১
ইসলামের সৌন্দর্য
লেখকঃ আল্লামা শাইখ আব্দুর রহমান বিন নসের সাদী রহ. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৪
১৫তম উদাহরণ: মামলা-মোকদ্দমা ও বিবাদ মীমাংসা
বিবাদ মীমাংসা, সমস্যার সমাধান কিংবা বিবদমান কোন একপক্ষকে অগ্রাধিকার প্রদানের ক্ষেত্রে ইসলাম যে সমস্ত সূত্র ও মূলনীতি নির্ধারণ করেছে সেগুলো এক দিকে যেমন ন্যায় সঙ্গত ও সুস্পষ্ট প্রমাণ নির্ভর অন্যদিকে সামাজিক রীতি-নীতি ও স্বভাব-প্রকৃতির সাথে সংগতিপূর্ণ।
যেমন একটি মূলনীতি হল, বাদী তার দাবীর সমর্থনে যদি প্রমাণ হাজির করতে সক্ষম হয় তবেই তার পক্ষ অগ্রাধিকার পাবে এবং তার দাবীকৃত পাওনা লাভ করবে। কিন্তু বাদী যদি কেবল অভিযোগ পেশ করে কিন্তু কোন প্রমাণ হাজির করতে না পারে তবে বিবাদী তার বিরুদ্ধে দায়ের কৃত অভিযোগ অসত্য প্রমাণে কসম খাবে। এতে তার উপর বাদীর আর কোন দাবী-দাওয়া থাকবে না।
ইসলামী আইনে বস্তুর মান অনুসারে প্রমাণ গ্রহণ করা হয়ে থাকে। বিভিন্ন ইঙ্গিত, আলামত বা সমাজে প্রচলিত রীতি-নীতিও দলিল হিসাবে গ্রহণযোগ্য। কেননা, সত্য উদ্ঘাটনে যা কিছু সাহায্য করে সবই প্রমাণের অন্তর্গত।
তবে যদি মামলাটি সন্দেহ পূর্ণ হয় কিংবা উভয় পক্ষই সমান সামান হয় তবে ইসলাম উভয় পক্ষের মাঝে সুষ্ঠু সমঝোতা করাকে বিবাদ ও সমস্যার সামাধানের উপায় হিসেবে নির্ধারণ করেছে।
অনুরূপভাবে বিচারাচার ও বিবাদ মীমাংসার ক্ষেত্রে ইসলাম সেই পন্থা অবলম্বন করতে উৎসাহিত করেছে যাতে জুলুম ও আল্লাহর নাফরমানী নাই এবং সেটা মানুষের উপকারী।
ইসলামে অধিকার ও দেনাপাওনা সংক্রান্ত বিষয়ে দুর্বল ও শক্তিশালী, রাজা ও প্রজা সবাইকে এক কাতারে রেখে বিচার প্রার্থীকে পরিতুষ্ট করার ব্যবস্থা করা হয়েছে ইনসাফ পূর্ণ ও নিরপেক্ষ পন্থা অবলম্বনের মাধ্যমে।
যেমন একটি মূলনীতি হল, বাদী তার দাবীর সমর্থনে যদি প্রমাণ হাজির করতে সক্ষম হয় তবেই তার পক্ষ অগ্রাধিকার পাবে এবং তার দাবীকৃত পাওনা লাভ করবে। কিন্তু বাদী যদি কেবল অভিযোগ পেশ করে কিন্তু কোন প্রমাণ হাজির করতে না পারে তবে বিবাদী তার বিরুদ্ধে দায়ের কৃত অভিযোগ অসত্য প্রমাণে কসম খাবে। এতে তার উপর বাদীর আর কোন দাবী-দাওয়া থাকবে না।
ইসলামী আইনে বস্তুর মান অনুসারে প্রমাণ গ্রহণ করা হয়ে থাকে। বিভিন্ন ইঙ্গিত, আলামত বা সমাজে প্রচলিত রীতি-নীতিও দলিল হিসাবে গ্রহণযোগ্য। কেননা, সত্য উদ্ঘাটনে যা কিছু সাহায্য করে সবই প্রমাণের অন্তর্গত।
তবে যদি মামলাটি সন্দেহ পূর্ণ হয় কিংবা উভয় পক্ষই সমান সামান হয় তবে ইসলাম উভয় পক্ষের মাঝে সুষ্ঠু সমঝোতা করাকে বিবাদ ও সমস্যার সামাধানের উপায় হিসেবে নির্ধারণ করেছে।
অনুরূপভাবে বিচারাচার ও বিবাদ মীমাংসার ক্ষেত্রে ইসলাম সেই পন্থা অবলম্বন করতে উৎসাহিত করেছে যাতে জুলুম ও আল্লাহর নাফরমানী নাই এবং সেটা মানুষের উপকারী।
ইসলামে অধিকার ও দেনাপাওনা সংক্রান্ত বিষয়ে দুর্বল ও শক্তিশালী, রাজা ও প্রজা সবাইকে এক কাতারে রেখে বিচার প্রার্থীকে পরিতুষ্ট করার ব্যবস্থা করা হয়েছে ইনসাফ পূর্ণ ও নিরপেক্ষ পন্থা অবলম্বনের মাধ্যমে।