১
ইসলামের সৌন্দর্য
লেখকঃ আল্লামা শাইখ আব্দুর রহমান বিন নসের সাদী রহ. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২২
১৩তম উদাহরণ: দলিল, চুক্তিপত্র ও সাক্ষী
ইসলামী শরীয়তে দলিল, চুক্তিপত্র ও সাক্ষী রাখার বিধান প্রবর্তন করা হয়েছে যেন পাওনাদার ব্যক্তি এ সকল সাক্ষী, দলিল ও চুক্তিপত্র প্রয়োজনের সময় প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। যেমন পাওনা আদায়ের ক্ষেত্রে, ঋণ নেয়ার পর অস্বীকৃতি প্রতিরোধের ক্ষেত্রে কিংবা পরস্পরের সংশয়-সন্দেহ দূরীকরণে সাক্ষীর দরকার হয়।
অনুরূপভাবে উক্ত প্রয়োজনে পাওনাদারকে বন্ধক, নিরাপত্তা গ্যারান্টি, জামানত ইত্যাদি দলিল-প্রমাণের আশ্রয় নিতে হয়।
এটা দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট যে, এই বিধানের মধ্যে মানুষের অধিকার সংরক্ষণ, লেনদেনের পরিধি সম্প্রসারণ, ন্যায় বিচার এবং সুষ্ঠু ও পরিচ্ছন্ন সামাজিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা সহ বহু কল্যাণ ও উপকারিতা রয়েছে।
এ সকল চুক্তিপত্র ও দলিল-প্রমাণের ব্যবস্থা না থাকলে সামাজিক লেনদেনের বিরাট একটি দিক সম্পূর্ণ অকেজো থেকে যেত। তাই এই বিধান মানুষের পারস্পারিক লেনদেনের ক্ষেত্রে দাতা ও গ্রহীতা উভয়ের জন্যই বিভিন্ন দিক দিয়ে কল্যাণকর।
অনুরূপভাবে উক্ত প্রয়োজনে পাওনাদারকে বন্ধক, নিরাপত্তা গ্যারান্টি, জামানত ইত্যাদি দলিল-প্রমাণের আশ্রয় নিতে হয়।
এটা দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট যে, এই বিধানের মধ্যে মানুষের অধিকার সংরক্ষণ, লেনদেনের পরিধি সম্প্রসারণ, ন্যায় বিচার এবং সুষ্ঠু ও পরিচ্ছন্ন সামাজিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা সহ বহু কল্যাণ ও উপকারিতা রয়েছে।
এ সকল চুক্তিপত্র ও দলিল-প্রমাণের ব্যবস্থা না থাকলে সামাজিক লেনদেনের বিরাট একটি দিক সম্পূর্ণ অকেজো থেকে যেত। তাই এই বিধান মানুষের পারস্পারিক লেনদেনের ক্ষেত্রে দাতা ও গ্রহীতা উভয়ের জন্যই বিভিন্ন দিক দিয়ে কল্যাণকর।