১
বিদআতের পরিচয়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮৯
৪৬. সাত নামের তালিকা করে কুরবানী করা শুদ্ধ নয়
কুরবানীদাতা কুরবানী করার সময় তার পরিবারের সাত ব্যক্তির পক্ষ হতে কুরবানী করা শুদ্ধ নয়। শুদ্ধ হলো যে কুরবানী করবে সে নিজের ও পরিবারের সবার পক্ষ হতে কুরবানী করবে। যেমন- কেউ একটি বা একাধিক গরু কুরবানী করলে তাতে প্রতি গরুর জন্য সাত জনের নাম দিতে হবে- এ কথা সঠিক নয়। বরং নিজের ও পরিবারের সবার পক্ষ থেকেই কুরবানী দিতে হবে। অনুরূপভাবে কেউ একটি ছাগল কুরবানী করলেও তা নিজের এবং পরিবারের সবার পক্ষ থেকে কুরবানী করা সুন্নাত। শুধুমাত্র কুরবানীদাতা কিংবা নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের নামে কুরবানী করা সঠিক নয়।
عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ يَقُوْلُ : سَأَلْتُ أَبَا أَيُّوْبَ الْأَنْصَارِيَّ : كَيْفَ كَانَتِ الضَّحَايَا عَلٰى عَهْدِ رَسُوْلِ اللهِ ؟ فَقَالَ : كَانَ الرَّجُلُ يُضَحِّيْ بِالشَّاةِ عَنْهُ وَعَنْ أَهْلِ بَيْتِه ، فَيَأْكُلُوْنَ وَيُطْعِمُوْنَ حَتّٰى تَبَاهَى النَّاسُ ، فَصَارَتْ كَمَا تَرٰى
আতা ইবনে ইয়াসার (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি আবু আইয়ূব (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ ﷺ এর যামানায় কুরবানী কেমন ছিল? তিনি বললেন, একজন ব্যক্তি একটি ছাগল দ্বারা নিজের ও নিজ পরিবারের পক্ষ হতে কুরবানী দিত। অতঃপর তারা সকলে খেত ও অন্যকে খাওয়াত। এখন তো মানুষ কুরবানী নিয়ে বড়াই শুরু করে দিয়েছে। যার ফলে কুরবানী এমন পর্যায়ে গিয়েছে যা তুমি নিজে দেখছ। [তিরমিযী, হা/১৫০৫; ইবনে মাজাহ, হা/৩১৪৭; মু‘জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/৩৮২৩; মুখতাসার ইরওয়ালুল গালীল, হা/১১৪২।]
عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ يَقُوْلُ : سَأَلْتُ أَبَا أَيُّوْبَ الْأَنْصَارِيَّ : كَيْفَ كَانَتِ الضَّحَايَا عَلٰى عَهْدِ رَسُوْلِ اللهِ ؟ فَقَالَ : كَانَ الرَّجُلُ يُضَحِّيْ بِالشَّاةِ عَنْهُ وَعَنْ أَهْلِ بَيْتِه ، فَيَأْكُلُوْنَ وَيُطْعِمُوْنَ حَتّٰى تَبَاهَى النَّاسُ ، فَصَارَتْ كَمَا تَرٰى
আতা ইবনে ইয়াসার (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি আবু আইয়ূব (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ ﷺ এর যামানায় কুরবানী কেমন ছিল? তিনি বললেন, একজন ব্যক্তি একটি ছাগল দ্বারা নিজের ও নিজ পরিবারের পক্ষ হতে কুরবানী দিত। অতঃপর তারা সকলে খেত ও অন্যকে খাওয়াত। এখন তো মানুষ কুরবানী নিয়ে বড়াই শুরু করে দিয়েছে। যার ফলে কুরবানী এমন পর্যায়ে গিয়েছে যা তুমি নিজে দেখছ। [তিরমিযী, হা/১৫০৫; ইবনে মাজাহ, হা/৩১৪৭; মু‘জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/৩৮২৩; মুখতাসার ইরওয়ালুল গালীল, হা/১১৪২।]