১
ইসলামের সৌন্দর্য
লেখকঃ আল্লামা শাইখ আব্দুর রহমান বিন নসের সাদী রহ. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮
৯ম উদাহরণঃ ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে পারস্পারিক অধিকার
আল্লাহ ও তাঁর রাসূল মানবজাতির জন্য যে সমস্ত অধিকার প্রণয়ন করেছেন সেগুলো সবই ন্যায়সঙ্গত ও কল্যাণকর। যেমন পিতা-পুত্র, আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী, বন্ধু-বান্ধব, শ্রমিক-মজুর এবং স্বামী-স্ত্রীর পারস্পারিক অধিকার।
এ অধিকারগুলোর মধ্যে কিছু আছে একান্তই জরুরি আর কিছু আছে সৌন্দর্য বর্ধক। এগুলো অত্যন্ত যৌক্তিক এবং স্বাভাবিক। এ সব অধিকারের উপর ভিত্তি করেই মানুষ পরস্পরের সাথে লেনদেন ও উঠবস করে এবং নিজেদের জন্য উপকারী বিষয়গুলো একে অপরের সাথে বিনিময় করে।
চিন্তা করলে দেখতে পাবেন, এর মাধ্যমে কিভাবে মানুষের কল্যাণ সাধন করা হয়েছে এবং তাদেরকে অনিষ্টের হাত থেকে রক্ষা করা হয়েছে। আরও বুঝতে পাবেন, এগুলো থেকে মানুষ কিভাবে ব্যাপকভাবে উপকৃত হচ্ছে, কিভাবে পারষ্পারিক সুসম্পর্ক ও ভ্রাতৃত্ব বন্ধনের মাধ্যমে তারা চমৎকারভাবে জীবন যাপন করছে।
এতেই প্রতীয়মান হয় যে, ইসলামী শরীয়ত ইহ ও পারলৌকিক উভয় জগতে সুখ সমৃদ্ধ জীবনের নিশ্চয়তা দেয়।
এ অধিকারগুলো স্থান, কাল, পাত্র, পরিবেশ, পরিস্থিতি ও সামাজিক রীতি-নীতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। দেখতে পাবেন যে, এগুলোতে সর্বপ্রকার কল্যাণের সমন্বয় ঘটেছে। এর মাধ্যমে মানুষ দ্বীন-দুনিয়া উভয় ক্ষেত্রে একে অপরকে পরিপূর্ণভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করতে পারে, তাদের অন্তরে ভাতৃত্ব ও ভালবাসা সৃষ্টি হয় আর দূরীভূত হয় পারষ্পারিক হিংসা-বিদ্বেষ ও মনমালিন্য।
এ অধিকারগুলোর মধ্যে কিছু আছে একান্তই জরুরি আর কিছু আছে সৌন্দর্য বর্ধক। এগুলো অত্যন্ত যৌক্তিক এবং স্বাভাবিক। এ সব অধিকারের উপর ভিত্তি করেই মানুষ পরস্পরের সাথে লেনদেন ও উঠবস করে এবং নিজেদের জন্য উপকারী বিষয়গুলো একে অপরের সাথে বিনিময় করে।
চিন্তা করলে দেখতে পাবেন, এর মাধ্যমে কিভাবে মানুষের কল্যাণ সাধন করা হয়েছে এবং তাদেরকে অনিষ্টের হাত থেকে রক্ষা করা হয়েছে। আরও বুঝতে পাবেন, এগুলো থেকে মানুষ কিভাবে ব্যাপকভাবে উপকৃত হচ্ছে, কিভাবে পারষ্পারিক সুসম্পর্ক ও ভ্রাতৃত্ব বন্ধনের মাধ্যমে তারা চমৎকারভাবে জীবন যাপন করছে।
এতেই প্রতীয়মান হয় যে, ইসলামী শরীয়ত ইহ ও পারলৌকিক উভয় জগতে সুখ সমৃদ্ধ জীবনের নিশ্চয়তা দেয়।
এ অধিকারগুলো স্থান, কাল, পাত্র, পরিবেশ, পরিস্থিতি ও সামাজিক রীতি-নীতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। দেখতে পাবেন যে, এগুলোতে সর্বপ্রকার কল্যাণের সমন্বয় ঘটেছে। এর মাধ্যমে মানুষ দ্বীন-দুনিয়া উভয় ক্ষেত্রে একে অপরকে পরিপূর্ণভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করতে পারে, তাদের অন্তরে ভাতৃত্ব ও ভালবাসা সৃষ্টি হয় আর দূরীভূত হয় পারষ্পারিক হিংসা-বিদ্বেষ ও মনমালিন্য।