদ্দেশ্য থাকা :
যদি আমলটি করার পেছনে সওয়াবের উদ্দেশ্য থাকে, তাহলে সেটি বিদআত হিসেবে পরিগণিত হবে। আর যদি কোনো ধরনের সওয়াবের উদ্দেশ্য না থাকে, তাহলে সেটি হয় অপচয় অথবা কুসংস্কার হিসেবে পরিগণিত হবে।
৩. ইসলামী বিধান পালনের পদ্ধতির সাথে সম্পৃক্ত হওয়া :
বিদআত কেবল ইসলামী বিধান পালনের পদ্ধতির সাথে সম্পৃক্ত, উপকরণ অথবা মাধ্যমের সাথে নয়। যেমন- রাসূলুল্লাহ ﷺ এর হজ্জ পালন করার পদ্ধতির মধ্যে নতুনত্ব আনয়ন করাটা বিদআত। কিন্তু হজ্জে যাওয়ার জন্য উড়োজাহাজ কিংবা গাড়ি ব্যবহার করা বিদআত নয়।
যেসব ইবাদাত শরীয়ত সাধারণভাবে পালন করার হুকুম দিয়েছে, সেসব আমল কোনো স্থান, কাল, গুণ, নিয়ম-কানুন, সংখ্যা ইত্যাদির দ্বারা নির্দিষ্ট করে নিয়ে আমল করা বিদআত।
১. কুরআন ও হাদীসে এর পূর্ব কোনো নমুনা না থাকা :
নব উদ্ভাবিত কোনো আমলকে ‘বিদআত’ হিসেবে সাব্যস্ত করার জন্য সর্বপ্রথম দেখতে হবে যে, কুরআন ও সহীহ হাদীসসমূহে এর কোনো নমুনা আছে কি না। যদি কুরআন ও সহীহ হাদীসে এর কোনো নমুনা না থাকে, তাহলে সেটি বিদআত হিসেবে পরিগণিত হবে।
২. সওয়াবের উদ্দেশ্য থাকা :
যদি আমলটি করার পেছনে সওয়াবের উদ্দেশ্য থাকে, তাহলে সেটি বিদআত হিসেবে পরিগণিত হবে। আর যদি কোনো ধরনের সওয়াবের উদ্দেশ্য না থাকে, তাহলে সেটি হয় অপচয় অথবা কুসংস্কার হিসেবে পরিগণিত হবে।
৩. ইসলামী বিধান পালনের পদ্ধতির সাথে সম্পৃক্ত হওয়া :
বিদআত কেবল ইসলামী বিধান পালনের পদ্ধতির সাথে সম্পৃক্ত, উপকরণ অথবা মাধ্যমের সাথে নয়। যেমন- রাসূলুল্লাহ ﷺ এর হজ্জ পালন করার পদ্ধতির মধ্যে নতুনত্ব আনয়ন করাটা বিদআত। কিন্তু হজ্জে যাওয়ার জন্য উড়োজাহাজ কিংবা গাড়ি ব্যবহার করা বিদআত নয়।
যেসব ইবাদাত শরীয়ত সাধারণভাবে পালন করার হুকুম দিয়েছে, সেসব আমল কোনো স্থান, কাল, গুণ, নিয়ম-কানুন, সংখ্যা ইত্যাদির দ্বারা নির্দিষ্ট করে নিয়ে আমল করা বিদআত।